সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২৬ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

শ্রীমঙ্গলে পাঠদান হচ্ছে বারান্দায়

unnamed-7কুলাউড়া অফিস: শ্রেনী কক্ষের অভাবে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের বারান্ধায় ও ফ্লোরে বসিয়ে পাঠদান করানো হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বারান্ধায় বসে শিক্ষা গ্রহন করলেও শিক্ষকগন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাচ্ছেন। শ্রেনী কক্ষগুলোতে গাজাগাজি করে প্রতিটি বেঞ্চে পাঁচ থেকে ছয় জন করে বসে পাঠ গ্রহন করছে শিক্ষার্থীরা। আর যাদের শ্রেনী কক্ষে বসার জায়গা হয় না তাদেরকে প্রতিটি কক্ষের সামনে বারান্দায় সারিবদ্ধ ভাবে বেঞ্চে ও ফ্লোরে বসানো হয়। শ্রেণী শিক্ষক কখনো ক্লাস রুমে কখনো বারান্দায় হেঁটে হেঁটে শিক্ষার্থীদের পাঠ দান করেন। আর এতে করে প্রতি দিনের শিক্ষা কার্যক্রমে মারাত্মক ব্যঘাত ঘঠছে বলে জানান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এমনই ঘটনাটি ঘটছে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের কাকিয়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে। বর্তমানে ওই বিদ্যালয়ে ৬ষ্ট থেকে দশম শেনী পর্যন্ত অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৫৩ জন। আর তাদের জন্য শ্রেণী কক্ষ আছে মাত্র ৭টি। প্রতি শ্রেনী কক্ষের বিপরীতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা গড়ে ১২০ জন।

জানা যায়, ১৯৯০ সালে ১৭জন শিক্ষার্থী নিয়ে একটি কক্ষে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ৫ কক্ষ বিশিষ্ট টিন শেডের একটি ঘর তৈরী করা হয়। ২০১২ সালে সরকার থেকে চার তলা ফাউন্ডেশনের ৩ কক্ষের একটি বিল্ডিং নির্মান করে দেয়া হয়। ওই বিল্ডিংয়ের একটি কক্ষে ডিজিটাল ল্যাব বসানোর ফলে ওই কক্ষে আর ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয় না। অষ্টম শ্রেনীর ছাত্র সীমান্ত পাল সাংবাদিকদের জানায়, বারান্দায় ও ফোরে বসে ক্লাস করায় শ্রেণী কক্ষের বোর্ডের লেখা অনেক ছাত্র-ছাত্রী বারান্দা থেকে ভেতরের বোর্ড দেখতে পায় না। তাছাড়া বারান্দায় কোন ফ্যান নেই, রোদের প্রচন্ড তাপ এসে ছাত্র ছাত্রীদের শরীরে লেগে জ্বালাপোড়া শুরু করে। আর বৃষ্টির দিনে তো ক্লাস বন্ধই থাকে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, একটি শ্রেণী কক্ষের ১৬টি বেঞ্চে ৬জন করে ৯৬ জন শিক্ষার্থীকে ভেতরে বসানো হচ্ছে। আর বাকীদের বারান্দায় দেয়া হচ্ছে। এভাবে শ্রেণী কক্ষের বাইরে পাঠদানে ছাত্র শিক্ষক উভয়েরই সমস্যা হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নোমান আহম্মেদ সিদ্দিকী বলেন, শ্রেণী কক্ষের অভাবে পাঠদানে চরম ব্যাঘাত ঘটছে। বারান্দায় ও ফ্লোরে বসে শিক্ষার্থীরা যথাযথভাবে পাঠদানে মনোযোগী হতে পারছে না। তিনি আরো জানান, শ্রেণী কক্ষ বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। তা এখনও অনুমোদন পাওয়া যায়নি। শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সুন্দর পরিবেশ হলে আরো ভাল করে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো যেত। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিলিপ কুমার বর্ধন বলেন, বিদ্যালয়ের নতুন বিল্ডিং নির্মান এর মূল কাজটি দেখাশুনা করে ফ্যাসেলিটিজ বিভাগ। তবুও আমরা উপর মহলে লেখালেখি করছি। এখনও কোনও সাড়া পাইনি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: