সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভারতে তিন বাংলোদেশিসহ ছয় জেএমবি জঙ্গি আটক

e35c9c8e6d57c28f6a147481ae736a5c-57e8cd8f35a9f-696x228আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
তিন বাংলাদেশিসহ জামায়াতুল মুজাহেদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর ছয় জঙ্গিকে আটক করেছেন কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। তারা ভারতে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছিল বলে দাবি কলকাতা পুলিশের। আটককৃতদের মধ্যে জেএমবি’র ভারত শাখার দুই প্রধান রয়েছে বলে জানিয়েছে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। খবর আনন্দবাজার।

এসটিএফ-এর প্রধান বিশাল গর্গ সোমবার জানান, আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গা থেকে ওই ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন বাংলাদেশের নাগরিক। বাকিরা ভারতের। তাদের নাম আনোয়ার হোসেন ফারুক ওরফে ইনাম ওরফে কালুভাই, জাহিদুল শেখ ওরফে জাফর ওরফে জাবিরুল, মো. রফিক ওরফে রুবেল, মৌলানা ইউসুফ ওরফে বক্কর ওরফে আবু খেতাব, শাহিদুল ওরফে সূর্য ওরফে শামিম এবং আব্দুল কালাম ওরফে কলিম। ধৃতদের ছয় জনের মধ্যে পাঁচ জনের নাম ইতিমধ্যেই খাগড়াগড় মামলার চার্জশিটে রেখেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এএনআই)। এমনকি, এই ছ’জনকে ধরিয়ে দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেছিল তারা।

বিশাল গর্গ জানান, দু’দিন আগে আসামের কাছাড় থেকে একটা জাল নোটের মামলায় কলকাতা এসটিএফ জাবিরুলকে গ্রেফতার করে। তাকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। এর পর জাবিরুলকে লাগাতার জেরা করে জানা যায়, সে জেএমবির সঙ্গে যুক্ত। সেই সূত্র ধরে রবিবার নিউ কোচবিহার স্টেশন থেকে কালামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, কালাম বাংলাদেশ থেকে আসাম হয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢোকার চেষ্টায় ছিল। বাংলাদেশ থেকে তাকে কাছাড়ে সংগঠনের দায়িত্ব সামলাতে পাঠানো হয়েছিল।

এরপর উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ-বাগদা রোডের উপর বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী একটি জায়গা থেকে ইনাম এবং রফিককে গ্রেফতার করা হয়। ইনাম এ রাজ্যে জেএমবি ইউনিটের প্রধান। তার বাড়ি বাংলাদেশের জামালপুরে। রফিকের বাড়িও ওই একই জায়গায়। সে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তৈরিতে পারদর্শী। বাংলাদেশ থেকে এ দেশে আসা জেএমবি সদস্যদের এখানে থাকার ব্যবস্থা করে দিত রফিক।

এসটিএফ প্রধান জানিয়েছেন, এর পরে ওই জেলারই বসিরহাটের নতুন বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ইউসুফ এবং শাহিদুলকে। ইউসুফের বাড়ি বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটে। তার সন্ধান দিতে পারলে ১০ লাখ টাকা পুরস্কারের কথা ঘোষণা করেছিল এনআইএ। এসটিএফ-এর দাবি, শাহিদুল উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান হিসেবে কাজ করত। এ দেশে বিভিন্ন নাশকতামূলক ছকের মূল পরিকল্পকও সে। তার বাড়ি আসামের বরপেটায়।

আটককৃতদের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে প্রচুর বিস্ফোরক। সঙ্গে নাশকতার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন কাগজপত্র, বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন, প্রায় দু’কেজি সাদা বিস্ফোরক পাউডার, বিয়ারিং-বল, তার কাটা যায় এমন জিনিস এবং ব্যাটারি। রফিকের কাছে কেমিক্যাল কমপাউন্ডের একটি বই পাওয়া গিয়েছে। ইউসুফ এবং ইনামের কাছে পাওয়া গিয়েছে বিস্ফোরক। ইনামের কাছে একটা সাংগঠনিক ছকও পাওয়া গিয়েছে। রফিকের কাছে বাংলাদেশি ট্রেড লাইসেন্সও মিলেছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: