সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পাকিস্তানকে একঘরে করতে ভারতের চেষ্টা পাঁচ কারণে ব্যর্থ হবে

Uri: Soldiers guard outside the army base which was attacked suspected militants in Uri, Jammu and Kashmir on Monday. PTI Photo (PTI9_19_2016_000223B)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উরি হামলার ঘটনায় পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে বিছিন্ন করার অঙ্গীকার করেছে ভারত। ‘সন্ত্রাসী কার্যকলাপে পাকিস্তান সমর্থন যোগাচ্ছে’-এমন দাবিকে হাইলাইট করার মাধ্যমেই ভারত এই প্রচেষ্টা চালাবে। ২০০৮ সালেও মুম্বাই হামলার পর ভারত একই কৌশল অবলম্বনের চেষ্টা করেছিল। ওই হামলায় ১৬৬ জন নিহত হয়েছিল।

তবে, আন্তর্জাতিকভাবে পাকিস্তানকে একঘরে করে রাখার চেষ্টা মুখে যতটা বলা সহজ, বাস্তবে ততটা সহজ নয়। মূলত পাঁচটি কারণে ভারতের এ প্রচেষ্টা সফল হবে না। এগুলো হলো:

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিশ্বের সামান্য নিন্দা

ভারত উরি আক্রমণের জন্য পাকিস্তান ভিত্তিক জইশ-ই-মোহাম্মদ সমর্থকদের দায়ী করেছে। অবশ্য কয়েকটি রাষ্ট্র তাদের নিন্দায় সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করেছে। তবে, যুক্তরাজ্য উরিকে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের একটি অংশ হিসাবে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উরি উপত্যকায় হামলার জন্য পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করেই এর নিন্দা জানিয়েছে।

ইসলামী রাষ্ট্র উল্লেখ করে রাশিয়া একটি তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছে। দেশটি তাদের বার্তায় বলেছে, ‘আমরাও এ হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন। নয়াদিল্লির ভাষ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানি টেরিটরি থেকে উরির নিকটবর্তী সেনা ঘাঁটিতে আক্রমণ করা হয়।’

পরাশক্তির রাষ্ট্রগুলোর কাছে পাকিস্তানের গ্রহণযোগ্যতা
যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রেট ব্রিটেনসহ পরাশক্তির দেশগুলোর কাছে পাকিস্তান একটি কার্যকরী মিত্র; যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি পাকিস্তানকে অনেকখানি এগিয়ে রেখেছে।

চীনের অব্যাহত সমর্থন
ভারতের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে পাকিস্তান-ভিত্তিক এমন ব্যক্তিদের আটকাতে ভারত জাতিসংঘের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কমিটিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তবে, এই ধরনের প্রচেষ্টা ধারাবাহিকভাবে চীনের বিরোধীতার সম্মুখীন হচ্ছে। চীনের বিরোধীতার কারণেই ভারত এই প্রচেষ্টায় সফল হতে পারছে না।

যন্ত্রনাদায়ক কূটনীতিক মাধ্যম এবং একটি স্মার্ট আপোষ পদ্ধতির মাধ্যমেই কেবল ভারত চীনা সমর্থনকে প্রত্যাহার করাতে পারে। এছাড়া, পাকিস্তানকে বিরক্ত করতে বেইজিং সামান্যই আগ্রহ দেখাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতি
ইন্দো-পাকিস্তান সম্পর্কের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বছরের পর বছর ধরে দ্বিমুখী নীতি প্রয়োগ করে আসছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে, পাকিস্তানের ভৌগোলিক অবস্থান বিপর্যস্ত করে আমেরিকানরা কেন তাদের (পাকিস্তানিদের) ঘৃণার পাত্রে পরিণত হবে?

এছাড়াও, যতদিন আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েন থাকছে এবং যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশটিতে শান্তি প্রক্রিয়া যতদিন পর্যন্ত সফল না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাদের ভারসাম্যমূলক দ্বিমুখী নীতি অব্যাহত রাখবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

ওআইসির দৃঢ় সমর্থন
ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকা সত্ত্বেও, ইসলামাবাদ সবসময় কূটনৈতিক কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে একটি স্মার্ট ভূমিকা পালন করে আসছে। এব্যাপারে পাকিস্তান ইসলামিক দেশগুলোর সংস্থা ওআইসি’র দৃঢ় সমর্থন পেয়ে আসছে। যদিও সংস্থাটির অনেক সদস্য দেশ গোপনে ভারতের উদ্বেগের সঙ্গে একমত পোষন করে থাকে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: