সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হয়‌তো হাসপাতাল ছে‌ড়ে চ‌লে যে‌তে হ‌বে বাবা মে‌য়ে‌কে

1474619378নিউজ ডেস্ক: মাত্র অাড়াই লাখ টাকা হ‌লেই সুন্দর ফুটফু‌টে মিমমার মু‌খে হা‌সি ফুট‌বে। তা না হ‌লো তার বাম পা‌ খা‌টোই থে‌কে যা‌বে। বাবার কা‌ছে টাকা নেই জে‌নে অার বু‌ঝি সুস্থ হওয়া হ‌বে না এই ভে‌বে হা‌সিমাখা মুখটা‌তে অন্ধকার নে‌মে এসে‌ছে তার।
এ‌দি‌কে ডাক্তার ব‌লেছেন যতদ্রুত সম্ভব কাউন্টা‌রে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা জমা কর‌তে। তাহ‌লেই অপা‌রেশন করা সম্ভব। বা‌ড়ি থে‌কে যে টাকা এনে‌ছি‌লেন ইতোম‌ধ্যে সেই টাকা শেষ হ‌য়ে গে‌ছে। এখন ‌মে‌য়ের জন্য ওষুধ পর্যন্ত কিন‌তে পার‌ছেন না তি‌নি। হাসপাতাল থে‌কে মে‌য়ে‌কে যে খাবার দেয়া সে খাবার খে‌য়েই বর্তমা‌নে দিন পার হ‌চ্ছে বাবা মে‌য়ের। গত ১৭ সে‌প্টেম্বর সিরাজগ‌ঞ্জের কামারখন্দ উপ‌জেলার রায়‌দৌলতপুর ইউনিয়‌নের ধ‌লেশ্বর গ্রাম থে‌কে মে‌য়ে মিমমাহর (১৬) চি‌কিৎসা করা‌তে রাজধানীর জাতীয় অ‌র্থো‌পে‌ডিক (পঙ্গু) হাসপাতা‌লে অা‌সেন মো: অাব্দুল গফুর।

মিমমাহ বর্তমা‌নে হাসপাতা‌লের ৪র্থ তলার ম‌হিলা ওয়ার্ডের ১২নং বে‌ডে ভ‌র্তি অা‌ছেন। ‌সেখা‌নে ডাক্তার ওয়া‌হিদুর রহমান ও ডাক্তার দীপুর তত্বাবধা‌নে র‌য়ে‌ছে মে‌য়ে‌টি। অাব্দুল গফুর এলাকার এক‌টি মস‌জি‌দে ইমাম‌তি ক‌রেন। এলাকার মানু‌ষের কা‌ছে শু‌নে‌ছেন পঙ্গু হাসপাতা‌লে মে‌য়ে‌কে নি‌য়ে গে‌লেই ঠিক হ‌য়ে যা‌বে। তা‌দের সেই কথা শু‌নেই তি‌নি মে‌য়ে মিমমা‌কে নি‌য়ে ছু‌টে এসে‌ছেন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতা‌লে। মিমমার ছোট‌বেলায় জ্বর হয়। এ সময় তার খিঁচু‌নি হয় এরপর থে‌কেই তার বাম পা‌টি খা‌টো হ‌য়ে যায়। গত ২১ সে‌প্টেম্বর মে‌য়ে‌কে নি‌য়ে যাওয়া হয় অপা‌রেশন থি‌য়েটা‌রে। সেখা‌নে তার পা‌য়ের ম‌ধ্যে রড ঢুকা‌নো হয় (ট্রাকশন)।

এখন অপা‌রেশন কর‌তে অাজকা‌লের ম‌ধ্যে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা কাউন্টা‌রে জমা দি‌তে হ‌বে। এছাড়াও পরবর্তী খরচ অা‌ছে অা‌রো এক লাখ টাকা। বিশাল অ‌ঙ্কের এই টাকার কথা শু‌নেই হতভম্ভ হ‌য়ে প‌ড়েছেন বাবা অাব্দুল গফুর। যে মানুষটির সংসার চলা দায় তার প‌ক্ষে এত টাকা যোগাড় করা পাহাড় সমান কষ্টকর ব্যাপার। কার কা‌ছে চাই‌বেন এত টাকা? সে‌দিন এত টাকার কথা শু‌নে কো‌নো কূল‌কিনারা না পে‌য়ে মে‌য়ে‌কে নি‌য়ে হাসপাতাল ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নি‌য়ে‌ছি‌লেন তি‌নি।

হাসপাতাল থে‌কে বের হ‌বেন এমন সময় অাশপা‌শের লোকজন অাশ্বাস দেন কোথাও কোথাও একটা উপায় বের হ‌বে, অাপনারা থা‌কেন। উনা‌কে অাশ্বাস দেয়া হয় অাল্লাহর এই দু‌নিয়ায় অসংখ্য ভা‌লো মানুষ অা‌ছেন, কেউ না কেউ অবশ্যই ছু‌টে অাস‌বেন সহ‌যো‌গিতার হাত বাড়া‌তে। সেই অাশায় সেই হৃদয়বান মানু‌ষটির জন্য প্রহর গুণ‌ছেন বাবা মে‌য়ে। মিমমা জানায়, এক পা খাটো হওয়ার কার‌ণে এলাকার মানুষ কটূ‌ক্তি ক‌রে। বান্ধবীরা খেলাধূলা ক‌রে অার অামা‌কে ব‌সে থাক‌তে হয়। খুব কষ্ট হয় তখন। অাব্দুল গফুর জানান, ইমাম‌তি ক‌রে যে টাকা পাই তা দি‌য়ে সংসার চালা‌নো কষ্ট হ‌য়ে যায়। মে‌য়ের চি‌কিৎসা করা‌তে এত টাকা লাগ‌বে ভাব‌তেও পা‌রি‌নি। অাল্লাহর দু‌নিয়ায় অসংখ্য ভা‌লো মানুষ অা‌ছেন। সেই মানুষ‌টির অ‌পেক্ষায় অা‌ছি। তা না হ‌লে মে‌য়ে‌কে নি‌য়ে বা‌ড়ি চ‌লে যে‌তে হ‌বে।

মিমমাকে সহযোগিতা পাঠাতে পারেন এই ঠিকানায় : আইবুল আলম, সোনালী ব্যাংক, কামারখন্দ শাখা, সঞ্চয়ী হিসাব নং ৩৪০-৭৭-৬১৯। এছাড়া হাসপাতালে গিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন। মো. আব্দুল গফুর, মোবাইল : ০১৫৫৬-২৮৬৫৬০।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: