সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধান চায় বাংলাদেশ – বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

1474481078নিউইয়র্ক প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সঙ্কটের মূল কারণ উদঘাটন করে শরণার্থীদের মানবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, মিয়ানমারের (রোহিঙ্গা) শরণার্থী ইস্যুর সমাধানের উপায় বের করতে দেশটির নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ। মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চি’র সঙ্গে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা মিয়ানমারের নতুন নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে আছি।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় অপরাহ্নে জাতিসংঘের সদর দফতরে ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল চেম্বারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আয়োজিত ‘লিডারশিপ সামিট অন রিফিউজস’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে আসা বিপুল সংখ্যক উদ্বাস্তুকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। নিজেদের সীমিত সম্পদ নিয়েও বাংলাদেশ এই শরণার্থীদের জন্য দায়িত্ব পালন করে আসছে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবেশী দেশের এই উদ্বাস্তুদের নিরাপত্তার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আর তা করতে গিয়ে অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও পরিবেশগতভাবে নানা চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই শরণার্থী শিবিরগুলোতে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে। তাদের জন্য উন্নত আবাসনের ব্যবস্থা করা এবং তাদের স্বনির্ভর করে তুলতে দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টিও বাড়তি গুরুত্ব পাবে। অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের শরণার্থী ইস্যুতে সম্পৃক্ত হওয়ার এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কাউকে পেছনে ফেলে না রাখার আমাদের যে অঙ্গীকার তা বাস্তবায়নে অবশ্যই জনগণকে সুশৃঙ্খল, নিরাপত্তা, নিয়মানুবর্তিতা ও দায়িত্বের উন্নয়ন সাধনে কাজ করতে হবে।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারে জাতিগত ও রাজনৈতিক কারণে নিপীড়নের শিকার মুসলিম রোহিঙ্গারা দুই দশক আগে ব্যাপক হারে বাংলাদেশে প্রবেশ শুরু করে। বাংলাদেশ সরকার এই শরণার্থীদের ফিরিয়ে নিতে আহ্বান জানিয়ে এলেও মিয়ানমারের দিক থেকে সাড়া মেলেনি। কক্সবাজারের কুতুপালং ও নয়াপাড়ায় বর্তমানে রোহিঙ্গাদের দুটি শরণার্থী শিবির রয়েছে। এতে নিবন্ধিত ৩৪ হাজার শরণার্থী থাকলেও এর বাইরে পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে রয়েছে। বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে রোহিঙ্গারা বিদেশে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মিয়ানমার থেকে আসা উদ্বাস্তুর প্রকৃত সংখ্যা জানতে সমপ্রতি একটি জরিপ পরিচালনার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার প্রতিবেশী দেশের এই শরণার্থীদের ‘তথ্য কার্ড’ শীর্ষক পরিচয়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে, যাতে তারা স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ বিভিন্ন সেবা এবং বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় না পড়ে। তাদেরকে উন্নতমানের আশ্রয়স্থলের ব্যবস্থা ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্যও মনোযোগ দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

সভায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। শরণার্থী বিষয়ক এই বৈঠকে অংশ নেওয়ার আগে দুপুরে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুনের দেওয়া ভোজসভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘টেকসই ভবিষ্যতের লক্ষ্যে নারীর কর্মক্ষেত্রকে আরো প্রসারিত করতে হবে’: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীদের জন্য টেকসই ভবিষ্যত নির্মাণ এবং সহিংস জঙ্গিবাদ প্রতিরোধের লক্ষ্যে নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং কর্মক্ষেত্রকে প্রসারিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যে সমাজ নারীর অংশগ্রহণ এবং ক্ষমতায়নের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়, সে সমাজে উগ্র ও সহিংস চরমপন্থার কোনো স্থান নেই। আমাদের নারীর কর্মক্ষেত্রকে প্রসারিত করার মাধ্যমে সকলের জন্য টেকসই ভবিষ্যত বিনির্মাণে কাজ করে যেতে হবে।’ একইদিন জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭১ তম অধিবেশনে ‘ওমেনস লিডারশিপ অ্যান্ড জেন্ডার পার্সপেক্টিভ অন প্রিভেন্টিং অ্যান্ড কাউন্টারিং ভায়োলেন্স এক্সট্রিমিজম’ বিষয়ক সাইড ইভেন্টে ভাষণ প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা সভ্য সমাজকে লাঞ্ছিত করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতি মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আমরা অবশ্যই আমাদের অবস্থান থেকে এই চ্যালেঞ্জ মোকবিলা করবো। এই সমস্যা সমাধানে আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে। আমরা যে সমাধানের পথেই যাই না কেন নারীদের সেখানে অংশীদারিত্ব থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় উগ্র চরমপন্থা প্রতিরোধে নারীদের অংশগ্রহণ এবং নারী নেতৃত্বের অন্তর্ভুক্তির নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘উগ্র সন্ত্রাসবাদে নারীদেরকেও সম্পৃক্ত করার জন্য নতুন এক ধরনের অপচেষ্টা শুরু হয়েছে। আমি সবার জন্য শিক্ষা নীতিতে বিশ্বাসী, বিশেষ করে নারীদের জন্য এবং এটাই সমাজ থেকে সন্ত্রাস এবং উগ্র চরমপন্থা হটানোর ক্ষেত্রে গুরুতপূর্ণ হাতিয়ার।’

প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও উগ্র চরমপন্থার বিরুদ্ধে তার সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, আমরা সহিংস চরমপন্থিদের মধ্যে নারী সদস্য নিযুক্ত করার নতুন প্রবণতা দেখছি। কি কারণে এসব নারী ভুল পথে প্রলুব্ধ হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিসহ তার সরকারের গৃহিত বিভিন্ন নারী উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের তথ্য তুলে ধরে বলেন, সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী নারী সদস্যরা সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে নীতি প্রণয়নে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছে। সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রত্যেক মায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সন্তানদের জঙ্গিবাদের ছায়া থেকে দূরে রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রবাসীকল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. দিপু মনি প্রমুখ।

বাংলাদেশের প্রশংসায় বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট:বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ড. জিম ইয়ং কিম আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়নের উচ্চ প্রশংসা করে বলেছেন, দেশটির দারিদ্র্য হ্রাস ও নারীর ক্ষমতায়ন তাকে বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার হোটেলে সৌজন্য সাক্ষাত্কালে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, ‘আমি সবসময় প্রতিটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সাফল্যগাথা তুলে ধরে থাকি। দারিদ্র্য হ্রাস ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের বিস্ময়কর অর্জন অত্যন্ত উত্সাহব্যঞ্জক।’ বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেন, তার সংস্থা বাংলাদেশের সঙ্গে কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে এবং তিনি আগামী মাসে দক্ষিণ এশিয়ার এদেশ সফরের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। কোনো দেশ বা উন্নয়ন সংস্থা বিশেষ করে নদী শাসন বা অন্য কোনো পরিকল্পনা বা প্রকল্প গ্রহণের সময় তার সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে গ্রহণ করা হলে পরিকল্পনা বা প্রকল্পটি বাংলাদেশের জন্য যথোপযুক্ত হবে। কারণ, আমরা আমাদের প্রয়োজনগুলো বুঝি।’ এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী দুটি অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করবেন: নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এবার দুটি পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব নজরুল ইসলাম বলেন, জাতিসংঘ সদর দফতরের ইউএন প্লাজায় বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে জাতিসংঘ উইমেন এর ‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ এবং গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরামের ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ’ অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কমনওয়েলথের নতুন তহবিল গঠন: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ঝুঁকিতে থাকা ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তার জন্য নতুন একটি তহবিল চালু করেছে কমনওয়েলথ। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে এই তহবিলের উদ্বোধন করেন কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী আনিরুদ জগনাথও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ‘দ্য কমনওয়েলথ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স অ্যাকসেস হাব’ নামের এই তহবিলে ২০২০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে কমনওয়েলথের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে। প্যারিস জলবায়ু চুক্তির কয়েক মাসের মাথায় নতুন এই তহবিল চালু করা হল।

নতুন জলবায়ু তহবিল নিয়ে কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্যারিস চুক্তি কার্যকরের পথে এটা ‘বাস্তবে একধাপ এগিয়ে যাওয়া’। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতির উপর আলোকপাত করে তিনি দাতা দেশগুলোর ‘তহবিল গঠনে’ সাড়া দেয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। সেইসঙ্গে অর্থ ছাড়ে তাদের দীর্ঘসূত্রতারও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত অর্থ তাদের হাতে পৌঁছায় না, যাদের এটা দ্রুততম সময়ে দরকার। তবে কমনওয়েলথের নতুন এ উদ্যোগ এই পরিস্থিতি বদলে অভিযোজন ও প্রশমনের ক্ষেত্রে দ্রুততার সঙ্গে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড় করবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: