সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মানবতাবিরোধী অপরাধ : ৩ রাজাকারের বিরুদ্ধে ২৮ নভেম্বর অভিযোগ দাখিল

whorz1_818ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
নেত্রকোনার সোহরাব ফকিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করতে ২৮ নভেম্বর দিন ধার্য্য করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ১৯৭১ সালে তাদের বিরুদ্ধে রাজাকার বাহিনীতে যোগ দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। গতকাল সোমবার এ মামলার ফরমাল চার্জ দাখিলের দিন ধার্য্য ছিল। আজ মামলাটি উত্থাপিত হলে প্রসিকিউশনের করা সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেয়। প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াছমিন মুন্নী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর এই তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬টি অভিযোগ এনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এই মামলায় সোহরাব ফকির ওরফে সোহরাব আলী ওরফে ছোরাপ আলী (৮৮) ছাড়াও অপর দুই আসামি হলেন শান্তি কমিটির সদস্য হেদায়েথ উল্লাহ ওরফে মো. হেদায়েতুল্লাহ ওরফে আঞ্জু বিএসসি (৮০) ও এনায়েত উল্লাহ ওরফে মঞ্জু (৭০)।
এদের তিনজনের গ্রামের বাড়িই নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার কুলশ্রীতে। তবে আঞ্জু রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার হেতেম খাঁ মেথরপাড়ায় থাকেন। অন্যদিকে ছোরাপ একই জেলার মদন থানার জাহাঙ্গীরপুরে বাস করে আসছিলেন। চলতি বছর ৮ ফেব্র“য়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে ওই দিনই সোহরাব ফকিরকে গ্রেফতার করা হয়। তবে বাকি দুজন পলাতক। আসামিদের তিনজনই একাত্তরে জামায়াতের কর্মী ছিলেন। এদের মধ্যে আঞ্জু-মঞ্জু এখনো জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে ৪০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
তিনজনের বিরুদ্ধে ৬ অভিযোগ, প্রথম অভিযোগ : ১৯৭১ সালের ২৯ মে বেলা ১০/১১টার দিকে নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার মধুয়াখালী গ্রামে ২০-৩০টি ঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ। দ্বিতীয় অভিযোগ : ১৯৭১ সালের ২৩ আগস্ট বেলা ১১টা থেকে নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার মোবারকপুর গ্রামের শহীদ মালেক তালকুদার ও কালা চান মুন্সিকে অপহরণ, হত্যা এবং লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ। তৃতীয় অভিযোগ : ১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট বেলা আনুমানিক ১২টা হতে বিকেল পর্যন্ত নেত্রকোনা জেলার মদন থানার মদন গ্রামে অপহরণ, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ।
চতুর্থ অভিযোগ : ১৯৭১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বেলা ১টা হতে রাত পর্যন্ত নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার সুখারী গ্রামের শহীদ দীনেশ চন্দ্র, শৈলেশ চন্দ্র, প্রফুল্ল বালা, মনোরঞ্জণ বিশ্বাস, দূর্গা শংকর ভট্টাচার্য, পলু দে, তারেশ চন্দ্র সরকারকে অপহরণ, গণহত্যা, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ। পঞ্চম অভিযোগ : ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাতে নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার সুখারী গ্রামের সরকার পাড়ার বিধান কুমার সরকার (সজিব), বাদল চন্দ্র ঘোষকে সপরিবারে, কল্যাণী রাণী সরকার, জীবন চন্দ্র সরকার, প্রণতি সরকার, অজিতা বিশ্বাসসহ আরো হিন্দু পরিবার দেশত্যাগে বাধ্য করা। ষষ্ঠ অভিযোগ : ১৯৭১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকাল অনুমানিক ১০/১১টা থেকে দুপুর আনুমানিক ৩টা পর্যন্ত নেত্রকোনা জেলার মদন থানার মদন গ্রামের ১৫০-২০০ ঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: