সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ২৬ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কমলগঞ্জে ৮ম শ্রেনির ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ

2-daily-sylhet-666-2কমলগঞ্জ সংবাদদাতা:  কমলগঞ্জে চিৎলিয়া জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে খালার বাড়ি থেকে ফেরার পথে অপহরণ করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিবাহিত এক বখাটে ছেলে ছাত্রীকে অপহরণ করে নেয় বলে ছাত্রীর পিতা কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ছাত্রীর পিতা আদমপুর ইউনিযনের উজ্জল মিয়া(২৫) রিয়াছত মিয়া (৬০) ও নেওয়া বেগম (৪০)-কে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

কমলগঞ্জ থানায় দায়ের করা অপহৃতা ছাত্রীর বাবা হাসমত মিয়ার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মেয়ে তানিয়া নাসরিন পলি (১৪) আলীনগর ইউনিয়নের চিৎলিয়া জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনির ছাত্রী। তাদের বাড়ি একই ইউনিয়নের যুগিবিল গ্রামে। এ গ্রামের মৃত মুলফত মিয়ার বিবাহিত বখাটে ছেলে উজ্জল মিয়া বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে তানিয়াকে উত্যক্ত করতো। এক পর্যায়ে সে তানিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে তানিয়ার পরিবার বিয়েতে রাজি হয়নি। ঈদে পরে তানিয়া ইসলামপুর ইউনিয়নের ছয়ঘরি গ্রামে খালু রাসেল মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে যায়। ১৭ সেপ্টেম্বর ইসলামপুর ইউনিয়নের ছয়ঘরি গ্রাম এলাকায় অপহরণের এ ঘটনাটি ঘটলে গতকাল তার পরদিন বিকালে খালুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে এলাকার বখাটে উজ্জল মিয়ার ও সঙ্গীরা পথরোধ করে ছাত্রী তানিয়াকে একটি সিএনজি অটোরিক্সায় তুলে নিয়ে যায়। ছাত্রী তানিয়াকে তুলে নিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে তার বাবা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যে বখাটে উজ্জল মিয়ার পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করা হলেও কোন সাড়া না েেপয় বাবা হাসমত মিযা বাধ্য হয়ে সোমবার সকালে কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অপহৃতা ছাত্রীর বাবা অভিযোগকারী হাসমত মিয়া বলেন, একই গ্রামের ছেলে হলেও উজ্জল খুবই খারাপ প্রকৃতির। সে এতিপূর্বে আদমপুর ইউনিয়নের আধকানি গ্রামে একটি বিয়েও করেছে। তার পর তার মেয়ে ৮ম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়াকে নানাভাবে উত্যক্ত করে অবশেষে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহৃতা এ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী বলেই বিদ্যালয় থেকে একটি প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সাথে জড়িত উজ্জল মিয়া ও এজাহার ভুক্ত আসামীরা পলাতক থাকায় মোবাইলে তাদেও সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

সোমবার বিকালে কমলগঞ্জ থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা উপ-সহকারী পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম ছাত্রী অভিযোগ গ্রহনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগটি তদন্তধীন আছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: