সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কমেডি ড্রামা ফেষ্ট – BRAVOCIN-30

bravocine-30পিরিতির বাজার সদর থানার সবচেয়ে সুন্দরী তনয়া। পিরিত করার জন্য ডজন খানেক পোলাপান লাইন দিয়ে আছে তাঁর পেছনে। কিন্তু তানিয়া এমন একজনকে মন দিতে চান, যিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে সাহসী পোলা। কিন্তু এমন পোলা পাওয়া কী বাস্তবে সম্ভব সুন্দর বনের বাঘকে ও ভয় পায়না- এমন ছেলের দেখা যায়- তেলাপোকা দেখলে তেরো হাত দূরে গিয়ে বসে। ১০০% অকুতোভয় আসলে কেউ-ই নয়।
পিরিতির বাজারের ধনকুবের ওহাব খানের একমাত্র এবং সাহসী পোলা। তিনি উক্ত বিষয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নমত প্রকাশ করেন। তাঁর মতে ১০০% অকুতোভয় পোলা এই পিরিতির বাজারেই আছে। এবং পোলাটা স্বয়ং সে, মোঃ সারোয়ার হোসেন খান।
মুখের কথা কে বিশ্বাস করতে চায়? প্রমান চায় সবাই। প্রমান হিসেবে একটার পর একটা দূঃসাহসিক কাজ করে যায় সারোয়ার। সত্যিই তো, কোন কাজে কেউ ঠেকাতে পারেনা তাকে। এমন পোলাই তো খুঁজছে তানিয়া। এখন অপেক্ষা শুধু শেষ পরীক্ষাটার। ৬০ ফুট উঁচু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিতে হবে সারোয়ারকে।

নদীর পাড়ে সার্কাস খেলার মত ভীড় জমে। ঝাঁপ দেয় সাহসী পোলা মোঃ সারোয়ার হোসেন খান। অবশেষে জয়মাল্য হিসেবে নারীর অমূল্য সম্পদ- নিজের মনটাকে সারোয়ারের হাতে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তানিয়া । আহারে! বেচারা কত কষ্টই না করেছে তানিয়ার জন্য। নদীর পানিতে সর্দি-জ্বর পর্যন্ত বাঁধিয়ে ফেলেছে। মন দেয়ার আগে শরীরটা সারানোর জন্য সারোয়ারকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় তানিয়া। ডাক্তার সব বিচার করে ইনজেকশান দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সারোয়ারকে। সারোয়ারের অন্তরাত্মা কেঁপে ওঠে। কুলে এসে বুঝি তরী ডুবলো। কারণ পৃথিবীতে একটা জিনিসকেই সারোয়ার বাঘের চেয়ে বেশী ভয় পায়- ইনজেকশান। কোনমতেই সে ইনজেকশান দেবে না। মরে গেলেও না। ডাক্তার বোঝায়- বেশী ব্যাথা পাবেন না, পিঁপড়ার কামড়ের মত একটু লাগবে। কিন্তু কোন ব্যাখ্যাই শুনতে নারাজ সারোয়ার- তাঁর ভয় করে।

এদিকে লজ্জায় তো তানিয়ার মাথা হেঁট। এরকম একটা ছেলেকে সে মন দিতে বসেছিল?চলে যেতে নেয় তানিয়া। সারোয়ার অস্থির হয়ে ওঠে। কিছু একটা করতে বলে ডাক্তারকে। অবশেষে সারোয়ারের প্রেম বাঁচাতে, একটা উপায় বের করেন ডাক্তার সাহেব। দ্রুত ড্রয়ার থেকে একটা ক্যাপসুল বের করে দেয় সারোয়ারকে। এর নাম ব্র্যাভোসিন-৩০। এটা সাহসের ক্যাপসুল, খেলে ১০ মিনিটের মধ্যে মনে সাহস আসবে। সারোয়ার একটা ব্র্যাভোসিন-৩০ খেয়ে মাথা নিচু করে অপেক্ষা করে। ডাক্তার, বন্ধুবান্ধব, তানিয়া, দর্শকেরাও অপেক্ষা করে। ১০ মিনিট পরে ডাক্তার জিজ্ঞেস করে- কী? সাহস হয়েছে? সারোয়ার ধীরে ধীরে মাথা তুলে ক্রেইজি দৃষ্টিতে। পালোয়ানের মত বুকটাকে ফুলিয়ে কঠিন ভাব নিয়ে বলে- হ…, আমার কঠিন সাহস হইয়া গেছে। অহন দেহি কোন মায়ের লাল আমারে ইনজেকশান দিতে আহে, কার এতবড় সাহস? এক ঘুশিতে নাকের নলি ছুডায় ফালামু না! কমেডি মিউজিক ইন করে। সবার অট্টহাসি শোনা যায়।
আশরাফুল চন্চল এর রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন রতন রিপন। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- মীর সাব্বির, স্পর্শিয়া প্রমুখ।
নাটকটি জিটিভির ঈদ আয়োজনে ঈদের ৪র্থদিন রাত ১০টা ৩০মিনিটে প্রচার হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: