সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দুর্ধর্ষ তিন নারী জঙ্গির চিকিৎসা চলছে হাতকড়া ছাড়াই

nari-jongi-550x391নিউজ ডেস্ক : তিনজনই দুর্র্ধর্ষ নারী জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত। পুলিশি অভিযানে গ্রেফতারের সময় নিজেরা অস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা এবং পিস্তল দিয়ে পুলিশের উপর গুলি ছুড়ে মহল্লাবাসী মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিলেন। ধারালো ছুরি দিয়ে পুলিশকে রক্তাক্ত করেছে। অথচ সেই দুর্র্ধষ তিন নারী জঙ্গির চিকিৎসা হাতকড়া ছাড়াই। শুধু তাই নয় তাদের নিরাপত্তায় যথেষ্ট ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে।
নিরাপত্তায় দুর্বলতা রেখেই গত শনিবার সন্ধ্যার পর রাজধানীর আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে গ্রেফতার আহত তিন নারী জঙ্গির চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। তাদের রাখা হয়েছে কেবিনে।

কেবিনের দরজা জানালা খোলা এবং সর্বসাধারণের অবাধ যাতায়াতের মধ্যেই হাতকড়া ছাড়াই আহত এই তিন নারী জঙ্গির চিকিৎসা চলছে পুলিশের নাগের ডগায়। অন্যদিকে পুলিশ বলছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা।

বুধবার হাসপাতালে দেখা যায়, কেবিনের সামনে ৪ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন তিন নারী জঙ্গির নিরাপত্তায়, তবে তারা সতর্ক নয় সেটা যেকেউ বলবে। অপরদিকে দুর্র্ধষ তিন নারী জঙ্গি শুয়ে-বসে বা পায়চারি করে সময় কাটাচ্ছেন। তাদের হাতে হাতকড়া থাকার কথা থাকলেও পুলিশ হাতকড়া না পরানোয় যেকোনো সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

ঢামেক সূত্র জানায়, হাসপাতালে জঙ্গিদের চিকিৎসার সময় কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়ে থাকে। সেখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ জনসাধারণের, তবে ডাক্তার, নার্স ও পুলিশ প্রবেশ করতে পারে। ভেতরে ঢুকতে হলে অনুমতি লাগে। তবে তাদেরকে তল্লাশি করে পুলিশ। তবে এই তিন নারী জঙ্গির ক্ষেত্রে পুলিশে ঢিলেমি লক্ষ্য করা গেছে।
হাসপাতালের কেউ কেউ আশঙ্কা করেছেন দুর্র্ধষ জঙ্গিরা যেকোনো সময় যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলতে পারে। এবিষয়ে পুলিশকে তাদেরকে আরো নিরাপত্তা দিতে হবে।

কেবিনে চিকিৎসাধীন তিন নারী জঙ্গির নিরাপত্তায় থাকা নিউমার্কেট থানার এসআই অসিত বলেন, আমাদেরকে কারোর সঙ্গে কথা বলা নিষেধ রয়েছে, কথা বলবেন ঊর্ধ্বতনরা। এখানে ৬ থানার পুলিশ সদস্য ডিউটি পালন করছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন সাংবাদিকদেরতো এখানে প্রবেশ নিষেধ।

লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার ইব্রাহীম বলেন, তাদের নিরাপত্তায় আমাদের কোনো গাফিলতি নেই। সবোর্চ্চ নিরাপত্তায় তিন নারী জঙ্গিকে সেখানে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আজিমপুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তারা মামলার আসামি। সুস্থ হলেই তাদেরকে আদালতে পাঠানো হবে।

রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, ঢামেক হাসপাতাল যেহেতু আমাদের এলাকায় সেহেতু নিরাপত্তাজনিত কোনো দুর্বলতা থাকলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত, তিন নারী জঙ্গির মধ্যে একজনের নাম শারমিন, যিনি জঙ্গি নেতা মারজানের স্ত্রী। আরেকজন খাদিজা, যিনি নিহত জঙ্গি তানভীর কাদেরী ওরফে জামশেদের স্ত্রী। আর অন্যজন হলেন আরেক জঙ্গি নেতা রাহুলের স্ত্রী শায়লা। এদের মধ্যে শারমিন অভিযানের সময় ছুরি দিয়ে পুলিশকে আঘাত করে।

উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর রাতে আজিমপুরের লালবাগ রোডের ২০৯/৫ নম্বর বাসায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযানকালে পুলিশ তিন নারী জঙ্গি সদস্যকে গ্রেফতার হয়। সেখান থেকেই তারা ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।-আমাদের সময়.কম

পূর্ব পশ্চিম ডটকম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: