সর্বশেষ আপডেট : ৫০ মিনিট ৬ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভিয়েনায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন

viennaএম নজরুল ইসলাম, ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া) : মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় বিপুল উদ্দীপনায় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) উদযাপিত হয়েছে।

ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় ইউরোপের ঐতিহাসিক ডানিয়ব নদীর তীরে ‘ভিয়েনা ইসলামিক সেন্টার’ এ। এখানে দু‘টি জামাত সকাল ৭টা ও ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি জামাতে ৬/৭ হাজার মুসলমান অংশ নেন। মসজিদের চারদিকের খোলা মাঠে ও রাস্তায় দাঁড়িয়ে মুসল্লিদের ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়। ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাললাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে ভিয়েনা ইসলামিক সেন্টার এলাকা।

প্রবাসী বাংলাদেশী মুসলিম সম্প্রদায় কর্তৃক পরিচালিত পাঁচটি মসজিদ রয়েছে ভিয়েনায়। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসলিম সম্প্রদায় কর্তৃক পরিচালিত আলাদা আলাদা মসজিদ রয়েছে। ভিয়েনায় ১২৫টির মতো মসজিদ আছে। রাজধানী ভিয়েনার বাইরে গ্রাস, সালসবব্রুর্গ, লিনস এবং ক্লাগেনফুট শহরেও বেশ ক‘টি মসজিদ আছে।

‘ভিয়েনা ইসলামিক সেন্টার’ ছাড়া ভিয়েনায় সব মসজিদে প্রতিবারের মতো এবারও তিনটি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল আটটা, নয়টা ও দশটায় পরপর অনুষ্ঠিত জামাতে ছিল উপচেপড়া ভিঢ় ।

জামাতে প্রবাসী বিভিন্ন দেশের মুসলিম কমিউনিটির সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
অস্ট্রিয়ার সবগুলো ঈদের জামাতে মানবকল্যাণ ও বিশ্বময় শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। বাংলাদেশিদের মসজিদগুলোতে প্রতিটি জামাতে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের এবং মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী ঈদের জামাতের পর একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

অন্যান্য বছরের মতো এবারও ভিয়েনায় বসবাসকারী বাংলাদেশীদের অনেকেই কোরবানি দিয়েছেন। ভিয়েনা শহরের মধ্যে পশু জবাই করা নিষিদ্ধ থাকায় শহরের বাহিরে কসাইখানায় কোরবানি দিতে হয়। আর এইসব কসাইখানাগুলো ভিয়েনা থেকে বেশ দূরে। অনেকে ১০০ কিলোমিটার, কেউ ১৫০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে তাঁদের পছন্দের পশু কোরবানি করেছেন। কোরবানির ১/২ মাস আগে

কসাইখানায় গিয়ে পশু নির্দিষ্ট করে বুকিং দিতে হয়। কোরবানির মাংস কেটে তা গুছিয়ে দেওয়ার জন্য ঐ সময়টায় কসাইখানা কর্তৃপক্ষ মুসলমান কর্মচারী নিয়োগ দেন। যার কারণে ইসলামিক নিয়ম মতো কোরবানি করতে কোন রকম সমস্যা হয় না।
প্রসঙ্গত, অস্ট্রিয়া প্রবাসী সিংহভাগ বাংলাদেশী ভিয়েনায় বাস করেন।
রাজধানীর বাইরে অন্যান্য শহরেও ব্যাপক উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: