সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২৪ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জঙ্গি মাস্টারমাইন্ডদের রাজত্ব শেষ, বাকী মেজর জিয়া : হুমায়ুন কবীর

url-27নিউজ ডেস্ক : নব্য জেএমবি’র দায়িত্ব নেয়ার পর মেজর জিয়া খুনের নেশায় মেতে ওঠে। দেড়শ’ সদস্য নিয়ে জিয়া কমপেক্ষ ৩০ টি স্লিপারসেল গঠন করে। আত্মঘাতি সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিটি স্লিপারসেলে ৩ থেকে ৫জন পরীক্ষিত ও বাছাই করা সদস্য- যাদেরকে জিয়া নিজেই আগেয়াস্ত্র, চাপাতি ও ছুড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ দেন। স্লিপার সেলের সদস্যরা লক্ষবস্তুতে আঘাত হানার আগে ঘটনাস্থল, ব্যক্তির অবস্থান, কর্মস্থল, বাসা ও যাতায়াতের পথ রেকি করে। তারপর তারা ‘স্পটচয়েজ’ করে কোন জায়গায় ‘এ্যাটাক’ করতে হবে।

মেজর জিয়ায় পরিকল্পনায় টার্গেট কিলিং শুরু হয় মূলত ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে। ২০১৫ সালে একের পর হামলার শিকার হয় চট্টগ্রামে নার্সিং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা অঞ্জনা দেবী, ওয়াশিকুর বাবু, লেখক ‘মুক্তমনা’র প্রতিষ্ঠাতা ও অভিজিত রায়, অনন্ত বিজয় দাস, নীলয় নীল, শিক্ষক মানব চন্দ্র রায়, ইতালির নাগরিক তাবেলা, জাপানি নাগরিক হোসি কুনিও, আধ্যাত্ত্বিক নেতা খিজির খান, জাগৃতি প্রকাশক আরেফিন ফয়সাল দীপন, শুদ্ধস্বরের প্রকাশক টুটুল, বাহাই সেন্টার ডিরেক্টর রুহুল আমিন, ইসকনের প্রেসিডেন্ট বীরেন্দ্র্র নাথ ও জুলহাস মান্নান।

সূত্র জানায়, নব্য জেএমবির স্লিপারসেলের সদস্যরা ব্লগারদের নাস্তিক আখ্যা দিয়ে হত্যা করে। অধিকাংশ ঘটনার ক্ষেত্রে তারা চাপাতি ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে। প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা পেছন থেকে মাথায় আঘাত করে ‘শিকার’ কাবু করে। পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ব্লগার হত্যার ক্ষেত্রে প্রতিটি হামলার ধরন একই। এ ব্যাপারে পুলিশ সদর দফতরের উপমহাপরিদর্শক (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) হুমায়ুন কবীর বলেন, মেজর জিয়ার নেতৃত্ব নব্য আনসার আল ইসলাম স্বল্প সময়ে আলোচনায় আসার জন্য তারা পরিকল্পিতভাবে ব্লগার হত্যা করে। হত্যার পর তারা দায়ও স্বীকার করে।

তিনি বলেন, জঙ্গি মাস্টারমাইন্ডদের রাজত্ব শেষ। বাকী আছে শুধু এই মেজর জিয়া। সোর্স কাজ করছে- সেও ধরা পড়বে। পুলিশ ইতিমধ্যে তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু সে এক এলাকায় এক বাসায় না থেকে ঘনঘন স্থান পরিবর্তন করছে। ফলে বিলম্ব হচ্ছে। তবুও তার এই চোর পুলিশ খেলায় দিন ফুরিয়ে আসছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সূত্র জানায়, মেজর জিয়ারে সাথে পাকিস্তানের উগ্রপন্থী সংগঠন লস্কর-ই তৈয়বা এবং মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক এনজিওর সাথে যোগাযোগ রয়েছে বলে গোয়েন্দারা তথ্য পেয়েছে। বিদেশী ম“ ও অর্থ সহায়তাপুষ্ট মেজর জিয়া বাংলাদেশেই আত্মগোপন করে আছে বলে পুলিশ ধারনা করছে। ফলে দেশের বিভিন্নস্থানে অভিযান চালানোর পাশপাশি বিভিন্ন বিমানবন্দর ও স্থল বন্দরে জিয়ার ছবি দেয়া হয়েছে। তিনি যাতে কোনো অবস্থায়ই সীমান্তপথে দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারেন।-আমাদের সময়.কম

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: