সর্বশেষ আপডেট : ১৪ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেট প্রস্তুত পর্যটকের জন্য : ঈদের বাড়তি আনন্দ টাঙ্গুয়ার জোৎস্না উৎসব

sylet2-600x354স্টাফ রিপোর্টার : প্রতিবারই ঈদের ছুটি কাটাতে সিলেট বিভাগে থাকে পর্যটকরা ভিড়। সেই সুবাদে এরই মধ্যে সিলেটের বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্টের বুকিং শেষ। সিলেটের জাফলং, রাতারগুল, বিছনাকান্দি, চাবাগানই সব শ্রেণির পর্যটকদের প্রধান আকষর্ণ।

সিলেটের পাহাড়, টিলা, ঝর্ণার পাশাপাশি পর্যটকদের এবার ভ্রমণের তালিকায় যোগ হয়েছে টাঙ্গুয়ার হাওর। বিশেষ করে ১৬-১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় টাঙ্গুয়ায় জোৎস্না উৎসব থেকে কেউ বঞ্চিত হতে চাচ্ছে না। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ এর আয়োজন করছে। উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, এর মাধ্যমে তাহিরপুরকে মানুষ জানবে এবং টাঙ্গুয়ার প্রকৃত রূপ অবগাহন করবে। উপভোগ করবে জল ও জোৎস্নার অপূর্ব দৃশ্য।

জল জোৎস্না উৎসবের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আয়োজনে থাকছে টাঙ্গুয়ার হাওরে ৫০ টি নৌকা ও লঞ্চে পর্যটকদের নিয়ে হাওরের হিজল-করচ বাগানসহ বিভিন্ন বিল জলাশয় ঘুরে দেখা, হাওরে নৌকায় থেকে ভাসমান মঞ্চে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান উপভোগ, রাতে ভরা পূর্ণিমায় জল-জোত্সনা উপভোগ, টাঙ্গুয়ার থেকে যাদুকাটা নদী পর্যন্ত নৌপথ ভ্রমণ, সীমান্তবর্তী বারেক টিলা, টেকেরঘাট নীলাদ্রী লেক, কড়ইগড়া আদিবাসী পল্লি ও তাদের সংস্কৃতি উপভোগসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার ব্যবস্থা। ব্যতিক্রমী এ আয়োজনে হাওরের থৈ থৈ নীলাভ জলে প্রকৃতিপ্রেমীরা উপভোগ করতে পারবেন আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার সৌন্দর্য।

অক্টোবর থেকে এই হাওরে শুরু হয় পরিযায়ী পাখির সমাবেশ। স্থানীয় জাতের পানকৌড়ি, কালেম, দেশী মেটে হাঁস, বালিহাঁস, বকসহ শীত মৌসুমে আসা লক্ষাধিক পরিযায়ী পাখি এখানে যাত্রা বিরতি করে। আবার কোন কোন পরিযায়ী পাখি পুরো শীতকাল এখানেই কাটায়।

সুনামগঞ্জ জেলা সদর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলায় টাঙ্গুয়ার হাওড়ের অবস্থান। ছয়কুড়ি বিল, নয়কুড়ি কান্দার সমন্বয়ের এ হাওরের দৈর্ঘ্য ১১ এবং প্রস্থ ৭ কিলোমিটার। শীত, গ্রীস্ম ও বর্ষা একেক ঋতুতে একেক রূপ ধারণ করে এই টাঙ্গুয়া। বর্ষায় অন্যান্য হাওরের সঙ্গে মিশে এটি সাগরের রূপ ধারণ করে। শুকনো মৌসুমে ৫০-৬০ টি আলাদা বা সংযুক্ত বিলে পরিণত হয় পুরো হাওর। ১১টি বাগসহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য হিজল-করচ গাছ, নলখাগড়া, দুধিলতা, নীল শাপলা, পানিফল, শোলা, হেলেঞ্চা, বনতুলসিসহ শতাধিক প্রজাতির উদ্ভিদ দৃষ্টি কাড়ে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: