সর্বশেষ আপডেট : ১১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ২ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জঙ্গি করিম আত্মঘাতী হয়েছে: অতিরিক্ত উপকমিশনার

ad19216e92f3b7aa88d8dc933d2b1325-57d47298e7893-550x370নিউজ ডেস্ক : আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযানে যে জঙ্গির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেই জঙ্গি করিম আত্মহত্যা করেছিল বলে দাবি করেছেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন। এর আগে ধারণা করা হয়েছিল, পুলিশের অভিযানে ওই জঙ্গি নিহত হয়েছে।

ওই অভিযানে নেতৃত্বদানকারী ছানোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, পুলিশের অভিযানে মারা যায়নি করিম। যখন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা ওই বাসায় অভিযান চালায় তখন তারা সেখান থেকে জঙ্গি করিমের মরদেহ এবং দুই নারী জঙ্গিকে আহত অবস্থায় পায়। অপর নারী জঙ্গি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের গুলিতে আহত হয়। তবে জঙ্গি করিম কিভাবে আত্মহত্যা করেছে, সে সম্পর্কে তিনি কিছু উল্লেখ করেননি।

ছানোয়ার হোসেন আরও জানান, জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কর্মকা- প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ ও সন্দেহভাজনদের সন্ধানে ছিলেন তারা। তাদের ধারণা ছিল, আজিমপুরের ওই এলাকায় কোনও এক বাড়িতে জঙ্গি আস্তানা রয়েছে। কিন্তু কোন বাড়িতে সেটি রয়েছে, তখনও তারা নিশ্চিত হতে পারেননি।

ছানোয়ার জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ওই বাড়ির নিচে গিয়ে তারা বাড়িওয়ালা কোন তলায় থাকেন জানতে চাইলে কয়েকজন বলেন, দ্বিতীয়তলায়। সেই কারণেই তারা ওই বাড়ির দ্বিতীয়তলায় গিয়ে দরজার কড়া নাড়েন। এ সময় এক নারী দরজা খুললে পুলিশ সদস্যরা জানতে চান বাড়িওয়ালা কোন তলায় থাকেন। এ সময় তারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ‘দাঁড়ান’ বলে ভেতরে চলে যায়। এর কয়েক মুহূর্ত পরেই তারা হঠাৎ পুলিশ সদস্যদের চোখে-মুখে মরিচের গুঁড়া ছুড়ে মারেন এবং ছুরিকাঘাত করেন।
সে সময়ের অবস্থা বর্ণনা করে অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বলেন, মরিচের গুঁড়া চোখে-মুখে পড়ায় হতবিহ্বল হয়ে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে নিচে নামেন। এ সময় তাদের চিৎকারে অন্য পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে এলে নারী জঙ্গিরা তাদের ওপরও ছুরি নিয়ে হামলা চালায়। এ পর্যায়ে জঙ্গিরা তাদের ওপর বোমা ছুড়ে মারে।

এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ওই জঙ্গিরা আত্মঘাতী দলের সদস্য। তারা যখন পুলিশের হাতে ধরা পড়ার বিষয়ে নিশ্চিত হয় তখন তারা কাঁচ ভেঙে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। সে কারণে তারা আহত হয়েছে। ভেতরে অনেক কাঁচ ভাঙা পাওয়া গেছে।
এছাড়াও ওই বাসা থেকে ৪টি পিস্তল, ৫০ রাউন্ড গুলি, চারটি ল্যাপটপ ও প্রায় তিন লাখ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় কিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয় সেখান থেকে।

তিন নারী জঙ্গিকে আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা হলো শাহেলা, শারমিন ও জেবুন্নাহার। আর নিহত জঙ্গি করিমের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।
অভিযান চলাকালে জঙ্গিদের হামলায় আহত হয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের পাঁচ সদস্য। তারাও ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।-আমাদের সময়.কম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: