সর্বশেষ আপডেট : ১৪ মিনিট ২৮ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় ঠিকাদারের গাফিলতিতে ফেরত গেল পোনা মাছের টাকা

sswwwwwwwwwবড়লেখা সংবাদদাতা ::
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ঠিকাদারের গাফিলতিতে মাছের পোনার বরাদ্দমূল্যের প্রায় দেড় লাখ টাকা ফেরত চলে গেছে। এছাড়া কম পরিমাণে পোনা ছাড়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা মৎস্য কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৎস্য অধিদপ্তরের উন্নয়ন বাজেটের আওতায় দুই লাখ টাকা মূল্যের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের ৬৬৭ কেজি পোনা সরবরাহ করতে গত ২৮ আগস্ট দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে ৩৫টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। ২৯ আগস্ট লটারির মাধ্যমে আপ্তার আলী মৎস্য খামার এ কাজ পায়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হাকালুকি হাওরের বাঘেরকোনা এলাকায় পোনা অবমুক্ত করা হয়। জাতীয় সংসদের হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ মো. শাহাব উদ্দিন এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাত্র ১৩৩.১০ কেজি পোনা সরবরাহ করে। বাকি ৫৩৩.৯০ কেজি পোনা সরবরাহ করেনি। কম পোনা সরবরাহের বিষয়টি প্রত্যক্ষদর্শীরা টের পেয়ে বিষয়টি বিভিন্ন মহলে ফাঁস করায় মৎস্য অফিসার ও ঠিকাদারের লোকজন বেকায়দায় পড়ে যান।

এতে উপস্থিত সিলেট বিভাগীয় মৎস্য অফিসের উপপরিচালক মোশারফ হোসেন অবশিষ্ট ৫৩৩.৯০ কেজি পোনার মূল্যের বরাদ্ধ ১ লাখ ৬০ হাজার ৭০ টাকা ফেরত প্রদানের সুপারিশ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগ করেন, মৎস্য বিভাগ ১৩৩.১০ কেজি দাবি করলেও বাস্তবে ২০ কেজি পোনা ছাড়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে ঠিকাদার আপ্তার আলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ছাত্রলীগ নেতা জুনেদ ভাইয়ের সাথে শেয়ারে টেন্ডার পেয়েছি। পোনামাছ অবমুক্তের বিষয় সে দেখভাল করেছে। পোনা পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় সমস্যার সৃষ্টি হয়। জুনেদ ও মৎস্য কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি।

জুনেদ আহমদ জানান, আপ্তার আলীর নামে আমি টেন্ডার পেয়েছি। শহর থেকে হাকালুকি হাওরের বাঘেরকোনা পর্যন্ত রাস্তার অধিকাংশ কাঁচা। উদ্বোধনের জন্য প্রথমে প্রায় ১৫০ কেজি পোনা পাঠাই। অন্যগুলো গাড়িতে যাবার পথে কাঁচা রাস্তায় গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। আমি কর্মকর্তাদের অনেক অনুরোধ করেছি ২ ঘন্টা সময় দেয়ার জন্য। কিন্তু কেউ আমার কথা শুনেনি। এতে আমার প্রায় ৫১৭ কেজি পোনা নষ্ট হচ্ছে। আমি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
তবে উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা আবু ইউসুফ টাকা ফেরতের সত্যতা স্বীকার করে বলেন ‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকা ভূক্ত করা হয়েছে। কম পোনা ছাড়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।’

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: