সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তামিম চৌধুরীর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়ে কানাডার চিঠি

1c1de729f3a2037368537f819725cbfd-579d8b76482ea-550x388নিউজ ডেস্ক : জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিহত শুলশান ও শোলাকিয়ার মূল হোতা তামিম চৌধুরী কানাডার নাগরিক কি না, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে সরকারের কাছে তথ্য চেয়েছে কানাডীয় হাইকমিশন। এমনকি তামিমের মরদেহের কী হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানতে চেয়েছেন তারা।
ঢাকাস্থ কানাডীয় হাইকমিশন থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এসব তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে বলে জানা যায় বিভিন্ন সূত্রে।
সূত্র জানায়, চিঠিতে বলা হয়, গণমাধ্যমে খবরে থেকে হাইকমিশন জানতে পেরেছে যে তামিম চৌধুরী নামে একজন কানাডার নগরিক পুলিশের অভিযানে নিহত হয়েছেন। সে কারণে হাইকমিশনকে তামিমের পুরো পরিচয় নিশ্চিত করতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় জানতে চাইলে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তামিমের বিষয়ে আমরা কী তথ্য নিশ্চিত করব? কানাডিয়ান গোয়েন্দা সংস্থাই তো আমাদের তামিমের বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
যেহেতু তামিম কানাডার নাগরিক, তার লাশ ওই দেশে পাঠানো হবে কি না, সাংবাদিকে এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তামিমের স্বজনেরা যদি কানাডায় লাশ নিতে চান, নিতে পারবেন। কেউ যদি মরদেহ দাবি না করে, তবে নিয়ম অনুযায়ী যা করার তাই করা হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানা যায়, তামিম চৌধুরী নিহত হওয়ার আগেও বেশ কয়েক দফা কানাডার সরকার তামিমের বিষয়ে তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মাধ্যমে জানা যায়, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তামিম চৌধুরীর বিষয়ে আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তার বেশির ভাগই গোয়েন্দা সংস্থাগুলো থেকে পাওয়া। কানাডা এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি আরও বলেন, তামিম নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি ও এর সমর্থনপুষ্ট অন্যান্য সংগঠনের নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের অর্থ, অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শের মাধ্যমে সহায়তা ও প্ররোচনা দিয়েছেন। তাঁর বাবার নাম শফিক আহমেদ চৌধুরী। পৈতৃক বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার বড়গ্রাম ফাদিমাপুরে। ১৯৮৬ সালে তামিমের জন্ম হয়।
সিলেটে থাকা তামিমের আত্মীয়র মাধ্যমে জানা যায়, তামিম তৃতীয় শ্রেণি বাংলাদেশে পড়েছেন। এরপর মা-বাবার সঙ্গে কানাডায় চলে যান। সেখানেই বড় হন। তাঁর মা-বাবাসহ পরিবারের সবাই কানাডায় বসবাস করেন।
এদিকে পুলিশ বলছে, তামিম চৌধুরী ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর বাংলাদেশে আসেন। তার পরে গত ১ জুলাই ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা করে। যে ঘটনায় পর গত ২৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় এক জঙ্গি আস্থানায় পুলিশের অভিযানে দুই সহযোগীসহ নিহত হন তামিম চৌধুরী।
এদিকে, নারায়ণগঞ্জে অভিযানের দিন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক গণমাধ্যমকে তামি সম্পর্কে বলেন, তামিম চৌধুরী সিরিয়ায় প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন। তামিম গুলশান হামলা ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী।
তথ্য সূত্র: প্রথম আলো

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: