সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আজ জুমা শেষে মিনা গমন করবেন হজযাত্রীরা

full_893411744_1473397087নিউজ ডেস্ক: হজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। হজ একমাত্র আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির জন্য মানুষ পালন করে থাকেন। সন্তুষ্টি অর্জনের এ ব্যাকুলতাই হচ্ছে- হজের প্রাণ। প্রদর্শনের ইচ্ছা যে কোনো ইবাদতের মেজাজ ও চেতার সম্পূর্ণ বিপরীত। ইবাদত প্রদর্শনের আগ্রহকে হাদিসে ‘রিয়া’ নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

আজ পবিত্র জুমা। হজের আগে এটিই শেষ জুমা। সারা বিশ্ব থেকে আসা লাখ লাখ হজযাত্রী আজ পবিত্র মসজিদুল হারামে (কাবা শরিফ) জুমার নামাজ আদায় করার পর পবিত্র হজ পালন করতে র উদ্দেশে রওনা হবেন।

মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দূরে মিনা। মিনায় কেউ যাবেন গাড়িতে, কেউবা হেঁটে। হজের অংশ হিসেবে হজযাত্রীরা ৭ থেকে ১২ জিলহজ—এই কয় দিন মিনা, আরাফাত, মুজদালিফায় অবস্থান করবেন। ৮ জিলহজ মিনায় সারাদিন থাকবেন।

৯ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন। আরাফাত থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে মুজদালিফায় গিয়ে রাতযাপন ও পাথর সংগ্রহ করবেন হাজিরা। ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় ফিরবেন।

মিনায় এসে বড় শয়তানকে পাথর মেরে, কোরবানি করে ও মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে মক্কায় কাবা শরিফ তাওয়াফ করবেন। তাওয়াফ, সাঈ শেষে মিনায় ফিরে ১১ ও ১২ জিলহজ অবস্থান করবেন ও প্রতিদিন তিনটি শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন।

সৌদি আরবে বিমানবন্দরে নামার পর থেকে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে হাজিদের মক্কা-মদিনায় পৌঁছানো, মক্কা-মদিনায় আবাস, মিনা, মুজদালিফা, আরাফাতে থাকা-খাওয়া, যাতায়াতসহ সবকিছুর ব্যবস্থা যারা করেন, তাদের বলা হয় মোয়াল্লেম। সৌদি আরবের নাগরিকেরাই হতে পারেন মোয়াল্লেম। প্রত্যেক মোয়াল্লেমের নির্দিষ্ট নম্বর আছে।

প্রত্যেক হজযাত্রীকে নিজ নিজ মোয়াল্লেম কার্যালয় থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কখন মিনার উদ্দেশে রওনা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেওয়া হয় মিনার তাবু নম্বরসংবলিত কার্ড। ওই কার্ড সব সময় গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হয়। একইভাবে মিনা, মুজদালিফা, আরাফাতে কীভাবে কখন রওনা হবেন, তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয় আগেভাগে।

আমাদের মোয়াল্লেম আজ (শুক্রবার) এশার নামাজ পড়ে মিনার উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে জানিয়েছেন। পাঁচ দিন পর আবার বাসায় ফিরব বলে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিতে হবে। মক্কার নিজ বাসাতেই অজু-গোসল সেরে সেলাইবিহীন দুই টুকরা কাপড় পরে হজের নিয়ত করতে হবে। ইহরামের কাপড় (আড়াই হাত বহরের আড়াই গজ কাপড় আর গায়ের চাদরের জন্য একই বহরের তিন গজ কাপড়) এক সেট পরে নিতে হবে, অতিরিক্ত আরেক সেট থাকবে ব্যাগে।

এছাড়া এক সেট সাধারণ পোশাক (শার্ট-প্যান্ট অথবা পাঞ্জাবি-পায়জামা), পেস্ট, ব্রাশ, সাবান, চার্জারসহ মুঠোফোন, মুজদালিফায় রাতে ঘুমানোর জন্য হালকা বিছানাসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ছোট ব্যাগে নিলে ভালো হয়। কারণ, নিজের ব্যাগ নিজেকেই বহন করতে হবে।

মিনায় (জামারাত) শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের সময় যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সৌদি হজ কর্তৃপক্ষ (মোয়াচ্ছাসা) হাজিদের ভাগ ভাগ করে জামারাতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে।

কয়েক বছর হলো হাজিদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য আরাফাত থেকে মিনা পর্যন্ত মনোরেল সেবা চালু হয়েছে। প্রায় ১৮ কিলোমিটার এ পথে রয়েছে নয়টি স্টেশন (আরাফাতে তিনটি, মুজদালিফায় তিনটি এবং মিনায় তিনটি)। মিনায় যাদের তাবু রেলস্টেশনের কাছাকাছি পড়েছে, তারা চাইলে রেলের টিকিট কিনতে পারেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: