সর্বশেষ আপডেট : ৫৯ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চা পাতা আমদানিতে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

syl_0কুলাউড়া অফিস:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটির তদন্তে দেশের নামকরা ১৬ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক চা পাতা (ব্ল্যাক টি) আমদানিতে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি ধরা পড়েছে। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশও করেছে তদন্ত কমিটি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন চা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অবমূল্যায়নের মাধ্যমে চা আমদানিতে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছে। তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে ১৬ প্রতিষ্ঠানের মোট ৪৬৮টি বিল অব অ্যান্টির মাধ্যমে চা আমদানিকারকরা ৮৩ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার ৭০২ টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উঠে এসেছে।

যেসব প্রতিষ্ঠান চা আমদানির মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়েছে সেগুলো হলো-মেসার্স আবুল খায়ের কনজিউমার প্রোডাক্ট লিমিটেড ৪৪ কোটি ২ লাখ ৮২ হাজার ২১৩ টাকা, এম.এম ইস্পাহানি লিমিটেড টি ব্লাং ২০ কোটি ৩৯ লাখ ৪ হাজার ২৩২ টাকা, এম.এম ইস্পাহানী লিমিটেড টি ব্লেন্ডিং ১৩ কোটি ৭০ লাখ ৪০ হাজার ৫৯১ টাকা, এস এ কনজিউমার প্রোডাক্টস লিমিটেড ৬৫ লাখ ২৫ হাজার ৩৪৮ টাকা, ভাই ভাই ফল ভান্ডার ৩১ লাখ ২০ হাজার ৬৩৬ টাকা, কপোতাক্ষ টি হাউজ ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬০ টাকা, নিউ স্টার টি হাউজ ২০ লাখ ৬২ হাজার ২০৮ টাকা, ইস্পাহানি টি লিমিটেড টি ফ্যাক্টরি ২০ লাখ ৮৩ হাজার ৪৯৪ টাকা, রাতুল এন্টারপ্রাইজ ১৭ লাখ ২ হাজার ১৪১ টাকা, কুরবান এন্টারপ্রাইজ ১৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫০৭ টাকা, চৈতালী ট্রেডিং ৮ লাখ ৯৩ হাজার ২৬২ টাকা, রাজমনি এন্টারপ্রাইজ ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৮ টাকা, ফাতেমা ইমপেক্স ২ লাখ ৬২ হাজার ৫৫১ টাকা, টেটলি এসিআই (বাংলাদেশ) লিমিটেড ১ লাখ ৫১ হাজার ১৪৪ টাকা, ডেনিশ ফুডস লিমিটেড ২ কোটি ৯০ লাখ ৩ হাজার ২৬৫ টাকা, শাওন চা কোম্পানি ৬০ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬৪ টাকা।

২০১৩ সালের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের গত ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চা আমাদানির বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত অনুসন্ধান করে এ পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার ঘটনা তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উপরোক্ত সময়ে উল্লেখিত আমদানিকারক প্রতিষ্টানগুলো আমদানিকৃত চা শুল্কায়নের সময় রফতানিকৃত দেশের স্বীকৃত নিলাম মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে শুল্কায়ন করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে।

এদিকে, রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার বিষয়টি তদন্তে উঠে আসার পর শুল্ক মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিশনারেট থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

এ সম্পর্কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ নজিবুর রহমান বলেন, যারা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে তারা দেশের শত্র“। এনবিআর তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছে। কর ফাঁকি দিয়ে যারা ধরা পড়বে তাদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। যাতে ভবিষ্যতে কর ফাঁকির ইচ্ছে না করে। অন্যদিকে, এ বিষয়ে অভিযুক্ত একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: