সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দেড়লাখ টাকা ফিরে পেলেন কুলাউড়ার প্রবাসী মিজানুর রহমান

152563_1ডেইলি সিলেট ডেস্ক:: বাংলাদেশের পুলিশ বিভাগেও যে নিঃস্বার্থে সেবামূলক কাজ করার মতো অফিসার রয়েছে তার উদাহরণ সৃষ্টি করলেন ঝালকাঠি পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা ও এএসপি সার্কেল এমএম মাহমুদ হাসান।

সদর উপজেলার নবগ্রামের এক প্রতারক ওমানের ভিসা দেয়ার কথা বলে মৌলভীবাজার জেলার মিজানুর রহমানের কাছ থেকে দেড়লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণা করে।

এক সপ্তাহ পূর্বে অসহায় মিজানুর রহমান ‘এএসপি সার্কেল ঝালকাঠি’ নামে ফেসবুক পাতায় অভিযোগ দিয়ে মধ্যে আত্মসাৎকৃত অর্থ আদায় করে দেয়ার আবেদন করেন।
বুধবার বেলা ১২টায় ঝালকাঠি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এএসপি সার্কেল এমএম মাহমুদ হাসানের উপস্থিতিতে পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহার হাতে প্রতারক আজিম হাওলাদারের স্ত্রী কলি বেগম সমুদয় অর্থ হস্তান্তর করেন।

এএসপি সার্কেল এমএম মাহমুদ হাসান জানায়, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নের চান্দ গ্রামের তৈমুছ আলীর পুত্র প্রবাসী মিজানুর রহমান ওমান থাকা অবস্থায় বৈধ ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে সেখানে অবৈধ ভাবে অবস্থান করে।

এসময় সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের সোলাখিরা গ্রামের রাজ্জাক আলী হাওলাদারের পুত্র ওমান প্রবাসী আজমির হাওলাদার একটি বৈধ ভিসা দেয়ার প্রস্তাব দেয়। বিনিময়ে বাংলাদেশী টাকার দেড় লাখ টাকা দাবী করে।

অবৈধ ভাবে মিজানুর তার দূরাবস্থার কথা পিতা তৈমুছ আলীর কাছে জানালে সে জমি বিক্রি করে ১০ জুলাই বিকাশের মাধ্যমে ৩০ হাজার ও ২১ জুলাই ২০১৬ তারিখ পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে একলাখ বিশ হাজার টাকাসহ মোট দেড়লাখ টাকা প্রদান করেন।

টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে আজমির হাওলাদার ২/১ দিনের মধ্যে মিজানুরকে ভিসা দেয়ার আশ্বাস দিয়ে গোপনে ওমান থেকে বাংলাদেশে চলে আসলে সে চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে হাবুডুবু খেতে থাকে।

এঅবস্থায় সে ফেসবুক ব্যবহারের কল্যানে ঝালকাঠি পুলিশ বিভাগের শীর্ষ দুই কর্মকর্তার প্রশংসনীয় ভূমিকার বিষয়টি জানতে পেরে প্রতারণার টাকা ফেরৎ পাওয়ার আশায় ‘এএসপি সার্কেল ঝালকাঠি’ নামে ফেসবুক পাতায় তার প্রতারিত হওয়ার বিষয় তুলে ধরেন।

এক সপ্তাহ পূর্বে একই পাতায় লেনদেনের ডকুমেন্টসহ আইনী সহায়তা পাওয়ার আবেদন জানায়। এএসপি সার্কেল এমএম মাহমুদ হাসান তার আবেদনে সারা দিয়ে বিষয়টি পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহার কাছে জানান এবং তার দিকনির্দেশনায় নিবির তদন্ত শুরু করে অল্প সময়ের মধ্যে প্রতারক আজমির হাওলাদার ঠিকানাসহ পরিবারের পরিচয় উদঘাটন করে হাতিয়ে নেয়া টাকা অবিলম্বে ফেরৎ দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

এ পর্যায়ে সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের সোলাখিরা গ্রামের প্রতারক আজমির হাওলাদারের স্ত্রী কলি বেগম সমুদয় টাকা নিয়ে বুধবার বেলা ১২টায় ঝালকাঠি পুলিশ সুপার কার্যালয় উপস্থিত হন।

পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা ও এএসপি সার্কেল এমএম মাহমুদ হাসান ফিরিয়ে দেয়া টাকা গ্রহণ করে পূবালী ব্যাংক শামসের নগর শাখায় মিজানুরের পিতা তৈমুছ আলীর ১২৮৪১০১১৪৭০৮১ নং একাউন্টে প্রেরনের উদ্দোগ নেয়া হবে বলে জানান।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: