সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জঙ্গিনেতা চাকরিচ্যূত মেজর জিয়াকে নিয়ে মৌলভীবাজারে সমালোচনার ঝড়

17235নিজস্ব প্রতিবেদক :: মৌলভীবাজারের কুসন্তান মেজর সৈয়দ জিয়াউল হককে নিয়ে জেলাজুড়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি এণ্ড রেস্টুরেন্টে এবং কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলায় বিদেশিসহ হতাহতের ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর এই কুখ্যাত মেজর জিয়ার নাম উঠে আসে। জঙ্গিবাদে তার নাম জড়িয়ে পড়ার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার পর মূলত মেজর জিয়াকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সূত্রপাত হয় জনমনে। বিশেষ করে গত ২৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় নব্য জেমবি’র প্রধান সিলেটের বিয়ানীবাজারের বাসিন্দা কানাডা প্রবাসী তামিত চৌধুরী ২ সহযোগিসহ নিহত হওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তামিম চ্যাপ্টার শেষ এখন জিয়ার পালা-এমন মন্তব্যের পর কুখ্যাত জিয়াকে ঘৃণার চোখে দেখছেন মৌলভীবাজারের সর্বস্তরের শান্তিপ্রিয় মানুষ।
মৌলভীবাজারে বেড়ে উঠা মেজর জিয়া তার বাল্যকাল ও তাকে কেন্দ্র করে চলমান ঘটনা নিয়ে সর্বত্র চলছে বিশ্লেষণ। অনেকেই হিসাব মিলাতে পারছেন না, জিয়ার বাল্যকাল ও পড়াশুনাকালীন জীবন চালনার সাথে সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত কর্মকাণ্ডের। ফলে আত্মীয়-স্বজন, পাড়া- প্রতিবেশিদের মধ্যে বিব্রতকর অবস্থা ও হতাশা বিরাজ করছে।
সরেজমিন তার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে জানা গেছে, জামায়াত ঘরানার পরিবারের সন্তান মেজর জিয়ার বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর গ্রামে। বিতর্কিত চাকরিচ্যুত এই মেজর জিয়াউল হকের পৈত্রিক বাড়ি হলেও তারা স্বপরিবারে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার বারিধারায় অবস্থান করেন। তার পিতার নাম সৈয়দ জিল্লুল হক। তিনি ৭০’ এর দশকে চাকুরি নিয়ে সৌদি আরবে যান।
আলোচিত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক ব্যতীত দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে সৌদি আরব অবস্থান করতেন তার পিতা সৈয়দ জিল্লুল হক। তখন ছুটিতে মাঝে-মধ্যে জিয়াও মা-বাবা আর বোনদের সাথে দেখা করতে সৌদি আরব বেড়াতে যেতেন। তিনি একটানা বেশী সময় সেখানে অবস্থান করতেন না।
মেজর জিয়া দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার বড়ো। তার ছোটো এক বোন সৈয়দা জেরিনের বিয়ে হয়েছে। তার স্বামী ইমতিয়াজ চৌধুরী ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আছেন। অপর বোন সৈয়দা তারিন ঢাকার মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শ্রেণীতে পড়াশুনা করেছেন। জিয়ার পিতা সৌদি আরব থেকে ১৯৯৯ সালে দেশে ফিরে ঢাকায় গার্মেন্টস ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে ওই ব্যবসা গুটিয়ে ঢাকায়ই ছোটোখাটো ব্যবসা করেন। মেজর জিয়ার তিন চাচা রয়েছেন। তারা স্বপরিবারে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন।
মেজর জিয়ার বাল্যকাল : ছোটোকাল থেকেই মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক ধর্ম-কর্মের প্রতি খুব আগ্রহী ছিলেন। প্রথমদিকে স্ত্রী মারা যাওয়ার পর মেজর জিয়া দাঁড়ি রাখেন।
স্থায়ী জন্মস্থলের অবস্থান : মৌলভীবাজার শহরতলীর মোস্তফাপুর গ্রামের বাড়িতে পূর্ব পশ্চিমে দু’টি পুরাতন পাকা ঘর রয়েছে। দু’টি ঘর তালাবদ্ধ। বাড়িতে কেউ বসবাস করেন না। পরিবার-পরিজন ঢাকায় থাকেন। মাঝে-মধ্যে মেজর জিয়ার পিতা জিল্লুল হক বাড়িতে আসলে ২/১ দিনের বেশী থাকা হতো না। তারা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রচুর বিত্ত-বৈভবের মালিক।
শিক্ষাজীবন : মৌলভীবাজার শহরের দি ফ্লাওয়ার্স কেজি স্কুলে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করে উত্তরার হলিচাইল্ড স্কুলে কিছুদিন পড়াশুনা করেন জিয়া। এরপর সিলেট ক্যাডেট কলেজ থেকে ১৯৯৫ সালে বোর্ডে স্ট্যান্ড করে এসএসসি পাশ করেন। একই প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৯৭ সালে স্টার মার্কসসহ প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। পরবর্তীতে বিএমএ লং কোর্সে সুযোগ পেয়ে যান। ১৯৯৯ সালে তিনি সেকেণ্ড ল্যাফটেনেন্ট পদে সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ২০১০ সালে আওয়ামীলীগ সরকারের সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে কোর্স সমাপণীতে মেজর জিয়াকে সম্মানসূচক সোর্ড অব অনার দেওয়া হয়।
বৈবাহিক জীবন : তিনি প্রথমে বিয়ে করেন তার মামাতো বোন বিচারপতি ময়নুল হকের মেয়ে লিপিকে। বোন-ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০০৭ সালের দিকে মারা গেলে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন পটুয়াখালীতে। প্রথম স্ত্রীর ঘরে এক সন্তানসহ তিনি তিন সন্তানের জনক। জিয়ার প্রতিবেশী সৈয়দ ইরমানুল হক জানান, জিয়া আমার বছর/দুয়েকের ছোটো হবে। সে এবং আমি পাঠশালা জীবনে কিছুদিন একই স্কুলে পড়ালেখা করেছি। তার স্বভাব-চরিত্র ছোটোকাল থেকেই ভালো ছিলো। কয়েক বছর ধরে তার সাথে দেখা-স্বাক্ষাত নেই। মিডিয়ার মাধ্যমে যা জেনেছি, এই অবস্থার প্রেক্ষিতে তার উচিত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আওতায় এসে আইন ও রাষ্ট্রের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা। বিতর্কিত মেজর জিয়ার পিতা সৈয়দ জিল্লুল হকের মুঠোফোন ০১৭১১৩০৩৫৫০ এই নম্বরে কয়েক দফা ফোনে যোগাযোগ করা হয়। মোবাইলটি সচল পাওয়া গেলেও অপরপ্রান্তে কেউ ফোন রিসিভ করেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছিুক এলাকাবাসী জানান, জিয়া ধর্মপরায়ণ ছিলো। তিনি মসজিদে গেলে মুসল্লিদের ধর্ম বিষয়ে বিভিন্ন বয়ান দিতেন। তবে কোনো ইসলামী সংগঠন কিংবা রাজনৈতিক দলের সাথে তার সম্পৃক্ততা তখন ছিলো বলে মনে হয়নি। আরও জানান, দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে সবার আইন মানা উচিত। এই হিসেবে মেজর জিয়াও আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তাই তার উচিত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার সাভারে স্ত্রীর বড়ো বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন।ওইদিন  রাত ১০টার দিকে জিয়ার অফিস থেকে ফোন আসে দ্রুত অফিসে যাওয়ার জন্য। তিনি রাত সাড়ে ১০টার দিকে অফিসের দিকে চলে যান। এর ১০-১৫ মিনিট পরে জিয়াকে মোবাইল ফোন করলে তিনি জানান, অফিসের দিকে যাচ্ছেন। এরপর থেকে তার সাথে আর কোনো যোগাযোগ নেই পরিবারের সাথে। এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল ছুটিতে থাকায় এ বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
মেজর জিয়া, অভ্যুত্থান চেষ্টা থেকে জঙ্গিনেতা : একসময় সেনাবাহিনীর চৌকস কর্মকর্তা ছিলেন তিনি। তরতর করে ওপরে ওঠার সুযোগও ছিলো তাঁর। ২০১১ সালে সেনাবাহিনীতে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের চেষ্টায় পা বাড়ান তিনি। এরপর ব্যর্থ অভ্যুত্থান চেষ্টার খলনায়ক হিসেবে পরিচিতি পান দেশব্যাপী। আইন-শৃঙ্ক্ষলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সেনাবাহিনীতে থাকাবস্থাতেই জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন জিয়া। ২০১১ সালে কয়েকজন সহকর্মী নিয়ে অভ্যুত্থানের চেষ্টা করেন তিনি। ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর এই ব্যর্থ অভ্যুত্থানের চেষ্টা করা হয়। ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা জিয়ার অভ্যুত্থান চেষ্টা ভেস্তে দেন। এ ঘটনায় তাকে বহিষ্কার করা হয় সেনাবাহিনী থেকে। এরপর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন তিনি। আত্মগোপনে থেকেই জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান জিয়া, দায়িত্ব নেন নিষিদ্ধ ঘোষিত আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের সামারিক শাখার। তাঁর পরিকল্পনায় একাধিক ব্লগার, লেখক, ভিন্ন মতাবলম্বী ও ধর্মাবলম্বী খুন হন। পলাতক এই ব্যক্তিই মেজর (বরখাস্ত) সৈয়দ জিয়াউল হক। তাঁকে ধরিয়ে দিতে পারলে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণাও করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। গত ২ আগস্ট এই ঘোষণা দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পলাতক থেকেই সৈয়দ জিয়াউল হক এসব হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্ব দেন। তাঁকে ধরার জন্য বিভিন্ন সময়ে অভিযানও চালানো হয়। কিন্তু আত্মগোপনে থেকে আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের (এবিটি) আধ্যাত্মিক নেতা শাইখ জসিম উদ্দিন রাহমানীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। ধীরে ধীরে জিয়া আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের শীর্ষপর্যায়ের একজন নেতা হয়ে ওঠেন। সামরিক শাখার দায়িত্ব নেন তিনি। এরপর থেকেই ধারাবাহিকভাবে আনসারুল্লাহ বাংলাটিম কিলিং মিশন শুরু করে। গত বছর ঢাকার একাধিক ব্লগার ও লেখক হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের সঙ্গে জিয়ার সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা জানতে পারেন। আইন-শৃঙ্ক্ষলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, জিয়া আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের সামরিক শাখার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত বছরেই সবচেয়ে বেশি ব্লগার হত্যা ও হামলার ঘটনা ঘটে। এসব হামলা এতো বেশি নিখুঁতভাবে করা হয়েছে যে, ঘাতকদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করাও কঠিন হয়ে পড়ে। এরপর ২০১২ সালের জানুয়ারিতে সেনাসদর থেকে এই ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। সে সময় জিয়ার ছুটি ও বদলি আদেশ বাতিল করে তাকে শিগগিরই ঢাকার লগ এরিয়া সদর দপ্তরে যোগ দিতে বলা হয়। বিষয়টি টেলিফোনে ওই বছরের ২৩ ডিসেম্বর তাকে জানানো হলেও তিনি পলাতক থাকেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জিয়াউল হক ছিলেন সেনাবাহিনীর একজন চৌকস অফিসার। কমান্ডো ট্রেনিং রয়েছে তাঁর। তথ্য-প্রযুক্তিতেও দক্ষ তিনি। এ কারণে আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া তরুণদের তিনি নিখুঁতভাবে প্রশিক্ষণ দিতেন। কিলিং মিশনের পরিকল্পনাও করে দিতেন তিনি।কীভাবে আইন-শৃঙ্ক্ষলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দেওয়া যায়, তা জিয়ার ভালোভাবেই জানা। এ কারণে গত বছরে আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের ঘটানো অনেক হত্যা রহস্য উদঘাটন করতে বেগ পেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের।
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটি) সূত্র জানায়, গত ২১ জুন ব্লগার ও প্রকাশক আহমেদুর রশীদ চৌধুরী টুটুল হত্যা চেষ্টার মামলায় সুমন হোসেন পাটোয়ারী নামের এক আনসারুল্লাহ সদস্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ওই জবানবন্দিতে সুমন জানায়, উত্তরায় আমাদের আস্তানায় এক ‘বড়োভাই’ নিয়মিত আসতেন। ওই ‘বড়োভাই’ আমাদের সবার নেতা। ‘বড়োভাই’ আমাদের বলতেন, আল্লাহ’র জন্য কাজ করতে হবে এবং নাস্তিকদের কতল করতে হবে। তিনি আমাদের বলেছেন, তিনি সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন এবং জিহাদের জন্য চাকরি ছেড়ে চলে এসেছেন। আমাদের এই নেতা তথা বড়োভাইয়ের নাম ইশতিয়াক বলে শুনেছি।
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা জানান, এই ইশতিয়াকই আসলে মেজর জিয়া। ইশতিয়াক তার সাংগঠনিক নাম। তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে থাকার সময় বিভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করেন। জিয়া সম্পর্কে আইন-শৃঙ্ক্ষলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, মেজর জিয়া একসময় বারিধারাস্থ ডিওএইচএস এলাকার ৯নং সড়কের ৫১২ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলায় থাকতেন। তাঁর বাবার নাম সৈয়দ জিল্লুল হক। জিয়ার সর্বশেষ ঠিকানা-পলাশ, ১২তলা, মিরপুর সেনানিবাস উল্লেখ ছিলো। তাঁর পাসপোর্ট নম্বর-এক্স-০৬১৪৯২৩।
ব্যর্থ অভ্যুত্থান চেষ্টার পর পরই জিয়া বারিধারার বাসা থেকে পালিয়ে যান। এরপর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও ভাটারা এলাকায় আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। এদিকে রাজধানী গুলশান-শোলাকিয়াসহ সম্প্রতি সংঘটিত বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের অন্যতম পলাতক মেজর জিয়াকে ধরিয়ে দিলে বা অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিলে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছে পুলিশ।
জিয়ার বাবার বর্তমান ঠিকানা : বাড়ি নম্বর-৫১২ (৩য় তলা), রোড নম্বর-০৯, বারিধারা, ডিওএইচএস, ঢাকা। ২০১২ সালে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টায় চাকরি হারান মেজর জিয়া। এই ঘটনার পেছনে নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুত তাহরিরের সংশ্লিষ্টতা আছে বলে ধারণা করা হয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, চাকরি হারানোর পর থেকেই তিনি এবিটি’র সামরিক কমাণ্ডারের দায়িত্ব নেন। সামরিক প্রশিক্ষণ দেন দু’শতাধিক সদস্যকে। পরবর্তীতে এই প্রশিক্ষিত সদস্যদের মাধ্যমে লেখক-প্রকাশক, ব্লগার ও অন্য ধর্মাবলম্বীদের হত্যার টার্গেট সেট করে কিলিং মিশন পরিচালনা করেন-এমন তথ্যও রয়েছে গোয়েন্দাদের কাছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: