সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৩২ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জে অস্থায়ী পশুর হাট বসানো নিয়ে ইজারাদার ও উপজেলা প্রশাসন মুখোমুখি

235142sunamgang_kalerkantho_picসুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও,বালাকান্দা বাজার,লালপুর গ্রামসহ ৪টি পৃথক স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসানো নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও ইজারাদারদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানা যায়, অতীতে কখনও কোন উদ্যোগ না নিলেও এইবার প্রথমবারের মতো সদর উপজেলার ৪টি পৃথক স্থানে ৪ দিনের জন্য অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উদ্যোগী ইজারাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

কিন্তু এ প্রক্রিয়াটিকে সম্পূর্ণ বেআইনী,উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও সরকারের স্বার্থের পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছেন বিভিন্ন বাজারে সরকার নির্ধারিত স্থানীয় ইজারাদারগণ। তারা বলেন অহেতুক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও চাঁদাবাজীর অসদুদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী সিন্ডিকেট উপজেলা প্রশাসনকে ব্যাবহার করে অস্থায়ী পশুর হাট বসাতে উঠেপড়ে লেগেছে। এ চক্রটির মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে সরকারের নির্ধারিত ইজারাদারদের ক্ষতিসাধন। জানতে চাইলে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাইজার মোঃ ফারাবী বলেন, কোরবানীর পশু ক্রয় সহজ থেকে সহজতর ও সরকারের রাজস্বের স্বার্থে আমরা মাত্র ৪ দিনের জন্য উপজেলার ৪ টি পৃথক স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নিয়েছি। জেলা প্রশাসন থেকে পশুর হাট বসানোর অনুমোদন অনুমতিও ইতিমধ্যে নেয়া হয়েছে। আগ্রহী উদ্যোক্তা বা অস্থায়ী ইজারাদার পেলে সরকারের রাজস্ব ও স্থানীয় সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে আমরা সকলের স্বার্থে এই কাজটি করবো।

ইজরাদারদের পক্ষে জেলা আওয়ামীলীগ নেতা বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী জসিম উদ্দিন দিলীপ বলেন, আমাদের ইজারাদাররা সর্বোচ্চ ৩০ লক্ষ টাকায় দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসন,সুনামগঞ্জ পৌরসভা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে পৌরসভার হাট,আমবাড়ি বাজার ও টুকেরঘাট বাজার ইজারা নিয়েছেন। প্রতিবছরই ইজারামূল্য বাড়িয়ে বৈধভাবে হাটবাজার ইজারা নেয়া হচ্ছে। সারা বছরের মধ্যে কোরবানীর ঈদের পশুর হাটই হচ্ছে ইজারাদারদের একমাত্র বৈধ আয়ের সুযোগ। কিন্তু সরকারকে রাজস্বদাতা ইজারাদারদেরকে উপজেলা প্রশাসন ক্ষতিসাধনের জন্য এ প্রক্রিয়া শুরু করেছে যা রীতিমতো অমানবিক ও বাড়াবাড়ির সামিল অবাঞ্চিত পদক্ষেপ বলে আমরা মনে করি। বিষয়টি ইজারাদারদের পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পৌর মেয়রকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে আইনগত পদক্ষেপও নেয়া যায় কিনা ? আমরা সে ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করছি। সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আয়্যুব বখত জগলুল বলেন,এর আগে এরকমভাবে অস্থায়ী পশুর হাট কোথায়ও বসানো হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আমি মনে করি গায়ের জোরে নয় হাটবাজার ইজারার বিধি বিধান ও আইন মেনে প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেয়া উচিত। সর্বশেষ খবরে জানা যায়,সোমবার বিকাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ উল্লেখযোগ্য দরদাতা না পাওয়ায় কোন অস্থায়ী ইজারাদার নিয়োগ করা হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি কোনদিকে মোড় নেয় সেদিকে দৃষ্টি এখন সকলের।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: