সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৪১ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নবীগঞ্জে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট

unnamed (1)মতিউর রহমান মুন্না, নবীগঞ্জ::
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে। নবীগঞ্জ পৌর এলাকার সালামতপুর, উপজেলার দিনারপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী গজনাইপুর ইউনিয়নের জনাতার বাজার, ইনাতগঞ্জ, সৈদয়পুর বাজার, নতুন বাজার সহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ধীরে ধীরে পশুর হাট সরগরম হচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন আপাতত ক্রেতা না থাকলেও দুই একদিনের মধ্যে জমজমাট হয়ে উঠবে পশুর হাট।

গতকাল শনিবার ছিল জনাতার বাজার পশুর হাট তাই ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপছেপড়া ভীর ছিল রাত ১০টা পর্যন্ত। যদিও অন্যান্য বছরের তুলনায় দাম একটু বেশি হওয়ায় ক্রয় বিক্রয় তেমন হয়নি।

ঈদের আর মাত্র হাতে গুনা কয়েক দিন বাকী তাই পশুর হাটের ভীড় ও আস্তে আস্তে বেড়েই চলছে। শেষ মুহুর্তে আরো বেশী ভীড় হবে এবং রাত ১২/১ পর্যন্ত বেচা কেনা চলবে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা ও গরুর বাজার কর্তৃপক্ষ।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সম্পূর্ন হাট ছিল গরু, ছাগল পশুতে পরিপূর্ন। তবে দাম বেশী থাকায় মধ্যবিত্ত এবং নিন্মবিত্ত মানুষকে হিমশীম খেতে দেখা গেছে। তবে অন্য বছরের তুলনায় দাম একটু বেশী। অনেককে কোরবানীর পশু না কিনে খালি হাতে ফিরে যেতে হয়েছে। তবে আরো কয়েক দিন অপেক্ষা করে কোরবানীর পশু কিনবেন বলে জানিয়েছেন অনেকে।

বাজারে দাম বেশী থাকায় অনেক বিক্রেতাকে ও তাদের আমদানীকৃত গরু বিক্রি না করে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছে। এদিকে, ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তি ছোয়ায় আরো একদাপ এগিয়ে জমে উটেছে পশুর হাট। অনেকেই স্মার্ট ফোনে থ্রীজি নেটওয়ার্কর আওয়াতায় ভিডিও কলের মাধ্যমে বিদেশে অথবা বাড়িতে থাকা লোকজনকে গরু দেখাচ্ছেন এবং তারা ভিডিও কলে গুরু দেখে দেখে পচন্দ করছেন কোনটা কিনবেন। এ ছাড়াও অনেকেই গরুর ছবি তুলে হোয়াটসআপের মাধ্যমে তাদের স্বজনদের শেয়ার করছেন।

unnamed

উপজেলার সাতাইহাল গ্রামের ক্রেতা নুরুজ্জামান জানান- বাজারে দাম খুব বেশী তাই কোরবানীর গরু কিনতে হিমশিম খাচ্ছি। আগামী বাজারে দাম আরো কমতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

উপজেলার দেবপাড়া বিক্রেতা হাসেম উল্লাহ জানান- বাজারের দাম বেশী হওয়ায় অনেক ক্রেতা কোরবানীর পশু না কিনে চলে যাচ্ছেন। যার ফলে আমরা আশানুরুপ বিক্রি না করতে পারায় সেগুলো নিয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। একটি গরু ৮০ হাজার টাকা দাম চাইলে ও ক্রেতারা ৫০/৬০ হাজার টাকা দাম করেছেন। তাই বিক্রি করতে পারিনি। তবে ঈদের আগের ৪/৫ দিন বাজার আরো অনেক ভাল হবে বলে আশা করছি।

গজনাইপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিউল আলম বজলু বলেন, নবীগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী দিনারপুর জনতার বাজার পশুর হাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্রেতারা পশু নিয়ে আসেন। অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর দাশ একটু বেশি এবং ভারতীয় গরু বাজারে আসায় দেশীয় গরু বিক্রেতারা হিমশিম খাচ্ছেন। তাই ক্রেতারাও দাম চড়া হওয়ায় গরু কিনতে পারছেন না। অনেকেই শেষ বাজারের অপেক্ষা করছেন।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ইমদাদুর রহমান মুকুল বলেন- প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও নির্বিগ্নে ক্রেতা বিক্রেতারা পশু ক্রয় বিক্রয় করছেন। আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: