সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ১৬ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের সাধারণ সভা : ট্রাস্টিবোর্ড গঠন

03সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি: নিউইয়র্কে বাঙালী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসের প্রাচীনতম মসজিদ পার্কচেস্টার জামে মসজিদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ২৮ আগস্ট রোববার। এদিন দুপুর দু’টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মসজিদের দু’তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদের গঠনতন্ত্রে থাকা সত্ত্বেও ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ২৮ বছর পর এবারই প্রথম ট্রাস্টিবোর্ড নির্বাচন করা হয় সাধারণ সভায়।

সভায় ৫ সদস্যেও ট্রাস্টিবোর্ড গঠন ছাড়াও, বার্ষিক রিপোর্ট, মসজিদ কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন, সরাসরি পদ ভিত্তিক নির্বাচন, সদস্য হবার নিয়মাবলী সহজীকরণ, গঠনতন্ত্র সংশোধনীসহ অন্যান্য বিষয় অনুমোদিত হয়েছে। সভায় পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের নাম সংশোধন করে পার্কচেষ্টার জামে মসজিদ ইনক অ্যান্ড ইসলামিক সেন্টার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

মসজিদের সভাপতি সৈয়দ আল ওয়াহিদ নাজিমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর পরিচালনায় সভায় বর্তমান ও প্রাক্তন কার্যকরী কমিটি, নির্বাচন কমিশনের সদস্যসহ বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

unnamed (5)সাধারণ সভায় তিন বছরের জন্য নির্বাচিত ট্রাস্টিবোর্ড সদস্যরা হলেন, চেয়ারম্যান : মসজিদ কমিটির সাবেক সভাপতি হাজী ফখরুল ইসলাম, সদস্য : প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মসজিদের সাথে সম্পৃক্ত বাংলাদেশ আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট মো. এন মজুমদার মাস্টার অব ল, নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান আবু বকর চৌধুরী, নির্বাচন কমিশনার তোফায়েল চৌধুরী ও ব্যবসায়ী গিয়াস আহমেদ।

সভা সূত্র জানায়, মসজিদে চলমান দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, জু’মআ, ঈদের নামাজ, মহিলাদেও ইবাদতের বিশেষ ব্যবস্থা, শিশুদের ইসলামিক উইকেন্ড স্কুল, সামার স্কুল, ওয়াজ-মাহফিল ছাড়াও ইয়ুথ ছেলে-মেয়েদের উচ্চতর ইসলামিক নৈতিকতা শিক্ষা প্রোগ্রাম, হেফজ কোরআন প্রোগ্রাম, বয়স্কদের ইসলামি শিক্ষা কার্যক্রম, বিভিন্ন দিবসে ইসলামি সেমিনার, কমিউনিটি ডেভলাপমেন্ট প্রোগ্রাম, ফ্যামিলি কাউন্সিলিং সেবা প্রদান, ইসলামিক পাঠাগার ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাসহ ব্যাপক পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের নাম সংশোধন করে পার্কচেষ্টার জামে মসজিদ ইনক অ্যান্ড ইসলামিক সেন্টার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় সাধারণ সদস্যরা কমিটির কাছে তাদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। বক্তারা বিগত দিনে মসজিদ নিয়ে সকল ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

মসজিদ কমিটির সভাপতি সৈয়দ আল ওয়াহিদ নাজিম বলেন, অতীতের সকল ভেদাভেদ ভুলে আমরা নতুন করে সবাইকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। তিনি সকলের পরামর্শ ও নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে মসজিদের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে এজন্য সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন। সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সাধারণ সভা অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

নির্বাচিত ট্রাস্টিবোর্ড সদস্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মসজিদের সাথে সম্পৃক্ত বিশিষ্ট আইনজীবী সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. এন মজুমদার তাকেসহ ৫ সদস্য বিশিষ্ট ট্রাস্টিবোর্ড নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সকলকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে মসজিদের অব্যাহত উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মসজিদের স্বার্থে সকলের ভুলত্রুটি ক্ষমা করে মসজিদের উন্নতির জন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি।

তিনি মসজিদের উন্নয়নে সবধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রদান করে বলেন, এখন সময় এসেছে সবাইকে মিলেমিশে মসজিদের উন্নয়নে কাজ করে যাবার। আল্লাহর ঘর মসজিদ সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হোক- এ কামনা করে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যেতে হবে।

সাধারণ সভার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন, মসজিদের কার্যকরী কমিটির সভাপতি সৈয়দ আল ওয়াহিদ নাজিম, সহ সভাপতি নুরুল এইচ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোশতাক এ চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাব্বির কাজী আহমদ, কোষাধ্যক্ষ আম্বিয়া মিয়া, সহ-কোষাধ্যক্ষ ফারুক আহমদ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সৈয়দ এস আহমদ, মেইনটেন্যান্স সম্পাদক মোহাম্মদ এ আসগর, সদস্য-মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, আরিফ চৌধুরী, মো. শহিদ, খলিলুর রহমান ও লিয়াকত আলী।

জানা যায়, সহ সভাপতি মঈন ইউ চৌধুরী অসুস্থ্য এবং ফিউনারেল সম্পাদক ফজলুর রহমান চৌধুরী দেশে অবস্থান করায় সাধারণ সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্র জানায়, সাধারণ সভায় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক সাব্বির কাজী আহমদ অসুস্থতাজনিত কারণে সভাপতি বরাবর পদত্যাগ পত্র জমা দেন।

এদিকে, সভাপতি সৈয়দ আল ওয়াহিদ নাজিম জানান, গত ৩০ আগস্ট মঙ্গলবার মসজিদের কার্যকরী কমিটির এক জরুরী সভায় সহ-সাধারণ সম্পাদক সাব্বির কাজী আহমদের পদত্যাগ পত্র গৃহীত হয়। একই সভায় বিগত নির্বাচনে ১১২ ভোট পেয়ে ১৬তম স্থান অধিকারী জুলু আহমেদকে কোঅপ্ট করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ নভেম্বর পার্কচেস্টার জামে মসজিদের গঠনতন্ত্র মোতাবেক অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৫ জন সাধারণ সদস্য হিসেবে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। এরপর দু’বছর মেয়াদী কার্যকরী কমিটির বিজয়ী এ ১৫ জন নিজেদের মতামতের ভিত্তিতে পদ বণ্টন করে নেন। গত ১১ ডিসেম্বর শুক্রবার বাদ জুমা পার্কচেস্টার জামে মসজিদে নির্বাচনে বিজয়ী কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশন এবং মুসল্লিদের উপস্থিতিতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য পদবিসহ নতুন কার্যকরী কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। নতুন কার্যকরী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয় গত ১৩ ডিসেম্বর রোববার।

ওই নির্বাচনে ১৫ টি পদে তিনটি প্যানেল এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৪৩ জন প্রার্থী নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হন। এ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ৩৭৯ জন। এর মধ্যে আজীবন সদস্য ৩৭৫ জন। নির্বাচনে প্রার্থীদের লটারির মাধ্যমে এ বি সি এবং আই প্যানেলভুক্ত করা হয়।

নির্বাচনে বি প্যানেলের ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৩ জন এবং এ এবং সি প্যানেল থেকে ১ জন করে প্রার্থী বিজয়ী হন।

নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন : বি প্যানেল থেকে সৈয়দ আল ওয়াহিদ নাজিম (১৭০ ভোট), মোশতাক আহমদ চৌধুরী (১৩৩ ভোট), মোঃ আম্বিয়া মিয়া (১৩৮ ভোট), মঈন ইউ চৌধুরী (১২৮ ভোট), সৈয়দ সামছুজ্জামান আহমদ (১২৬ ভোট), নুরুল এইচ চৌধুরী (১২৮ ভোট), মোহাম্মদ আরিফ চৌধুরী (১২৭ ভোট), মোঃ ইয়াহিয়া (১২৬ ভোট), ফজলুর রহমান চৌধুরী (১৩৬ ভোট), সাব্বির কাজী আহমদ (১২৩ ভোট), ফারুক আহমেদ চৌধুরী (১২০ ভোট), মোঃ আব্দুস শহীদ (১৩৩ ভোট) এবং মোঃ আলী আজগর (১১৫ ভোট)।

অপরদিকে, সি প্যানেল থেকে অধ্যাপক হাজি খলিলুর রহমান (১১৫ ভোট) এবং এ প্যানেল থেকে লিয়াকত আলী (১২৬ ভোট) বিজয়ী হন।

নির্বাচনে বিজিতদের প্রাপ্ত ভোট : আব্দুল বাছির খান (১১২), আব্দুল কালাম (৮৮), আব্দুস সহীদ (৯৮), হারুন আলী (৮৬), জয়নাল আবেদীন চৌধুরী (১০৪), মোঃ আব্দুস সাত্তার (৮৭), মোহাম্মদ বি মিয়া (৫৭), মোঃ আই উদ্দীন (৬৬), মোশতাক মিয়া (৭৮), নাজমুল ইসলাম (৬২), নিজাম উদ্দীন (৯১), সামছুদ্দীন চৌধুরী (৮২), জুলু আহমেদ (১১২), মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম (১১০), মোঃ গাজীউর রহমান (৮২), তাজুল ইসলাম (৭৭), আব্দুল হাসিম হাসনু (৮০), মোঃ মইনুদ্দীন চৌধুরী (৭৬), মোঃ শফিক উদ্দীন (৭৫), আহমেদ মজলুল (৬২), রিয়াজ উদ্দীন কামরান (৭৫), আবু কায়সার (৭৪), মোঃ আব্দুল মতিন (৬২), মোঃ লোকমান হোসনে (৫৩), মোঃ আব্দুল লতিফ (৪৫), মোঃ মজনু মিয়া (৬০), মোঃ ফটিক মিয়া (৭০), রুবেল আলম (৫০)। স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল এহিয়া (৬১)।
ওই নির্বাচনে ৩৭৯ জন ভোটারের মধ্য থেকে মোট ২৯৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্ট মাসে ব্রঙ্কস কাউন্টি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই মাসের ২৮ তারিখ ৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। নির্বাচন কমিশনে দায়িত্বপ্রাপ্তরা ছিলেন চেয়ারম্যান আবু বকর চৌধুরী, সদস্য সচিব নজরুল হক, সদস্য আসাদুজ্জামান খান, তোফায়েল চৌধুরী ও আলমাস আলী।

বি প্যানেলের নির্বাচনী ইশতেহার : পরবর্তী নির্বাচন পদ ভিত্তিক ও সরাসরি করা, সদস্য হবার নিয়মাবলী সহজ করা, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে আন্তরিকতা ও ব্যক্তি স্বার্থ চর্চা রহিত করা, বোর্ড অব ট্রাস্ট গঠন, মাসিক দান ও ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ ও অডিটের ব্যবস্থা, বিভিন্ন ইসলামী অনুষ্ঠান আয়োজন, সামার কোর্স ও উইকেন্ড কোর্স চালুর পাশাপাশি বৈকালিক মক্তব ও ইসলামী স্কুল চালু ইত্যাদি।

এ প্যানেলের নির্বাচনী ইশতেহার : ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য নির্বাচন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে অডিট কমিটি সংযোজন এবং বাস্তবায়ন করবেন যারা প্রতি তিনমাস অন্তর মসজিদের অর্থনৈতিক কার্যক্রম নিরীক্ষা এবং লেনদেনের হিসাব জুমার দিনে মুসুল্লিদের অবহিত করবেন। এ ছাড়া অর্থনৈতিক উপকমিটি তৈরি, ইসলামিক স্কুলকে আলীম কোর্সে রূপদান, যুব প্রোগ্রাম এবং তরুণ ও যুবক ছেলে-মেয়েদের জন্য সেমিনার সিম্পোজিয়ামের ব্যবস্থা করা হবে। এই শিক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ তথা বিশ্বের ধর্মীয় প-িতদের অতিথি বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

সি প্যানেলের নির্বাচনী ইশতেহার : মসজিদকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও অত্যাধুনিক আদর্শ ইসলামী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। ইসলামী স্কলারদের নিয়ে ইংরেজি ভাষায় নিয়মিত ইসলামী মাহফিল ও সেমিনারের আয়োজন, পূর্ণাঙ্গ ইসলামী লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা, পরিপূর্ণ সংবিধান প্রণয়ন, মসজিদের সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণে মুসল্লিদের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া, স্থায়ী হিসাব রক্ষক নিয়োগ, সার্টিফায়েড অডিটরের মাধ্যমে অডিটের ব্যবস্থা, শুক্রবারে ডাবল পার্কিংয়ের ব্যবস্থা, ফিউনারেল সার্ভিসকে আরো আধুনিক ও কম খরচ সাপেক্ষ করা। বয়স্কদের জন্য কোরআন শিক্ষা চালু ও মহিলা মুসল্লিদের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার : স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল আহিয়া নির্বাচনী ম্যানুফেস্টোতে উল্লেখ ছিল ফিউনারেল সার্ভিসের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, মধ্যবিত্ত পরিবারের সুবিধার জন্য ইসলামিক ফিউনারেল ইন্স্যুরেন্স সার্ভিস চালু, মসজিদের গঠনতন্ত্র সংশোধনসহ মসজিদের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: