সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ১৩ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় একদিকে উচ্ছেদ অভিযান অন্যদিকে পুন:স্থাপনের হিড়িক!

unnamed (5)বড়লেখা প্রতিনিধি::
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌর শহরে সড়ক ও জনপথ (সওজ)’র সরকারি ভূমিতে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শেষ হতে না হতেই উচ্ছেদকৃত ভূমিতে অবৈধ স্থাপনা পুন:স্থাপনের হিড়িক পড়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টেম্বর) শহরের উত্তর চৌমুহনীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাতের নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্স সওজ’র ভূমিতে নির্মিত অবৈধ ২১টি দোকানঘর ভেঙ্গে ফেলে। কিন্তু অভিযানকারীরা চলে যাওয়ার পরই দখলদাররা পুনরায় স্থাপনা বসানো শুরু করেছে। এদিকে গত ১৫ জুন উপজেলার দক্ষিণভাগ বাজারের উচ্ছেদ করা স্থানে একইভাবে ফের অবৈধ দখলদাররা ঘর নির্মাণ করেছে। সরেজমিন দেখা গেছে, বড়লেখা-কুলাউড়া সিএন্ডবি সড়কের উভয়পাশের ভূমিতে অসাধু ব্যক্তিরা অবৈধভাবে কাঁচা-পাকা স্থাপনা তৈরি করে ব্যবসা-বাণিজ্য চালাতে থাকে। এতে যানবাহন ও পথচারী চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত এবং প্রায়ই বড়ো ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তর চৌমুহনীতে অবৈধভাবে নির্মিত ২১টি দোকানঘর উচ্ছেদ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি টাস্কফোর্স। টাস্কফোর্সের অভিযান শেষে উচ্ছেদকৃত স্থানে অসাধু ব্যক্তিরা পুনরায় স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছে।

অপরদিকে পৌর শহরসহ উপজেলার দক্ষিণভাগ বাজারসহ প্রত্যেকটি বাজারে সওজ’র ভূমিতে নির্মিত অবৈধ স্থাপনায় সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হন পথচারীরা। যত্রতত্র দোকানঘর বসিয়ে নির্বিঘেœ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে অসাধু ব্যক্তিরা। অনেক স্থানে ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা দোকানকোটা বসিয়ে ভাড়া নিয়ে ব্যবসার সুযোগ করে দিয়েছেন। এ যেনো দেখার কেউ নেই। প্রশাসন মাঝে-মধ্যে যে অভিযান পরিচালনা করে তা শুধুই আইওয়াশ।

উপজেলার দক্ষিণভাগে এসব অবৈধ স্থাপনায় ঢাকা পড়েছে সরকারি সড়ক, টি বোর্ডের মালিকানাধীন নিউ সমনবাগ, পাথারিয়া ও রশিদাবাদ চা বাগানের রোড ইন্ডিকেটরসহ ব্যক্তি মালিকানাধীন মার্কেটের সম্মুখ ও গাড়ি পার্কিংস্থল। এতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারী ও মার্কেট মালিকদের মধ্যে বাকবিত-ায় প্রায়ই আইন-শৃক্সক্ষলার অবনতি ঘটে।

পৌর শহরের উত্তর চৌমুহনীতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত জানান, অবৈধ দখলদারদের বারবার নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও স্থাপনা সরায়নি। এ কারণে ১৯৭০ সালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অধ্যাদেশ অনুযায়ী বড়লেখা পৌর শহরের ২১টি দোকানঘর গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: