সর্বশেষ আপডেট : ১৭ মিনিট ১৭ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

”নিউ ইয়র্কে এক ভক্ত আই লাভ ইউ লেখা প্লেকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছিল”- শবনম ফারিয়া

1444667504দৌড়ের উপর’ নাটক দিয়েই অভিনয়ে স্থায়ী হওয়ার আভাস দিয়েছিলেন তিনি। তারপর অজস্র নাটকে এবং বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয় করে বুঝিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী এবং মডেল হিসেবে পাকা হতেই তিনি মিডিয়াতে যাত্রা শুরু করেছিলেন। সাফল্য এখন তার কাঁধেই ভর করে হেঁটে চলেছে বহুদূর। তিনি মডেল ও অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সামনে ঈদ আসছে, তাই মুখোমুখি তার।

শবনম ফারিয়ার বর্তমান ব্যস্ততার কথা জিজ্ঞেস করতেই স্বভাবসুলভ হাসি হেসে বললেন ‘এই মুহূর্তে সকাল আহমেদের ‘ঋণীর ঋণ’ নাটকটি নিয়ে কাজ করছি। নাটকটি নিয়ে আমি বেশ আশাবাদী। ‘কথার মাঝেই বারবার ঘড়ি দেখছিলেন তিনি। শুটিং এযেতে হবে। একটু থেমেই আবার বলতে শুরু করেন, ‘আদনান আল রাজিব ভাইয়ের সাথেই প্রথম একটি বিজ্ঞাপনের কাজ দিয়ে শুরু হয় আমার যাত্রা। বিজ্ঞাপনের কাজ করার সুবাদে আমার সাথে আগেই পরিচয় ছিল উনার। একদিন হঠাৎ উনি কলদিলেন, অডিশন দিলাম, সিলেক্টেডও হয়ে গেলাম। কাজের সময় অনেক এনজয় করেছি, খুবই ফ্রেন্ডলি পরিবেশে শুটিং করেছি।‘

প্রথম কাজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়েই তিনি ফিরে যান পুরনো স্মৃতিতে, খোলা মনে বলে ফেলেন অনেক কথা। ‘প্রথমে তো আমার ফ্যামিলি আমাকে অভিনয় করতে দিতেই চায় নি। এর জন্য রাগ করে আমি তিন দিন না খেয়েই ছিলাম। তারপর বাবা মা বলল, যাও। এটাই প্রথম এটাই শেষ! বাকিটা তো সবারই জানা।‘ এবার চলে আসলাম ফ্যানদের কথায়। কোন মজার অভিজ্ঞতার কথা জানতে চাইলেই আবারো হেসে উঠেন। বলেন,’ফ্যানদের নিয়ে তো অনেক মজার মজার ঘটনাই আছে। একবার নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে এক ভক্ত আই লাভ ইউ লেখা প্লেকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। পরে তা সেখানকার বিগ স্ক্রিনে দেখানো হয়। এটি আবার সে আমাকে পাঠায়। প্রায়ই এরকম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়।‘ কথা শেষ হয় মুচকি হাসির রেশে। এদিকে আমার কিন্তু আরো অনেক কিছু জানার বাকি।

শুটিং এ মজার কথা বলতেই তিনি বললেন ‘শুটিং আসলে একটু বোরিং। তবু আমরা আসলে শুটিং এর সময় নিজেরা নিজেরাই মজা করে বোরিংনেস কাটানোর চেষ্টা করি।‘ তবে কথার ফাঁকেই তার কথায় উঠে সিনিয়র আর্টিস্টদের প্রতি শ্রদ্ধার আভাস। ‘সিনিয়র আর্টিস্টরা তাদের কাজের সময় অনেক বেশী স্ট্রাগল করেছেন। তাদের বেশীরভাগই থিয়েটার ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছেন। ফলে তারা অভিনয়ের সময় খুব সহজেই চরিত্রের অনেক বেশী গভীরে যেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আমরা অনেক সৌভাগ্যবান।‘ আর অনুপ্রেরণার কথা বলতে গিয়ে সরাসরি বললেন তার ভক্তদের কথা। তিনি বললেন,’অন্য কোন জবের ক্ষেত্রে আপনি আপনার কাজের ফলাফল পেতে অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হয়, আমাদের কাজের ক্ষেত্রে দেখা যায় আমরা খুব দ্রুতই রেসপন্সটা পেয়ে যাই। আসলে ফ্যানদের কাছ থেকে পাওয়া এই রেসপন্সই আমার কাজের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা‘। ‘মডেলিং দিয়েই যদিও আমার যাত্রা শুরু, তবু আমি অভিনয়টাকেই বেশী প্রাধান্য দেই। যদি অভিনয় না করতাম, তাহলে হয়তো আমি সাংবাদিক হতাম।

এবার বিদায়ের পালা। শুটিং-এ যাবার সময় হয়ে গেছে। সবার কাছে ভালোবাসা চেয়ে হাসিমুখে বিদায় নিলেন তিনি।

-সংগৃহীত

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: