সর্বশেষ আপডেট : ৫৪ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কমলগঞ্জে পুতুল তৈরী করে নারীরা স্বাবলম্বী

Kamalganj news daily sylhetমো. মোস্তাফিজুর রহমান::
সূচিশিল্প বাঙ্গালী নারীর মর্যাদার প্রতীক। আদিকাল থেকেই বাঙ্গালী ললনারা সূঁই সুতো দিয়ে শিল্পকর্ম তৈরি করে আসছেন। আগে যা ছিল শুধুমাত্র শখ এখন তা হয়ে দাঁড়িয়েছে জীবন জীবিকার অবলম্বন।

কমলগঞ্জে ক্রেল এর সহযোগীতায় ৩৫ জন নারী এখন সংসারের কাজের ফাঁকে হাতের কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। সুচের ফোঁড়ায় ফোঁড়ায় নিপুন হাতে তৈরি করছেন পুতুল, অক্টোপাস, হাতি,কটবয়সহ বিভিন্ন সামগ্রী। কেউ বা সংসারের কাজের ফাঁকে আর কেউ বা লেখাপড়ার পাশাপাশি এই কাজ করে বাড়তি আয় করছেন। নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে ইউএসএইড‘র ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইকোসিস্টেমস এন্ড লাইভলিহুর্ডস(ক্রেল) নামক সংস্থাটি। ঢাকার হাতে বুনন প্রশিক্ষকন কেন্দ্র মাধ্যমে ক্রেল এই ৩৫জন নারীকে ২ মাসের প্রশিক্ষন প্রদান করে। প্রশিক্ষনের পর ঢাকার বুনন প্রশিক্ষন কেন্দ্র বিভিন্ন প্রকার কাপড়ের খেলনা অর্ডার দিয়ে থাকে। তারা নির্ধারিত করে কয়টি সামগ্রী বানাতে হবে। সে অনুয়ায়ী নারীরা কাপড়ের সামগ্রী তৈরী করে দেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা সদর উপজেলার রাজটিলা, বনগাঁও গ্রামের ৩৫জন নারী এখন হাতের কাজ করে বাড়তি আয় করছেন। কাপড় জোরো করে বিভিন্ন খেলনার সামগ্রী তৈরী করে সংসারের অভাব ঘোচানোর পাশাপাশি স্বাবলম্বী হচ্ছেন এইসব নারীরা। সাংসারিক কাজ করেও ফাঁকে ফাঁকে এই কাজ করছেন তারা। শুধু তাই নয়, অভাবী সংসারে জন্ম নেয়া অনেক শিক্ষার্থী অর্থাভাবে লেখাপড়া করতে পারছেন না বা যাদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে তারাও যুক্ত হয়েছে এই কাজের সাথে। আবার স্বামীহারা অনেক নারীর থেমে যাওয়া সংসারের চাকা ঘোরাতে তারাও নেমে পড়েছেন এই কাজে। কথা হয় রাজটিলা গ্রামের রুহেনা আক্তারের সাথে। তিনি জানান, ক্রেল এর সহযোগীতায় তিনি এখন স্বাবলম্বী।

২মাসের ট্রেনিং গ্রহন করে এই সুচির কাজ শিখেছেন। মাত্র ৩/৪ দিনে একটি খেলনা তৈরী করে মাস শেষে ১৭০০ টাকা আয় করেন। ধীরে ধীরে শুরু হয় পথ চলা। ঐ গ্রামের রুবিণা বেগম সে হাই স্কুলে ৮ম শ্রেণীতে পড়ে। সংসারে অভাব থাকায় লেখাপড়ার বাড়তে আয়ের এ কাজে যুক্ত হয়েছেন। বনগাঁও গ্রামের ফুলজান বেগম বলেন, তারা এক সাথে ১৫জন কাজ করেন। ঢাকার বুনন প্রশিক্ষক কেন্দ্র তাদেরকে সুতা ও কাপড় যোগান দেন। তারা শুধুমাত্র খেলনাগুলো তৈরী করেন। তাদের তৈরীকৃত স্বপীচগুলো চলে যায় ঢাকায়। মাসে ৯ টি চালান সরবরাহ করেন। কাজ শেষে মাসে ১৭শত টাকা করে জনপ্রতি পেয়ে থাকেন। এভাবে নারীরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: