সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পাবনায় ক্ষুদ্রতম মসজিদের সন্ধান

Pabna-Mosjidনিউজ ডেস্ক : পাবনায় প্রাচীন ও ক্ষুদ্রতম একটি মসজিদের সন্ধান পাওয়া গেছে। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ও প্রস্থ ৮ ফুট। সেখানে এক সাথে ৫ জন মুসল্লির নামাজ আদায় করা সম্ভব। চিকন ছোট ইট ও চুন সুঁড়কি দিয়ে তৈরী মসজিদটির দেয়ালটি স্থাপত্যকলার অন্যতম নিদর্শন হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। প্রাচীন ও ক্ষুদ্রতম এই মসজিদটি অবস্থান জেলার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথড় গ্রামে। বর্তমানে ‘শেহরোজ জামে মসজিদ’ নামে পরিচিত মসজিদটি কবে কখন, কারা, কি উদ্দেশ্যে নির্মাণ করেছিলেন তার সঠিক উত্তর জানা নেই স্থানীয় বাসিন্দাদের। চাটমোহর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তরে বড়াল নদীর বাঁধ পেড়িয়ে দশ মিনিট পায়ে হেঁটে গেলেই চোখে পড়বে বোঁথড় গ্রামে এ মসজিদটি। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ক্ষুদ্রতম প্রাচীন ও ব্যাতিক্রম ধর্মী মসজিদের সন্ধান পাওয়া দুষ্প্রাপ্য বলে দাবী করেছেন এলাকাবাসী।

চাটমোহরের বোঁথড় গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কালেরসাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ‘শেহরোজ জামে মসজিদ’। মসজিদটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৫ ফুট ও প্রস্থ হবে ৮ ফুটের মতো। সেখানে একসাথে ৫ জন মুসল্লির নামাজ আদায় করা সম্ভব। চিকন ছোট ছোট ইট ও চুন সুঁড়কি মিশ্রিত দেয়ালটি স্থাপত্যকলার অন্যতম নিদর্শন। মসজিদটি কখন, কারা, কি উদ্দেশ্যে নির্মাণ করেছিলেন তার সঠিক ইতিহাস বলতে না পাড়লেও এলাকাবাসী দাবি করেন, এ মসজিদ দেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আনুমানিক প্রায় ৬শ’ বছরের পুরাতন মসজিদটি বন জঙ্গলে আবৃত হয়ে ছিল বলে কেউ সেখানে যেতো না। দেশ স্বাধীনের পর এখানে সর্বপ্রথম বন জঙ্গল কিছুটা পরিস্কার করে একাই নামাজ আদায় করতেন বোঁথড় গ্রামের ছোহরাব হোসেন। ২০০৬ সালে মসজিদটির প্রাচীন পুরাকীর্তি অক্ষুন্ন রেখে নতুন রুপে সংস্কারে আর্থিকভাবে সাহায্য করেন তৎকালিন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। দু’টি টিনের ছাপড়া তুলে নতুন সংস্কারের পরেও মসজিদের ভিতরেই প্রচীন ক্ষুদ্র মসজিদের পুরাকীর্তি এখনও দৃশ্যমান।

এলাকার ৮২ বছরের প্রবীণ ব্যক্তি ভাদু মোল্লা জানান, “মসজিদটি অনেক পুরাতন আমলের। আমরা ছোট থেকেই শুনে আসছি এখানে একটা মসজিদ আছে। আমাদের মুরব্বীদের কাছে শোনা অনেক আগে বিদেশ থেকে কয়েকজন পীর সাহেব এদেশে এসে ইসলাম প্রচার করতেন। রাতে এখানে তারা আত্মগোপন করতেন। তারাই সম্ভবত এই মসজিদটি তৈরি করেছিলেন নামাজ আদায়ের জন্য”। ইতিহাস যাই হোক না কেন, কালের সাক্ষী হিসাবে টিকে থাকা মসজিদ হিসাবে এই প্রত্নতাত্বিক নিদর্শণ দেশের সব চেয়ে ছোট মসজিদ হিসাবে স্বীকৃতি এবং এ সম্পর্কে গবেষণা ও সংরক্ষনের জন্য সরকারি পর্যায় নজর দেয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ আলী সরকার জানান, এটা যে একটা ক্ষুদ্রতম প্রাচীন মসজিদ তাতে কোন সন্দেহ নেই। এই মসজিদের জায়গার পুরাতন ডিএস রেকর্ডে দুই শতাংশ জমি মসজিদের নামে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। মসজিদটির উন্নয়নে সংস্কার কাজ চলছে। তিনি এব্যাপারে সরকারি-বেসরকারি আর্থিক সাহায্য কামনা করেন।-আমাদের সময়.কম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: