সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ২৮ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সবচেয়ে রহস্যময়ভাবে মারা গিয়েছেন যে ১০ বলিউড তারকা

11173_1_19224-3বিনোদন ডেস্ক::বলিউড তারকা মানেই খ্যাতি আর প্রতিপত্তির চূড়ান্ত। কিন্তু তার অর্থ সর্বদা নিরবচ্ছিন্ন স্বর্গসুখ নয়। বলিউড স্টারদের অনেকেরই শেষ জীবন কেটেছে বেশ যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে, এবং মৃত্যুও হয়েছে রহস্যজনকভাবে। এখানে রইল তেমনই ১০ জন বলিউড তারকার কথা।

মধুবালা: ‘মুগল এ আজম’, ‘হাওড়া ব্রিজ’ কিংবা ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস ফিফটি ফাইভ’-এর মতো অজস্র হিট সিনেমার নায়িকা এবং বহু হৃদয়ে রাজত্ব করা সুন্দরীর শেষ জীবন কেটেছিল অত্যন্ত নিঃসঙ্গ এবং অসহায় অবস্থায়।
শেষ অবস্থায় কেউ তাঁর দেখাশোনার জন্য ছিল না। রহস্যময়ভাবেই চলে যান তিনি। এমনকী মৃত্যুর পরে যে কবরে তিনি শায়িত ছিলেন সেখান থেকেও তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয় নতুন মৃতদেহ কবরস্থ করার জন্য।

মীনা কুমারী: ৪০ বছর বয়সে ট্র্যাজেডি কুইন মীনা যখন মারা যান তখন তাঁর ছবি ‘পাকিজা’ নিয়ে মাতামাতি তুঙ্গে। একাকীত্ব ও অবসাদে ভোগা মী‌না মৃত্যুর আগে প্রচুর মদ্যপানের কারণে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হন।

‘পাকিজা’ নিয়ে চতুর্দিকে যখন উন্মাদনা তখনই হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন মীনা। শেষ পর্যন্ত সেই লড়াইয়ে পরাজিত হন নায়িকা। ‘ট্র্যাজিক কুইন’-এর মৃত্যুও হয় ট্র্যাজিক ভাবে।

গুরু দত্ত: ১৯৬৪ সালে উদ্ধার হয় গুরু দত্তের ম়ৃতদেহ। পোস্টমর্টেমের পরে জানা যায়, অতিমাত্রায় মদ্যপান ও ঘুমের ওষুধ সেবনের ফলে মৃত্যু হয়েছে গুরু দত্তের। বিষয়টি দুর্ঘটনা না আত্মহত্যা সেই বিষয়ে দ্বন্দ্ব এখনও মেটেনি।

অনেকের মতে, স্ত্রী গীতা দত্তের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির কারণে অবসাদে ভোগা গুরু আত্মহত্যাই করেছিলেন। গুরুর দীর্ঘদিনের বন্ধু ভি কে মূর্তি দাবি করেন, এর আগেও দু’বার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন গুরু দত্ত।

সিল্ক স্মিতা: ভারতীয় সফ্ট পর্ন ছবির সবচেয়ে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী প্রায় সাড়ে চারশো ছবিতে অভিনয়ের পরে ফিল্ম প্রোডাকশনে টাকা ঢালার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ফিল্ম প্রোডিউসার হিসেবে চূড়ান্ত ব্যর্থ হন তিনি।

এছাড়া অভিনেত্রী জীবন ও প্রেম জীবনেও হতাশার সম্মুখীন হয়েছিলেন তিনি। অত্যধিক বেড়ে গিয়েছিল মদ্যপানের মাত্রা। শেষ পর্যন্ত ১৯৯৬ সালে অবসাদে ডুবে থাকা সিল্ক আত্মহত্যা করেন।

মনমোহন দেশাই: ‘অমর আকবর অ্যান্টনি’, ‘কুলি’, ‘পরভরিশ’ কিংবা ‘আ গলে লগ যা’-র মতো ছবির নির্মাতা মনমোহন ১৯৯৪ সালে নিজের গ্রান্ট রোডের ফ্ল্যাটের বারান্দা থেকে নীচে পড়ে মারা যান।

এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দানা বেঁধেছে ধোঁয়াশা। কেউ বলেন, বিষয়টি নিছকই দুর্ঘটনা। কেউ আবার দাবি করেন, নিজের শেষদিকের ফিল্মগুলো তেমনভাবে সফল না হওয়ায় হতাশাগ্রস্ত মনমোহন আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

প্রিয়া রাজবংশী: ১৯৭০-এর দশকে ‘হির রাঞ্ঝা’ কিংবা ‘হাসতে জখম’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করা প্রিয়া তাঁর প্রতিভার উপযুক্ত খ্যাতি পাননি। ২০০০ সালে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু তদন্ত অগ্রসর হওয়ার পরে জানা যায়, প্রাক্তন স্বামী প্রয়াত চেতন আনন্দের ছেলে তার কয়েকজন সাঙ্গোপাঙ্গোকে নিয়ে সম্পত্তির লোভে খুন করেছে প্রিয়াকে।

পরভীন ভাবি: ২০০৫ সালের ২০ জানুয়ারি পরভীনের ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে পরভীনের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল তাঁর, সে নিয়ে দানা বেঁধেছিল ধোঁয়াশা। নিঃসঙ্গতাজনিত হতাশার কারণে পরভীন আত্মহত্যাই করেছিলেন বলে মনে করেন অনেকে।

দিব্যা ভারতী: ১৯৯২ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে পাঁচ তলার উপর থেকে নীচে পড়ে মারা যান।

তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন নাকি অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে টাল সামলাতে না পেরে নীচে পড়ে যান, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। এমনকী কেউ কেউ বলেন, দিব্যাকে খুন করা হয়েছিল।

কুণাল সিংহ: ‘দিল হি দিল মে’ ছবিতে অভিনয় করা সুদর্শন কুণাল সিংহের কথা আজ অনেকেই ভুলে গিয়েছেন। কিন্তু ২০০৮ সালে এঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু কাঁপিয়ে দিয়েছিল বলিউডকে।

গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত কুণালের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। যে কারণে অনেকেই মনে করেন, কুণালকে আসলে খুন করা হয়েছিল।

নাফিসা জোসেফ: ভিডিও জকি হিসেবে নাম করেছিলেন নাফিসা। অভিনয় করেছিলেন দু’একটি বলিউড ফিল্মেও। কিন্তু ২৬ বছর বয়সে তাঁর আকস্মিক মৃত্যু পূর্ণচ্ছেদ টেনে দেয় তাঁর কেরিয়ারে।

তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন বলেই মনে করা হয়। যখন তাঁর মৃত্যু হয়, তার হপ্তাখানেক পরেই ব্যবসায়ী গৌতম খাঁদুজার সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু আচমকাই বিয়ে ভেঙে দেন গৌতম। অনুমান করা হয়, এই ধাক্কা সামলাতে পারেননি নাফিসা। সেই কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: