সর্বশেষ আপডেট : ১০ মিনিট ০ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

যেকোন দিন কাসেম আলীর ফাঁসি

1466317952-1নিউজ ডেস্ক::একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে দন্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসি যেকোন দিন হতে পারে। তবে রিভিউ আবেদনের কপি না পাওয়া পর্যন্ত ফাঁসি স্থগিত থাকবে।

এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, রিভিউর রায়ের কপি বের হওয়ার পর জানানো হবে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চান কিনা। রিভিউ কার্যক্রম নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসির বিষয়টি স্থগিত থাকবে। তিনি যদি রাষ্ট্রপতির নিকট প্রাণ ভিক্ষা না চান তাহলে সরকার তার ফাঁসির কার্যক্রম শুরু করবে।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসি বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চে এই রায় দেন। বেঞ্চের অন্য চার সদস্য হলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।আজকের কার্যতালিকায় এক নম্বরেই ছিল মীর কাসেম আলীর মামলাটি।

এর আগে গত রবিবার আদালতে রিভিউয়ের শুনানি শেষ হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষে ছিলেন মীর কাসেমের প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
মীর কাসেমের আইনি লড়াইয়ে রিভিউ আবেদনই শেষ ধাপ। মঙ্গলবার এই আবেদন নাকচ হলে ফাঁসি এড়াতে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন।

দণ্ড মওকুফ চেয়ে ৮৬ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে ১৪টি যুক্তি তুলে ধরেছেন মীর কাসেমের আইনজীবী।

এর আগে গত ২৫ জুলাই রিভিউ শুনানির জন্য দিন নির্ধারিত থাকলে আইনজীবীদের আবেদনে এক মাস সময় দেওয়া হয় মীর কাসেম আলীকে। মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২৪ আগস্ট। এর আগে গত ১৯ জুন আপিল বিভাগের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন মীর কাসেম আলী। ওই আবেদনে ১৪টি আইনি যুক্তি তুলে ধরে তাকে বেকসুর খালাস দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

গত ৬ জুন চিহ্নিত মানবতাবিরোধী অপরাধী জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের এই সদস্যকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে দেওয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

২০১৪ সালের ২ নভেম্বর মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের রায়ে মীর কাসেমের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ১৪টি অভিযোগের মধ্যে ১০টি প্রমাণিত হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় মীর কাসেম আলীর পক্ষে আপিল করেন জয়নুল আবেদীন তুহিন। মীর কাসেমের পক্ষে ১৮১টি যুক্তি দেখিয়ে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে এ আপিল করা হয়েছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: