সর্বশেষ আপডেট : ১১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মা গলা টিপে হত্যা করে মেয়েকে, অত:পর…..

full_1359420288_1472533757নিউজ ডেস্ক :: চার বছরের শিশুকন্যা সুখোমনি। তারই এক বছরের বড় ভাই ইয়াছিনের সঙ্গে খেলছিল। খেলার মধ্যে হঠাৎ লেগে যায় দুই ভাইবোনের ঠোকাঠুকি। দুই সন্তানের ঝগড়া থামাতে গিয়ে মা গলা টিপে হত্যা করেন তার গর্ভজাত কন্যাকে। পরে কন্যার লাশকে বাবা ধারালো কাস্তে দিয়ে গলাকেটে মস্তক ছিন্ন করে লাশ বস্তায় ভরে বাঁশ ঝাড়ে ফেলে দেয়।

এই পৈশাচিক ঘটনাটি ঘটে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বালাপাড়া গ্রামে গত বুধবার। সুখোমনির নিষ্ঠুর মায়ের নাম মতিজন বেগম (৫৫) আর পাষণ্ড বাবার নামা ইসান আলী (৬০)।

আদালতে নিহতের পাষণ্ড বাবা-মা পুরো ঘটনা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিমলা থানার এসআই শাহাবুদ্দিন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে জানান, গত ২৪ আগস্ট বুধবার মধ্য রাতে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বালাপাড়া গ্রামের গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন একটি বাঁশঝাড় হতে গলাকাটা ওই শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ইসছান আলী বাদী হয়ে ডিমলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশের সন্দেহের চোখ নিহত শিশুটির মা মতিজান বেগমের দিকে পড়ে।

এরপর থানা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মা মতিজান বেগম স্বীকার করেন যে, দুই সন্তানের ঝগড়া থামাতে গিয়ে তার হাতেই মৃত্যু হয়েছে সুখোমনির। পরে বাবা ইসান আলী জানান, এই হত্যাকাণ্ড ধাপাচাপা দিতে তিনি মৃত কন্যার গলা কেটে লাশ বাঁশঝাড়ে রেখে আসেন।

পাষণ্ড এই বাবা-মার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী আদালতে ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়।

নীলফামারীর চিফ জুটিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-১ এর বিচারক আকরাম হোসেনের আদালতে সন্তান হত্যার বিষয়ে মা মতিজান তার জবানবন্দীতে বলেছেন, ঘটনার দিন সকাল অনুমান ১১টায় দিকে পুত্র ইয়াছিন ও কন্যা ঝগড়া ও মারামারি করছিল। এ সময় তাদের থামাতে গিয়ে সুখোমনির গলা চেপে ধরলে শিশুটি তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যর কোলে ঢোলে পড়ে। শিশুর মৃত্যু হলে মতিজান ও তার স্বামী মৃত শিশুর লাশ কৌশলে গোয়াল ঘরে খড় দিয়ে ডেকে রাখে। সন্ধ্যার পর শিশুটির লাশ কাস্তে দিয়ে কেটে বস্তায় ভরে রাখে। রাত ৮টার দিকে বাড়ির ২০০ গজ দক্ষিণে গ্রামের আমিনুরের বাঁশঝাড় সংলগ্ন গর্তে ফেলে এসে স্বামী-স্ত্রী গোসল করে নেয়। এ সময় লাশ রাখা বস্তা ও কাস্তে পরিষ্কার করে রেখেছিল।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: