সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

১৬ কোটি মানুষ সচেতন হলে রিশার মত ঘটনা ঘটেই না: নিলা গোস্বামী

risha-550x309নিউজ ডেস্ক: যৌন হয়রানি ও ইভটিজিংয়ের ঘটনায় আগের ন্যায় এখনো পরিবারগুলো খুব একটা পদক্ষেপ নেয় না তবে কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে সবাই যদি সচেতন হতো তাহলে রিশার মত ঘটনা ঘটেই না। বর্তমানে যৌন হয়রানি ও ইভটিজিং এর ব্যাপকতা নিয়ে বিবিসি বাংলার এক সাক্ষাতকারে আইন ও শালিস কেন্দ্রের কর্মকর্তা নিলা গোস্বামী এসব কথা বলেন।

এসময় নিলা গোস্বামীর কাছ থেকে বিবিসি বাংলা জানতে চেয়ে প্রশ্ন করেন, আগে যৌন হয়রানি ও ইভটিজিংয়ের ঘটনা ঘটলে পরিবার প্রশাসনের সহযোগিতা নিতো না বা এগিয়ে আসতো না। সেটা কি এখনো আছে নাকি কোনো পরিবর্তন আসছে?
জবাবে তিনি জানান, মেয়েদের ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অভিভাবকরা। মান-মর্যাদার ভয়ে অভিভাবকরা বা মেয়েরা নিজেই বিষয়টা খুব প্রকাশ করতে চাই না বা বিষয়টা নিয়ে সামনে আর যায় না। তাই বলা যায় সেটা আছে তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে।

যৌন হয়রানি ও ইভটিজিংয়ের ঘটনা আমাদের দেশে থেমে থেমে হচ্ছেই। ২০১০ সালে এই বিষয় নিয়ে বড় আন্দোলন হয় এবং এর ফলে একটা আইনও তৈরি হয়। কিন্তু তারপরেও আমরা যদি লক্ষ্য করি তাহলে দেখা যাবে ২০১১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত এই ধরনের ঘটনা ঘটেই চলছে থেমে নাই।

২০১০ সালে এই বিষয়ে যে আইন হয়েছিল তার প্রোয়োগ কতটা? বিবিসি বাংলার এমন প্রশ্নে জবাবে নিলা গোস্বামী আরো জনান ঐ আইনের প্রয়োগ আমরা অনেক জায়গাতেই দেখি। কিন্তু আইনটি প্রয়োগ করতে হলে অভিযোগ আকারে অভিযোগটি আইন পর্যন্ত যেতে হবে। না গেলে এর প্রয়োগ হবে কি করে।

এ সময় তিনি রাজধানী ঢাকায় উত্ত্যক্তকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত স্কুল ছাত্রী রিশাকে উদাহরণ টেনে বলেন। এই যে ধরুণ রিশাকে উত্ত্যক্ত করার বিষয়টিই কি অভিযোগ আকারে প্রশাসন থেকে কোনো সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে কিনা সেটা আমি জানি না।
তবে আমি জানি যে রিশাকে মোবাই ফোনে বিরক্ত করা হতো। তাহলে প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল কি না? আর যদি জানিয়ে থাকে যে তাকে কে বিরক্ত করছে তাহলে আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা নিলাম না কেন? আর এটা যদি করা থাকতো তা হলে একটা ব্যাবস্থা নেওয়া হতো। কিন্তু দেখা যায় আমরা প্রসাশনকে ব্যবস্থা নেয়ার মতো অভিযোগ করছি না। অভিযোগটা সঠিক জায়গায় পড়লে না বুঝা যেতো আইনটা কতোটুকু কার্যকর হচ্ছে।

এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আমাদের কোন দিকে নজর দেয়া প্রেয়োজন? জবাবে তিনি বলেন, যা কিছুই হোক না কেনো আমার মতে প্রতিটা ঘটনায় আমদের প্রতিবাত করা দরকার। তাহলে আমার মনে হয় আমরা একটু সচেতন হবো। সূত্র: বিবিসি বাংলা

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: