সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘চোখাচোখির কারণে কেউ গর্ভধারণ করে না’

529108_310388439088414_1895624497_n-550x324নিউজ ডেস্ক : ‘চোখাচোখির কারণে কেউ গর্ভধারণ করে না’ কেরালার একজন নারী শিক্ষিকা ভেনাজা বাসুদেবের এই কমেন্ট নিয়ে আলোচনা এখন ভারত ছাড়িয়ে বিশ্বময়। বাসুদেব এই কথা বলেন কেরালার একজন কমিশনারের একটি কথার জের ধরে।
কিছুদিন আগে কেরালার এক আবগরি শুল্ক বিষয়ক কমিশনার ঋষিরাজ সিং তার বক্তৃতায় বলেছিলেন কোনও লোক যদি কোনও মেয়ের দিকে ১৪ সেকন্ডের বেশি তাকায় তাহলে তাকে নারী নির্যাতনের সাজা দেওয়া হবে।

কমিশনার ঋষিরাজ সিংয়ের এই বক্তব্য অনলাইনে বেশি বিনোদনের খোরাক হয়েছে। এটি নিয়ে ভিডিও তৈরি করেছে দ্য নিউজ মিনিট।
অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন ঋষিরাজ বক্তৃতা দেওয়ার সময় কি ১৪ সেকেন্ড কারও দিকে তাকাননি?
যাহোক, বাসুদেবের মলয়ালম ভাষায় লেখা স্ট্যাটাসের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করে বিবিসি। বাসুদেব স্ট্যাটাসে লিখেন, “সত্যি বলতে, যদি আমার পাস দিয়ে কোনও সুদর্শন ছেলে চলে যায় আমি তার দিকে তাকাই। সে মন্দির, চার্চের অনুষ্ঠান, বাস স্টপ, মাছ কিনতে বাজারে যাওয়ার সময় বা অফিসে যাওয়ার সময় হোক না কেন। আমি খুব ভালোভাবেই তাকাই।”
বাসুদেব মনে করেন শুধু পুরুষের জন্য এই আইন করা এক প্রকারের ভণ্ডামি বৈ আর কিছু হবে না। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন এই আইন কিভাবে প্রয়োগ করা হবে?

তিনি লিখেন, “যেসব ভাই (লোক) আমার দিকে তাকায় আমি কিভাবে তাদের বলবো যে তোমার ১৩.৫৯ সেকেন্ড পরে তাকানো থামাতে হবে। আজকের মতো কোটা শেষ!”
তিনি আরও লিখেন, “অন্যরা কী ভাবছেন আমি জানিনা তবে আমার মতে এটা কোনও অবস্থাতেই নির্যাতনের পর্যায়ে পড়ে না। এটা নিছক মজার। চোখাচোখির কারণে কেউ গর্ভবতী হয় না।”
তবে তার লেখাটি সবাই ভালোভাবে নেয়নি। অনেকেই কমেন্টে তাকে ‘সুপার্ব’ ‘ট্রু-স্টোরি’ বলে বাহবা দিলেও অন্যরা তাকে গালাগাল করতে ছাড়েনি।

সমালোচকদের একজন তাকে পুকুরের ব্যাঙের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, বাসুদেবের বহির্বিশ্ব সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই।
পৃথা নায়ার নামে এক নারী মনে করেন, বাসুদেবের কল্পনা খুবই সরল। তিনি মনে করেন চোখে তাকিয়ে থাকে অনেক সমস্যার শুরুর পর্যায়। এর মাধ্যমেই মূল সমস্যার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এর মধ্যে কিছু কিছু সমালোচক পোস্টে কমেন্ট না করে বাসুদেবকে ইনবক্সে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা শুরু করেছে। তবে বাসুদেব বলেন, কমিশনারকে ব্যাঙ্গ করা আমার লক্ষ্য ছিলো না। আমি একটি কৌতুকপূর্ণ যুক্তি দাঁড় করাতে চেয়েছি।
বাসুদেব নিজের যুক্তিকে পরিষ্কার করতে এর পর আরেকটি পোস্ট দেন। যা সোস্যাল মিডিয়ায় তিন হাজার বার শেয়ার হয়।
যেখানে তিনি লিখেন, আমি লিখেছি আমি সুদর্শন ছেলেদের ভালোভাবে দেখি। তার মনে এই নয় যে তুমি আমাকে যেখানে ডাকবে আমি সেখানে আসবো আর আমার কাপড় খুলে দিবো। আমি এমন একজন মায়ের সন্তান যিনি অতি দারিদ্র্যতা সত্ত্বেও সারাজীবন সম্মানের সঙ্গে কাটিয়েছেন। অনেক পরিশ্রম করে আমিও স্বাবলম্বি।
তোমাদের বাজে কথা আমার কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। সাহস থাকে তো কমেন্টে বলো। ইনবক্সে বলো না।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: