সর্বশেষ আপডেট : ৫৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মোদি রাত ১০ টায় যখন আইএএস অফিসারকে ফোন করলেন

unnamed-91-550x371আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ত্রিপুরাকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করা ন্যাশানাল হাইওয়ে- ২০৮ এ দু মাস ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে ছিল। এই রাস্তা দিয়ে দরকারি জিনিস পত্র সাপ্লাইও হতে পারছিল না। এই সব কিছু নিয়ে চিন্তিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাস্তাটির একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত ছিল। কিন্তু এই মাসের শুরুতেই খবর আসে যে এই ন্যাশানাল হাইওয়ের রাস্তা সারাইয়ের কাজ খুব তাড়াতাড়ি হওয়ায় দরকারি জিনিসপত্রের আমদানি শুরু হয়ে গেছে।

তবে এত তাড়াতাড়ি এই জরুরি কাজটি কিভাবে করা সম্ভব হল তা স্যোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হচ্ছে। একটি পোস্টে বলা হয়েছে এই রাস্তা ঠিক করা অর্থাৎ সম্পূর্ণ ভারতের সঙ্গে ত্রিপুরাকে জোড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে ব্যক্তিগত ভাবে হস্তক্ষেপ করেছেন।
স্যোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া পোস্টটিতে লেখা হয়েছে ২১ জুলাই রাতে এক আইএএস অফসারের কাছে ১০ টার সময় মোদির ফোন আসে। সিকিম মনিপল ইউনিভার্সিটির একটি ছাত্র পুষ্পক চক্রবর্তী এই পোস্টটি লিখেছিলেন। তিনি এই পোস্টটি করেন কোরা ওয়েবসাইটে। চক্রবর্তীর এই পোস্টটি এখনও পর্যন্ত ২৮,০০০০ বার দেখা হয়েছে।

তিনি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘এক আইএএস অফিসার যিনি আমার বাবার সঙ্গে খুবই ঘনিষ্ঠ, তিনি এখন ত্রিপুরা উত্তরে পোস্টিংয়ে আছেন। তাঁর কাছে ২১ জুলাই রাত ১০ টায় একটি ফোন আসে। এত রাতে ফোন আসায় তিনি খুবই অবাক ছিলেন। উল্টো দিক থেকে এক যুবক বলেন, এত রাতে ফোন করার জন্য দুঃখিত, আপনি কি একটু ফ্রি আছেন? তাহলে আপনার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা বলতে চান। সেই সময় তাঁর মাথা আর কোনো কাজ করছিল না। পা কাঁপছিল। তিনি খুবই আস্তে ভয় পেয়ে হ্যাঁ বলেন। এর কিছুক্ষন পর একটা বিপের পর কলটি ট্রান্সফার করা হয়। আর উল্টোদিকে স্ইে সময় মোদি।’

পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘মোদি এত রাতে ফোন করার জন্য ক্ষমা চান। তারপর বলেন, আমি এক্ষুনি নিতিন গড়কড়ির সঙ্গে বৈঠক করলাম। ন্যাশানাল হাইওয়ে ঠিক করার জন্য আপনার সাহায্য চাই। তিনি বলেন তাঁর সরকার আসাম এবং ত্রিপুরার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। রাস্তা ঠিক করার জন্য আপনাদের যা দরকার ভারত সরকার তাই দেবে। এই আইএস অফিসার সারা রাত ঘুমাতেই পারেননি। তাঁর কানে মোদির শব্দ যেন বেজেই চলেছিল। পরের দিনই হাইওয়ে সারাতে লোক চলে আসে।
আগামী দিন যখন আইএস অফিসার অফিস পৌঁছান সেই সময় সেখানে আসাম সরকার এবং ত্রিপুরা সরকার তাঁর অনুমতির অপেক্ষা করছিল। দরকারি ফান্ড দিয়ে দেবার পরে নিজের স্টাফদের সঙ্গে তিনি হাইওয়ে পৌঁছান। এখানে তাঁ জন্য ৬ জন জিসিবি অপেক্ষা করছিলেন। এরা আসাম সরকারের তরফ থেকে ছিলেন।

পোস্টে আরও লেখা হয়েছে, ‘আগামী ৪ দিনে ৩০০র বেশি ট্রাক সামগ্রির সঙ্গে পৌঁছায়। স্থানীয় কর্মচারীদের সঙ্গে ত্রিপুরা এবং আসামের নির্মান বিভাগের আধিকারিকরাও সেখানে ছিলেন। ’
তবে, এই পোস্টের ব্যপারে সরকারের তরফ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: