সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তামিমের দুই সহযোগীর পরিচয় পাওয়া গেছে

tamim & hi+++ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযানে নিহত তামিম চৌধুরীর সহযোগীদের পরিচয় মিলেছে। তাদের একজন যশোরের ফজলে রাব্বী ও অপরজন ঢাকার ধানমন্ডির বাসিন্দা তাওসিফ হোসেন।

যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান বিবিসিকে বলেছেন, নিহত একজনের নাম ফজলে রাব্বী। প্রাথমিকভাবে রাব্বীর ঠিকানার সঙ্গে নিহত ব্যক্তির মিল রয়েছে বলে জানান তিনি।

ঢাকার কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটি) প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ফজলে রাব্বীর পকেটে একটি জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। সেই পরিচয়পত্র দেখেই তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। আর অপর জঙ্গি তাওসিফের বিষয়ে ‘কিছুটা’ নিশ্চিত হলেও শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

এদিকে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত লাশের ছবি দেখে ফজলে রাব্বীর পরিচয় নিশ্চিত করেছেন পরিবারের সদস্যরা। তার বাড়ী যশোরের কোতয়ালী থানার কিছমত নওয়াপাড়ায়।

ফজলে রাব্বীর পিতা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজী হাবিবুল্লাহ রোববার গণমাধ্যমকে জানান, যশোর মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজের পদার্থ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল কাজী ফজলে রাব্বি। সেই কলেজের ভর্তি বাতিল করে সকল কাগজপত্র উঠিয়ে নিয়ে গত ৫ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ হয় সে। এরপর দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তার আর সন্ধান মেলেনি।

তিনি বলেন, তিন ছেলে মেয়ের মধ্যে রাব্বী একমাত্র ছেলে। মেধাবী ছেলে কিভাবে জঙ্গি হলো আমরা বুঝতে পারিনি। নিখোঁজের পর থানায় জিডি করেছিলাম। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নিশ্চিত হয়েছি রাব্বী মারা গেছে। আমার ছেলেকে যারা জঙ্গি বানিয়েছে তাদের বিচার চাই।

উল্লেখ্য, যশোর পুলিশের সন্দেহভাজন জঙ্গির তালিকায় রাব্বীর নাম ছিল।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, নিহত অপর জঙ্গির নাম তাওসিফ হোসেন। তিনি ঢাকার ধানমন্ডির ১৫ নম্বর (নতুন) সড়কের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ডা. আজমল হোসেন। র‌্যাবের দেওয়া সর্বশেষ নিখোঁজ তালিকায় তাওসিফের নাম ৭ নম্বরে ছিল। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ হন তাওসিফ। এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানায় ওই দিনই একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ১৪৩) দায়ের করা হয়েছিল। ম্যাপেল লিফ নামে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল থেকে ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেল সম্পন্ন করা তাওসিফ মালোশিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিল।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তাওসিফের বিষয়ে তারা ৯৫ ভাগ নিশ্চিত হয়েছেন।

অভিযানের পরপরই পুলিশের পক্ষ থেকে নিহত তামিম আহমেদ চৌধুরীর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। নিউ জেএমবির এই শীর্ষ নেতা গুলশান ও শোলাকিয়ার হামলার মূল পরিকল্পনাকারী বলে পুলিশের দাবি। তাকে ধরতে এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।

এর আগে শনিবার দুপুরে নিহত দুজনকে মানিক ও ইকবাল বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেছিল পুলিশ। পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি, জঙ্গিদের একাধিক সাংগঠনিক নাম রয়েছে। মানিক ও ইকবাল এদের সাংগঠনিক নাম ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: