সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বয়স ১৪৫ বছর, এখন তিনি মারা যেতে চান

25022008029-67চিত্রবিচিত্র ডেস্ক ::
জীবন এত ছোট কেন এই ভুবনে- এ বলে যখন সাহিত্যিকরা আফসোস করছেন ঠিক তখনই পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘায়ু ব্যক্তি ১৪৫ বছরের এক ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক জানিয়েছেন তিনি আর বাঁচতে চান না।

যুক্তরাজ্যের সংবাদ মাধ্যম টেলিগ্রাফ শনিবারের এক প্রতিবেদনে বিশ্বের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বয়সে জীবিত এক ব্যক্তির কথা তুলে ধরেছে। মাবা গথো নামের এই ব্যক্তির বাস করে ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় জাবার স্রাগেনে।

গথোর জন্ম ১৮৭০ সালের ৩১সে ডিসেম্বর । তার সাথে থাকা পরিচয় পত্র থেকে তার বয়স নিশ্চিত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই জন্ম তারিখের সত্যতাও নিশ্চিত করেছেন।

90933949_mediaitem909339484খবরের সত্যতার ভিত্তিতে গথোই পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী মানুষ। কিন্তু ১৪৫ বছরের এই ব্যক্তি বলছেন, অনেক আগে থেকেই তার বেঁচে থাকার ইচ্ছা শেষ হয়ে গিয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমি এখন শুধু মারা যেতে চাই। এমনকি আমার নাতি নাতনীরা ও এখন স্বাধীন এবং উপর্যনক্ষম।

প্রসঙ্গত, গথোর কোন ভাই বোন আর বেঁচে নেই। ১০ ভাই বোনই মারা গেছেন। এমনকি চার স্ত্রী এবং তাঁর সন্তানরাও বেঁচে নেই। তাঁর আশে পাশে এখন বসবাস করে তাঁর নাতি নাতনী, পুতি এবং পুতিদের সন্তানরা।

১৪৫ বছর বয়সতাঁর এক নাতি জানান, ১২২ বছর যখন গথো পূর্ণ করলেন তখন থেকেই তিনি তাঁর মৃত্যু চান। এমনকি মারা যাওয়ার পর তাঁর কবর কোথায় হবে সেটি ২৪ বছর আগেই তিনি কিনে রেখেছেন।

পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায়, তিনি দিনের অধিকাংশ সময়ই বসে থাকেন অথবা রেডিও শুনে থাকেন। চোখের দৃষ্টি শক্তি ক্ষীণ হওয়ায় তিনি টেলিভিশন দেখতে পারেন না।

শরীরের শক্তি কমে যাওয়ায় গত তিন মাস থেকে তাকে চামচ দিয়ে খাওয়ানো হয় এবং গোসলও তাকে অন্য কেউ করিয়ে দেয়।

টেলিগ্রাফ তাঁর কাছে দীর্ঘ জীবনের রহস্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ধৈর্যই আমাকে এই পথ পাড়ি দিতে সাহায্য করেছে।

দেশটির জন্ম নিবন্ধনের অফিস স্থানীয় পরিচয় পত্রকে সত্য বলে নিশ্চিত করলেও গিনেস রেকর্ড এখনো বয়স নিশ্চিত করেনি দেখে গথোর নাম গিনেস বুকে উঠে নি।

হয়তো গথো মারা যাবেন খুব দ্রুত। কিন্তু গথোর মারা যাওয়ার এই আকাঙ্ক্ষা আমাদের একটা ধারনাই দেয়। হয়তো দীর্ঘ জীবনে এক সময় ক্লান্তিই চলে আসে। তবুও মানুষ ভাবে অমরত্ব পেলে জীবন সার্থক হতো।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: