সর্বশেষ আপডেট : ১৩ মিনিট ২০ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তাহিরপুরে বিদ্যুৎতের ভেলকিবাজিঁতে অতিষ্ট জনগন

14883তাহিরপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ জেলার ভাটির জনপদ তাহিরপুর উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নের সাড়ে তিন লাখ জনসাধারন প্রচন্ড তাপদাহে আর বিদ্যুতের ভেলকিবাজিঁতে অতিষ্ট। জাতীয় গ্রীড থেকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা সত্বেও কেন এত ভেলকিবাজি কোন উত্তর খোঁজে পাচ্ছে না কেউ। উপজেলায় তাপমাত্রা গত তিন ধরে ৩৬ডিগ্রি ছিল,আজ ৩২ডিগ্রি তাপমাত্রা বিরাজ করছে। এর মধ্যে আবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৫-২০বার বিদ্যুৎতের সাথে গ্রাহকদের সাথে চলে বিদ্যুৎতের চোর-পুলিশ খেলা। বিপনী-বিতান গুলোতে বিদ্যুৎ না থাকায় বেচা-কেনা করতে পারছে না দোকানীরা।

আর ক্রেতারাও আসছেন না বাজারের দিকে প্রচন্ড গরমের কারনে। ব্যাহত হচ্ছে অফিস,আদালতের সরকারী কার্যক্রম,ব্যবসা বানিজ্য,লেখাপড়া ও চিকিৎসা সেবা। এই পরিস্থিতিতে শিশু,বৃদ্ব জটিল রোগীদের চরম ভোগান্তিতে পরছেন ও গামচি,চর্ম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে অনেকেই। বিদ্যুৎতের চোর-পুলিশ খেলায় কারনে স্কুল,কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রচন্ড গরমে ক্লাসে আর সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকার কারনে পড়াশুনা করতে পারছে না। উপজেলায় একবার বিদ্যুৎ গেলে ৪-৫ঘন্টার আগে ফিরে আসার চিহ্ন নেই। এছাড়াও প্রায়ই সারা দিনেই বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে প্রচন্ড গরম আর বিদ্যুৎতের ঘন্টার পর ঘন্টার লোডশেডিংয়ের কবলে উপজেলার সাড়ে ৬হাজারের অধিক বিদ্যুৎ গ্রাহক অতিষ্ট।

তাহিরপুর উপজেলা সদরের ব্যবসায়ী সাদেক আলী,এরশাদ মিয়া,বিশ্বজিৎ রায়,বাদাঘাট বাজারের ব্যবসায়ী ইউসুফ আল মামুন,টেইলার বাবুল মিয়া সহ অনেকেই জানান-এখন ঈদের বাজার চলছে এখন যদি বিদ্যুৎ না থাকে আমাদের ব্যবসা লাটে উঠবে। এক বার গেলে ২-৩ঘন্টা এমন কি সারাদিন পার হয়ে যায় তার পরও বিদ্যুৎ আসার কোন চিহ্ন নেই। বিদ্যুৎ না থাকার কারনে বেচাকেনা করতে গরমে অস্থির থাকতে হয়। বিদ্যুৎ সেত এখন অমাবর্ষার চাঁদ হয়ে গেছে। বিভিন্ন স্কুল,কলেজের শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রীরা,বিদ্যুৎ গ্রাহক ও অভিভাবক গন ক্ষুবের সাথে জানান,বিদ্যুৎতের এই লুকোচুরির খেলা সকাল থেকে সারাদিন চলে যার ফলে গরমে প্রচন্ড অস্থিও থাকতে হয়। আর সন্ধ্যায় গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীরা যখন পড়াশুনার টেবিলে বসে তখনেই বিদ্যুৎ চলে যায় এতে করে ছেলে,মেয়েদের পড়াশুনা চরম ব্যাগাত গঠছে। সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে যানাযায়-সুনামগঞ্জ জেলার ৮০হাজারের অধিক পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে। গ্রাহকদের জন্য ২২মেগাওয়াট বিদ্যুৎতের প্রয়োজন জাতীয় গ্রীড থেকে তা পাওয়া যাচ্ছে তার পরও যে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে তা পরিবেশ,পরিস্থিতি ও লাইনে কাজ করার জন্য একটু সমস্যা হচ্ছে।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল জানান-গত কয়েক দিন ধরেই প্রচন্ড গরমে জনজীবন অস্থির হাওর বাসীর। জনগনের সস্থির কথা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা প্রয়োজন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: