সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিরিয়ায় দু’বছর স্থায়ী হতে পারে তুরস্কের অভিযান

full_751535507_1472272382আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ‘অপারেশন ইউফ্রেটিস শিল্ড’ নামে সিরিয়ায় স্থল অভিযান শুরু করেছে তুরস্ক। বৃহস্পতিবার দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী দুই বছর সিরিয়ায় এই অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে তুরস্ক। তা বাস্তবায়নে আটঘাট বেঁধেই গত সপ্তাহে বিশাল ট্যাংক বহর নিয়ে সিরিয়ায় ঢুকে পড়ে তুর্কি সেনারা।

বুধবারে শুরু হওয়া অভিযানের প্রথম এক ঘণ্টায় ইসলামিক স্টেটসের (আইএস) অন্তত ৮০টি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা।

তুর্কি কর্তৃপক্ষ জানায়, তুরস্কের সাঁজোয়া যান এবং বিমান বাহিনী একযোগে হামলা চালাচ্ছে দেশটির সীমান্তবর্তী সিরিয়ার আইএস অধ্যুষিত শহরে।

তবে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের জারাবলুস শহরটি তিনবছর ধরে নিয়ন্ত্রণ করছে আইএস।। খাদ্য, অস্ত্র এবং রসদ সরবরাহের জন্য শহরটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাদের চূড়ান্তভাবে দমন এবং কুর্দি বাহিনীকে থামানোর জন্য এবার সরাসরি অভিযানে নেমেছে তুরস্ক।

২০১১ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে অস্থির হয়ে ওঠে সিরিয়া। এরপর জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান এবং বিদেশী শক্তিরা জড়িয়ে পড়ে সেখানে। ইতিমধ্যে ২ লাখ ৯০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সিরিয়ার বহুমুখী যুদ্ধে। এতদিন এ ব্যাপারে রাজনৈতিক অবস্থান বজায় রাখলেও এবার সরাসরি যুদ্ধে নেমেছে তুরস্ক।

সিএনএন জানায়, ধারাবাহিকভাবে আত্মঘাতী হামলার শিকার হওয়ার পর আইএস দমনে সক্রিয় হয়েছে তুর্কি সরকার। ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর, গাজিয়ানতেপ ও কারকামিস শহরে হামলার জন্য আইএসকে দায়ী করেছে তুরস্ক। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে জঙ্গিদের অবস্থান দুর্বল হওয়ার সঙ্গে সেখানে শক্তিশালী অবস্থান নিচ্ছে কুর্দি মিলিশিয়ারা। এটাও তুর্কি সরকারের জন্য ভাবনার কারণ।

এ অভিযানের পেছনে অনেকগুলো উদ্দেশ্য আছে তুরস্কের। প্রথমত ওই এলাকা থেকে আইএস দূরীকরণ, অনুপ্রবেশ রোধ ও সীমান্তকে জঙ্গি হুমকি থেকে উদ্ধার করা। এর বাইরে সীমান্ত সংলগ্ন সিরিয়ার ওই অঞ্চলটিকে তুর্কি প্রভাব বলয়ের মধ্যে রাখতে চায় তারা।

আইএসমুক্ত করা সম্ভব হলে অঞ্চলটিকে সিরিয়ার বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে দেখতে চায় তারা। কারণ সিরিয়ার ৩৫ শতাংশ এলাকায় সরকারে নিয়ন্ত্রণ থাকলেও, ৩৫ শতাংশ এলাকায় এখনো আইএসের আধিপত্য। সে হিসেবে এটি একটি বিশাল অঞ্চল। তবে কুর্দিরাও আছে ১৮ শতাংশ এলাকাজুড়ে। অন্যদিকে ১২ শতাংশ অঞ্চল অন্যান্য গ্রুপের অধীনে। বিশাল অঞ্চলের ওপর প্রভাব বিস্তারই মূল উদ্দেশ্য এখানে।

সিরিয়ায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে কাধে কাধ মিলিয়ে লড়ছে তুর্কি বাহিনী। বিমান হামলায় যৌথ বাহিনীকে পরিপূর্ণ সমর্থন দেয়া হচ্ছে- এমনটাই দাবি করেছে তুরস্ক। তবে রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের আকস্মিক সম্পর্কোন্নয়নে মার্কিনিরা কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে। এদিকে তুরস্ককে সাহায্য না করার জন্য মার্কিন সমর্থিত সিরিয়ার কুর্দিদের প্রতিও বার্তা দিয়েছে আমেরিকা। তবে কুর্দি মিলিশিয়াকে সন্ত্রাসী বাহিনী মনে করে তুর্কিরা। রাশিয়াকেও নিজেদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিয়েছে তারা।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: