সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাড়ছে মনের অসুখ

biye-3নিউজ ডেস্ক: সারা জীবন একসাথে পথচলার অঙ্গিকার নিয়ে শুরু হয় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। নাগরিক জীবনের অস্থিরতায় এ সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাড়ছে টেনশন,ফ্রাস্টেশন ও ডিপ্রেশনের মতো মনের অসুখ।
তবে সমস্যায় অল্পতে যদি কাউন্সিলিং শুরু করা যায় তাহলে হয়তো এড়ানো সম্ভব অনেক অনাকাঙ্খিত ঘটনা।
রঙ্গিন স্বপ্নের বুননে শুরু হয় এই জীবনের পথ চলা। কিন্তু যে রঙ্গিণ স্বপ্ন নিয়ে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয় সে বন্ধনে ইদানিং যেন খুব অল্পতেই দেখা দেয় হতাশা, বিষন্নতা, মনের কোণে ক্ষোবের ভর। অনেক ক্ষেত্রে পাওয়া যাচ্ছে প্রিয় মানুষটিকে হত্যার মতো দুঃসংবাদও।

বলা যায় নাগরিক জীবনের ব্যবস্ততায় স্বামীর স্ত্রীর সম্পর্ককে খুঁড়ে খঁড়ে খাচ্ছে। ব্যবস্তায় শেয়ারিং কমে যায় বাড়ছে দূরত্ব নিজ ঘরের চার দেয়ালেই। কেউ বলছে বিশ্বাসের জায়গা কমে গেছে কেউবা আবার বলছে সহনশীলতার মাত্রা কমে গেছে এই সম্পর্কে তাই এই টানাপোড়েন।
অনেকে বলছে মন খুলে কথা বলে দিন শেষে এক কাপ চা খেলেও কমবে এই টানাপোড়েন। তা না হলে এই সম্পর্কে আরো বাড়বে ছন্দপতন।

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট মো.জহির উদ্দিন এ বিষয়ে যমুনা টিভিতে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন , প্রত্যাশার ঘাটতির কারণে এর প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই প্রত্যাশা পূরণে কিভাবে ছাড় দিতে হয় এই ব্যপারগুলি একটা কাউন্সিলের মাধ্যমে আয়ত্ত করা সম্ভব। আর এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় ফ্যামিলি থেরাপি। এ অবস্থায় ফ্যামিলি থেরাপি গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আমাদের সময় ডটকম র্কমীর কাছে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বাংলাদেশ গার্হস্থ অর্থনীতি কলেজের মনোবিজ্ঞানের শিক্ষিকা তাবাসুম জানান, সম্পর্কের এই টানাপোড়েনে নির্দিষ্ট করে কারণ বলাটা মুশকিল। অনেকগুলো কারণ আছে। একেক জনের কারণ একেক রকম। তবে মূল বিষয় মূল্যবোধ। অর্থনৈতিক কারণ মূখ্য ভূমিকা রাখছে।
দম্পত্তিদের কেউ কেউ জানান, আজকাল সবার-ই অহমিকার দিকটা খুব বেশি। কেউ কারো কাছে ছোট হতে চায় না। বিশেষ করে শিক্ষিত ও শহরের দাম্পত্য জীবনে এই প্রবণতাটা বেশি।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তারা বলেন, যেমন ধরেন দুজন দুজনের মতো থাকে। স্বামী বাইরে গিয়ে খাবার খাচ্ছে স্ত্রী খোঁজ নিচ্ছে না। আবার স্ত্রী নিজের মতো বেরিয়ে যাচ্ছে স্বামী খোঁজ নিচ্ছে না। কারণ স্ত্রী চাকরী করে স্বামীও চাকরী করে কেউ কারো চেয়ে কম না। এখন আবার দেখা যায় দুজন চাকরি করলেও কে কতো সেলারি পাচ্ছে তারা তাও জানেনা । কারণ এটা জিজ্ঞেস করা লজ্জা॥ হ্যাঁ তা লজ্জার স্বীকার করি। তবে স্থান কাল পাত্র বেধে স্বামীর কাছে স্ত্রীর বা স্ত্রীর কাছে স্বামীর বলাটা লজ্জার না। এমনই অনেক কারণ এই সম্পর্ককে ছন্দপতন করছে বলেই তারা মনে করেন।
নির্দিষ্ট কোনো গবেষণায় এর ফলাফল দেখানো হলে সহজেই চোখ কপালে উঠবে। দেখা যাবে কতো দম্পতি জোর করে ভালো থাকার চেষ্টা করে । কতোজন ভালো আছে। আর কতোজনই বা ঝড়ে পড়ে । এখন আর সংসার হয় না সংসার নামের সং-ই সাজিয়ে রাখা হয় কারো কারো জীবনে।
একটি শরীরের অংশ যেমন হাত, পা চোখসহ বিভিন্ন অঙ্গ পতঙ্গ তেমনি একটি জীবনের অংশ পারিপাশ্বিক অবস্থা, সার্ভিস, খানাপিনা, বিয়েরমতো অনেক দিক। আর জীবনের অংশ হিসেবে একেকটি পাঠ যতো সুন্দর জীবন ততো সুখময়।
তাই জোর করে ভালো থাকার কৃত্রিম প্রতিযোগিতা নয় বরং বিয়ে নামের প্রতিষ্ঠানকে বাধতে হবে বন্ধুত্বের বন্ধনে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: