সর্বশেষ আপডেট : ১০ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘ফেসবুক, টুইটার,গুগল সন্ত্রাসী নিয়োগের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে ’

terroismতথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির সংসদ সদস্য কেইথ ভেজ বলেছেন, ফেসবুক ও টুইটার ও গুগল সন্ত্রাসীদের নিয়োগ মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। এই সামাজিক মাধ্যমগুলোর কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে সন্ত্রাসীদের তাদের ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে বাধা দেয় না কারণ তারা বিশ্বাস করে এতে তাদের ব্র্যান্ডের ক্ষতি হতে পারে। বৃহস্পতিবার সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী প্যানেলে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ব্রিটিশ সাংসদ সর্তক করে বলেন, সন্ত্রাসী কার্যক্রমের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো অন্যতম উৎস। গুগল, ফেসবুক এবং টুইটারে অনেক বেশি যোগাযোগ হয়। এখানে বিলিয়ন ডলার আয় হয়। কিন্তু এই কোম্পানিগুলো বিলিয়ন বিলিয়ন অ্যাকাউন্টের জন্য তারা স্বল্প সংখ্যাক কর্মী নিয়োগ করে থাকে। তারা সচেতনভাবেই এই হুমকি মোকাবেলা করতে ব্যর্থ এবং তারা ইচ্ছাকৃতভাবেই সন্ত্রাসবাদের অবস্থান গোপন করে। যদিও তারা জানে যে, তাদের সাইট সন্ত্রাসী কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় জানায়, গুগল, ফেসবুক এবং টুইটার সন্ত্রাসী নিয়োগের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ব্রিটিশ পুলিশের অনুরোধ সত্ত্বেও টুইটার এবং ইউটিউব আনজেম চৌধুরির পোস্ট মুছে দেয়ার কথা প্রত্যাখান করেছে। এই ঘৃণ্য লোকটি আইএসকে সমর্থন করে।
কোম্পনিগুলো দায়িত্বের অজুহাত দেখিয়ে সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কিত তথ্য দিতে এড়িয়ে যায় কেননা যদি তাদের ব্র্যান্ডের বাজার কমে যায়। যদি তারা ক্রমাগত এই দায়িত্বে ব্যর্থতা দেখায় এবং তাদের ব্র্যান্ড কে ‘উইল্ড ওয়েস্ট ( মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চল একসময় আইনের অভাবে অরাজকতা এবং সহিংসতায় পরিণত হয়েছিল) এ পরিণত করতে থাকে। এতে একসময় তাদেরই ক্ষতি হবে।
সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, টুইটারেও চরমপন্থী গোষ্ঠিগুলোর ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা-রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কোন প্রতিবেদন নেই। এই সর্তক সংকেত সবার জন্য, যারা বিলিয়ন-বিলিয়ন অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণের জন্য মাত্র কয়েকশ কর্মী নিয়োগ দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন্টারনেট কোম্পনিগুলোকে অনতিবিলম্বে ব্রিটেনের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী পুলিশের সাথে

যোগাযোগ করতে হবে এবং চরমপন্থা ছড়ানো অ্যাকাউন্টগুলো বাতিল করতে হবে। তাদের ত্রৈমাসিক পরিসংখ্যান প্রদান করতে হবে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বেন ওয়ালেস বলেন, ওয়েবসাইটগুলোকে অবশ্যই তাদের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অবস্থান দেখাতে হবে। চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াই করা শুধু সরকারের কাজ নয় সবাইকে এই ভূমিকা নিতে হবে। আমরা ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর সাথে এই বিষয়ে কাজ করছি। শুধুমাত্র ব্রিটেনে নয় সারা বিশ্বে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

যদিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো সন্ত্রাসবাদের বিপক্ষে তাদের অবস্থানের কথা দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করে। টুইটার জানায়, গত সপ্তাহে এটি ২ লাখ ৩৫ হাজার অ্যাকাউন্ট সন্ত্রাসবাদকে উস্কে দেয়ার অভিযোগে বন্ধ করেছে। ব্রিটেনের ফেসবুকের নির্বাহি সাইমন মিলনার বলেন, সন্ত্রাসবাদ এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে ফেসবুক কখোনোই সহায়তা করে না এবং আমরা সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কিত যে কোন বিষয় অতি দ্রুত মুছে ফেলার চেষ্টা করি।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: