সর্বশেষ আপডেট : ১৮ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সৌরজগতের সামান্য বাইরের এই গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে

Mujta-Habitable-Planetনিউজ ডেস্ক: আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে কাছে অবস্থানরত একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণরত প্রায় পৃথিবীর মতো আকারের একটি গ্রহ সম্ভবত বসবাসযোগ্য। নেচার পত্রিকায় বুধবার দেয়া এক আবিষ্কারের বিবরণীতে বিজ্ঞানীরা এমনটাই বলেছেন।
নতুন আবিষ্কার করা গ্রহটি পৃথিবী থেকে মাত্র ৪.২৫ আলোকবর্ষ অর্থাৎ প্রায় ২৫ ট্রিলিয়ন মাইল দূরে অবস্থানরত একটি লাল বামন নক্ষত্র ‘প্রক্সিমা সেন্টরি’কে প্রদক্ষিণ করছে। এই নক্ষত্রটি এতটাই অনুজ্জ্বল যে, খালি চোখে প্রায় দেখাই যায় না। তাছাড়া এটি ‘আলফা

সেন্টরি এ’ ও ‘বি’ নামে দুটি উজ্জ্বলতর ও বেশি পরিচিত তারকা জুটির কাছাকাছি অবস্থান করছে।
‘প্রক্সিমা বি’ নামের গ্রহটি যখন তার উপগ্রহের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে তখন সেই উপগ্রহে কীভাবে কম্পন সৃষ্টি হয় তা থেকেই গবেষকরা গ্রহটিকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন। গ্রহটি সম্পর্কে যা কিছু জানা গেছে তা হলো, এটি পৃথিবরি চেয়ে কিছুটা বড় এবং সেটি মাত্র ১১ দিনে একবার তার নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে। নক্ষত্রটি অনুজ্জ্বল হওয়ার এর তাপমাত্রা এমন স্বল্পমাত্রার হতে পারে যাতে করে সেখানে পানি থাকলে তা তরল আকারে থাকতে পারে।

ওই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন লন্ডনের কুইন ম্যারি ইউনিভার্সিটির গুইলেম অ্যাঙ্গলাডা এস্কুড। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি গ্রহ সম্পর্কে কথা বলছি যেটিতে পৃথিবীর অনুরূপ উপাদান বিদ্যমান রয়েছে।

পৃথিবীর সঙ্গে কিছুটা সাদৃশ্য থাকার পরও আপনি যদি ওই গ্রহটিতে গিয়ে দাঁড়ান তাহলে সেটিকে অনেকটাই ভিন্নগ্রহের অবস্থানের মতোই মনে হবে। কারণ এই গ্রহের শুধু একপাশই তার নক্ষত্রের দিকে মুখ করে থাকে। গ্রহটির পৃষ্ঠ থেকে ওপর দিকে দেখলে এর নক্ষত্রটিকে মনে হবে আকাশে স্থির হয়ে আছে। আর সেটির আকাশকে এমনই কমলা রঙের দেখাবে যে, যদি এর কোনও বায়ুমন্ডল থেকে থাকে তাহলে সেটিকে মনে হবে যেন সেটি শেষ শরতের সান্ধ্যকালীন আকাশ।

সাম্প্রতিক সময়ে বিজ্ঞানীরা জীবনের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এমন বেশ কিছু গ্রহসহ অসংখ্য গ্রহ আবিষ্কার করেছেন যেগুলি দূরবর্তী নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণ করছে। কিন্তু নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটির দূরত্ব কম বলে এটি সম্পর্কে গবেষণা করা বা এর ছবি সংগ্রহ করার কাজটি অপেক্ষাকৃত সহজ হবে।

অ্যাঙ্গলাডা এস্কুড বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যেই জানা সম্ভব হবে যে, গ্রহটিতে কোনরকম বায়ুমন্ডল আছে কি না এবং সেখানে অক্সিজেন আছে কি না।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: