সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জকিগঞ্জে গাড়িসহ আটক মাদক ব্যবসায়ীদের ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি

Zakigonj Pic -22.08.2016 (1)জকিগঞ্জ সংবাদদাতা
জকিগঞ্জে ফেন্সিডিল বোঝাই পিকআপ আটকের পর মাদক ব্যবসায়ীদের ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় তুলপাড় শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় জকিগঞ্জের সহকারি পুলিশ সুপার জ্যোর্তিময় সরকারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর সিলেটের নবাগত পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানের আদেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মাদক ব্যবসায়ীদের আটকের পর ছেড়ে দিয়ে নিরীহদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে পুলিশ। ঘটনাটির বিচার দাবি করে এলাকাবাসীর পক্ষে সোমবার গণস্বাক্ষরিত অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে।

একইসাথে প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ী গঙ্গাজল গ্রামের ময়না মিয়ার ছেলে জালাল উদ্দিন, মাখন মিয়ার ছেলে জোবের আহমদ ও একই এলাকার কমরু মিয়ার বিচার দাবি করা হয়েছে। প্রকৃত অপরাধীদের বাঁচাতে জকিগঞ্জ থানার কতিপয় পুলিশ ও দালালচক্র উঠে পড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, গত ১২ আগষ্ট ভোর রাতে উপজেলার গঙ্গাজলে ফেন্সিডিল বোঝাই সিলেট ন-১১-২০৯৪ নাম্বারের পিকআপ ভ্যানসহ মাদক ব্যবসায়ী জালাল, কমরু ও জোবের আহমদকে আটক করে পুলিশ। পরে উৎকোচের বিনিময়ে মাদকের বড় অংশ, পিকআপ ট্রাক ও মাদক সম্রাটদের ছেড়ে দেয়া হয়। এঘটনায় নিরিহের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করা হয়। এর প্রতিবাদে সোমবার সিলেটের পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগপত্র দেন স্থানীয়রা।

অভিযোগপত্রের সূত্র ধরে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর জকিগঞ্জ থানা পুলিশের কিছু সদস্য ও দালালচক্র বিষয়টি ধামাচাঁপা দিতে তৎপর হয়ে উঠেছে। এলাকায় কোন প্রতিবাদ সভা না করতে পুলিশ ও স্থানীয় দালালচক্র হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী আরও জানান, পুলিশ প্রকৃত অপরাধীদের রক্ষা করার পায়তারা করছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে পুলিশ মাত্র ২০ হাজার টাকা নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী দালাল আসলামের মাধ্যমে নিয়ে নিরীহ সাহান আহমদকে এ মামলায় জড়িয়েছে।

অন্য আসামী আতা মিয়া সীমান্তে খোলা অবস্থায় মাদক ব্যবসা করতেন। তার বিরুদ্ধে পুরাতন মামলা রয়েছে। তাকে জড়িয়ে মামলা দিলে পুলিশ আইনের দিকে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারবে বলে আতা মিয়াকে ও তার মামলাগুলো উল্লেখ করে এ এসআই মতিয়ার রহমান বাদি হয়ে ১২০ বোতল মাদক আটক দেখিয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে, পুলিশ সদস্য মতিয়ার ও মশিউর রহমান দালালদের নিয়ে ফেন্সিডিল বাণ্যিজের সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। গঙ্গাজল এলাকার শান্তি প্রিয় জনসাধারণ অবিলম্বে অভিযুক্তদের জকিগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করে ঘটনাটির সঠিক তদন্ত দাবি জানিয়েছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: