সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হাসনাত করিমের জামিন নামঞ্জুর

texas_usa_muslim_18290_14676059331-550x382নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষক হাসনাত রেজা করিমের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। শুনানি শেষে বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম সাজ্জাদুর রহমান জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন।

হাসনাতের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন মাহবুবুল আলম দুলাল। জামিন শুনানিতে তিনি বলেন, পুলিশ দুই দফায় হাসনাতকে রিমান্ডে নিয়েছে। তার কাছ থেকে কোন তথ্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। গুলশানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় হাসনাত হবে চাক্ষুক সাক্ষী। কিন্তু পুলিশ তাকে করেছে আসামী। ঘটনার দিন মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে সে তার পরিবারকে নিয়ে সেখানে খেতে গিয়েছিল। সে পরিস্থিতির স্বীকার। ওই ঘটনার সাথে হাসনাতের কোন সম্পৃক্ততা নেই। তাই আমি হাসনাতের জামিনের প্রার্থনা করছি।
অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আজাদ রহমান জামিনের বিরোধীতা করেন।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত হাসনাতের জামিন নামঞ্জুর করেন।

এরআগে গত ২২ আগষ্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হাসনাতকে রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন । ওই দিন তদন্ত কর্মকর্তা হাসনাতের কোন রিমান্ডের আবেদন করেননি। তবে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি হাসনাতকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
ওই দিন হাসনাতের আইনজীবী তার জামিনের আবেদন দাখিল করে শুনানির জন্য ২৪ আগষ্ট দিন ধার্য করার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
গত ১৩ আগষ্ট হাসনাতের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরআগে গত ৪ আগষ্ট তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে দশ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত তার ৮ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

একই ঘটনায় ৫৪ ধারায় আটক গ্রেফতার টরোন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাহমিদ হাসিব খান দুই দফায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে রয়েছে।
উল্লেখ্য, ৩ আগস্ট সন্ধ্যে ৭টা ২৫ মিনিটের সময় গুলশানের আড়ং এর সামনে থেকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক হাসনাত করিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
হাসনাত করিমের বাবা মোহাম্মদ রেজাউল করিম। হাসনাত বাংলাদেশ ও ব্রিটেনের দ্বৈত নাগরিক। ব্রিটেনের নাগরিক হলেও সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরে এসে বাবার আর্কিটেক্ট ফার্মে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। ঘটনার দিনে মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে তিনি হলি আর্টিজানে পরিবার নিয়ে খেতে গিয়েছিলেন।
এদিকে ওই ঘটনার মামলায় ১১ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে কূটনৈতিক এলাকা গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা করে এবং দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে। এ সময় অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন খান নিহত হন। রাতের বিভিন্ন সময় তিন বাংলাদেশিসহ ২০ জন জিম্মিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা।
পরদিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে ৫ হামলাকারী নিহত এবং একজন গ্রেপ্তার হয় । জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জিম্মিকে।
ওই ঘটনায় নিহত জঙ্গিরা হলেন, মীর সামেহ মোবাশ্বের, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, নিবরাস ইসলাম, খায়রুল ইসলাম পায়েল ও সফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল।
রেস্টুরেন্টে হামলার পর গত ৪ জুলাই রাতে গুলশান থানার এসআই রিপন কুমার দাস বাদী হয়ে সন্ত্রাস দমন আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট।-আমাদের সময়.কম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: