সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ৫১ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চা আবিষ্কারের ইতিকথা

124245The_discovery_of_teaনিউজ ডেস্ক ::
কিংবদন্তি আছে যে, পানীয় হিসেবে চা আবিষ্কার ছিল একটি দুর্ঘটনা। চীনা সম্রাট শেন নুংস এর গরম পানির কাপে একদিন হঠাৎ করেই একটি চা পাতা পড়ে। আর এভাবেই চা আবিষ্কার হয়। পরবর্তী বেশ কয়েক বছরের মধ্যেই তা পানীয় হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করে। ধারণা করা হয়, পানির পরে চা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ভোগ্য পানীয়।

এমনকি টি ব্যাগও আবিষ্কৃত হয়েছে ঘটনাক্রমে। ১৯০৮ সালে থমাস সুলিভান নামের এক ব্যক্তি তার খদ্দেরদের জন্য টি ব্যাগের স্যাম্পল তৈরি করেন। তার ধারণা ছিল চা বানানোর সময় ব্যাগটি খালি করা হবে। তবে খদ্দেররা মনে করেন টি ব্যাগটি গরম পানিতে চুবিয়ে তা থেকে রস বের করে চা বানাতে হবে। আর এভাবেই টি ব্যাগ আবিষ্কৃত হয়। ব্রিটিশ আমলে রাতের খাবারের সঙ্গে চা পরিবেশন করা হতো। আর ব্রিটিশরা সাধারণত উঁচু টেবিলের ওপর বসেই রাতের খাবার খেতেন। সেখান থেকেই হাই টি নামটিও আসে।

চা সম্পর্কিত আরও কিছু তথ্য
রাসবেরি পাতা ফলবতী হারবাল চা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাক টি চীনে রেড টি নামে খ্যাত। চা পাতা সম্পর্কিত বিদ্যার নাম টেসোগ্রাফি।

বিশ্বব্যাপী চা বাননোর বিচিত্র পদ্ধতি
তিব্বতে স্থানীয়রা ইয়াক মাখন, দুধ ও লবণ ব্যবহার করে চা বানিয়ে খান। ফরাসি, কোরিয়ান ও ভিয়েতনামীরা দুধ ছাড়াই চা খেতে পছন্দ করেন। ইরানিরা চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার সময় দাঁতের ফাঁকে একটি সুগার কিউব ধারণ করতে পছন্দ করেন। থাইল্যান্ডে চিনি ও কনডেন্সড মিল্ক ব্যবহার করে চা বানানো হয়।
সূত্র : টাইমস অফ ইন্ডিয়া

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: