সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পুরো গ্রামের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিলেন সাক্ষী

full_120231097_1471943106নিউজ ডেস্ক: দুর্দান্ত ইচ্ছাশক্তি আর অধ্যবসায়ের গুণে কী না হয়! ঈশ্বর দাহিয়ার আখড়ায় ভর্তির ১১ বছরের মাথায় ভারতকে অলিম্পিক থেকে পদক এনে দিলেন সাক্ষী মালিক।

অথচ একসময় হরিয়ানা রাজ্যের এই মেয়েকে দেখে তো থমকেই গিয়েছিলেন ঈশ্বর দাহিয়া-স্থানীয় এক কুস্তি প্রশিক্ষক। এতদিন ছেলেদেরই কুস্তির প্রশিক্ষণ দিয়ে এসেছেন তিনি। ১২ বছরের সাক্ষী মালিককে তাই ভর্তি করতে একটু সংকোচই হচ্ছিল তার। পরে অনেক ভেবে-চিন্তে মেয়েটিকে ভর্তি করলেন তিনি। তবে মোখরার মানুষ ব্যাপারটিকে মোটেও ভালো চোখে দেখেনি।

বরং আখড়ায় বাড়ন্ত মেয়েকে কুস্তি লড়তে দেখে অনেকেই নিন্দার ঝড় তোলে। সাক্ষীর কুস্তিগির হয়ে ওঠার পেছনে গ্রামবাসীর সমর্থন না থাকলেও পরিবারের সমর্থনটা কিন্তু ঠিকই পেয়েছেন তিনি। বাবা-মা দুজনেই মেয়ের ইচ্ছাকেই গুরুত্ব দিয়েছেন। কুস্তির আখড়া থেকে ফেরার পর গ্রামের ছেলেদের অসংখ্য টিটকিরিও হজম করতে হয়েছে তাকে। কটু কথা শুনতে হয়েছে গ্রামেরই পাশের ঘরের বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছ থেকে। তার গুরু ঈশ্বর দাহিয়া তো একবার বিরাট সমস্যায় পড়ে গিয়েছিলেন।

মেয়েদের খেলাধুলার তীব্র বিরোধী মোখরা গ্রামের পাণ্ডা শ্রেণির লোকজন একবার তার আখড়ার সামনে এসে বিক্ষোভও দেখিয়েছিল। তাকে হুমকি দিয়েছিল দেখে নেবার। অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জয়ের পর সেই গ্রামের মানুষই আজ আনন্দে উদ্বেলিত। এক সময় যে মেয়েটির কুস্তি-শিক্ষা ‘লজ্জায়’ তাদের মাথা কেটে ফেলছিল, আজ তারাই মিষ্টি নিয়ে উপস্থিত সাক্ষীর বাড়িতে। সাফল্য এভাবেই বদলে দেয় সবকিছু।

সূত্র: দ্য হিন্দু

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: