সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ২০ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কোমরে বিস্ফোরক বেল্ট বাঁধা শিশু আটক(ভিডিও)

iraq-bombpic_125034আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আত্মঘাতী বোমা হামলার পূর্বমুহূর্তে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে আটক করলো ইরাক পুলিশ। বিস্ফোরকে ঠাঁসা বেল্ট কোমরে বেঁধে শিশুটিকে মাঠে ছেড়ে দেয়া হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ বলছে, আইএস তাকে আত্মঘাতী হামলার জন্য প্রস্তুত করে মাঠে নামিয়ে থাকতে পারে। শিশুটির গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় পুলিশ তাকে চ্যালেঞ্জ করলে সব কিছু ফাঁস হয়।

এর আগে শনিবার রাতে তুরস্কের গাজিয়ানটেপে বিয়ে বাড়িতে একই বয়সী এক শিশুর আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৫১ জন নিহত এবং বহু আহত হয়। খবর দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট।

ইরাকের ওই কিশোরকে নিরস্ত্র করার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী।এতে জানা যায়, গতকাল রবিবার ইরাকের কিরকুক এলাকা থেকে শিশুটিকে আটক করা হয়। শিশুটির শরীর থেকে জামা খুলে যখন কোমর থেকে বিস্ফোরক বোঝাই বেল্টটি সরিয়ে ফেলা হচ্ছিল তখন শিশুটিকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। পরে বিস্ফোরকভর্তি বেল্টটি খুলে নিয়ে নিরাপদ জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃত কিশোর স্বেচ্ছায় আত্মঘাতী হামলা চালানোর জন্য কোমরে বিস্ফোরক বোঝাই বেল্ট পরেছিল নাকি আইএস তার মগজ ধোলাই করে এই পথে নামিয়েছে নাকি তাকে বাধ্য করা হয়েছে তা জানা যায়নি।

এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে কিরকুক এলাকার একটি মাজারে আত্মঘাতী বোমা হামলায় তিনজন আহত হয়। এই হামলার পর আরও বেশ কয়েকটি স্থানে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়।

নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য সংবাদ মাধ্যমকে জানান, কিরকুকের জন্য রাতটি বিপদজ্জনক হতে পারতো।

ইরাক এবং সিরিয়া উভয় দেশেই আত্মঘাতী বোমা হামলার জন্য শিশুদেরকেই বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। চলতি বছরের ২৫ মার্চ বাগদাদের দক্ষিণের এক স্টেডিয়ামে তরুণদের ফুটবল ম্যাচে ভয়াবহ বোমা হামলায় ২৯ জন নিহত এবং ৬০ জন আহত হয়। স্টেডিয়ামে বোমা হামলাকারীও একজন কিশোর বলে ধারণা করা হয়েছিল। পরে আইএস এই হামলার দায় স্বীকার করে হামলাকারীর ছবি প্রকাশ করেছিল। তাদের ছবি অনুযায়ী হামলাকারীর বয়স ১৬ বছরের বেশি হবে না। এই হামলায় নিহতদের অধিকাংশই ছিল শিশু।

জাতিসংঘের শিশুদের সংস্থা ইউনিসেফ সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরাকে কয়েক হাজার শিশুকে অপহরণ করা হয়েছে। মেয়েরা যৌন দাসী হিসেবে বিক্রির সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে রয়েছে। আর ছেলেদের ব্যবহার করা হয় যোদ্ধা বা আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী হিসেবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: