সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নবীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় সিলেট বোর্ডের তদন্ত শুরু

download (2)বুলবুল আহমদ:: নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক টাকা আত্মাসাতের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুর ১২টায় অনুষ্টিত হয়েছে।

অভিযোগকারী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক আতাউর রহমান অবসরে গেলে সহকারী শিক বদরুল আলম ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি প্রধান শিকের দায়িত্ব নেন। প্রধান শিক ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে ভিন্ন ভিন্ন খ্যাত দেখিয়ে টাকা আদায় করে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে তা খরচ করেন।

বিদ্যালয়েরর বিভিন্ন খাত হইতে প্রাপ্ত টাকা বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট ব্যাংক একাউন্টে জমা না করে বিধিবহির্ভূতভাবে নিজের কাছে রেখে আত্মসাৎ করেন। প্রধান শিক বদরুল আলম তার দীর্ঘ দিনের দুর্নীতিকে আরও দীর্ঘায়িত করার জন্য অফিস সহকারী নুর মোহাম্মদকে সরিয়ে সহকারী শিক অচিন্ত্য আচার্য্য মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন করে থাকেন এবং ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০০গজের মধ্যে পাঞ্জেরী কিন্ডার গার্ডেন এন্ড জুনিয়র হাই স্কুল নামে তার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।

প্রধান শিক্ষকের এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী সিলেট শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ দায়েরের প্রেক্ষিতে বোর্ড কর্তৃক হবিগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার মোজাফ্ফর হোসেনকে আহবায়ক ও আউশকান্দি রশিদিয়া পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্য লুৎফুর রহমান ও দীঘলবাক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজামুল ইসলামকে সদস্য করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি অভিযোগকারীদের নোটিশ প্রদান না করে প্রধান শিক্ষককে অবহিত করে তদন্তকার্যে উপস্থিত হয়ে অভিযোগকারীদের মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে তাদের বক্তব্য শুনেন।

এ নিয়ে আলোচনার শুরুতে অভিযোগকারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ ব্যাপারে ইনাতগঞ্জ আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আজিজুরর রহমান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগকারী বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। তদন্ত কমিটি যাচাই- বাচাই করলে সত্য অবশ্যই উদঘাটন হবে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বজরুর রশিদ বলেন, আমি চাই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দুর্নীতিমুক্ত হউক, শিক্ষা প্রতিষ্টানে দূনীর্তিবাজদের স্থান নেই।

এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির আহবায়ক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, অভিযোগকারীদের বক্তব্য শুনেছি ও নোট করেছি তদন্ত প্রতিবেদন সিলেট শিক্ষা বোর্ডে প্রেরণ করবো। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: