সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ৫২ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তথ্য পাওয়া গেল আরও ১০ নারী জঙ্গির

full_215805071_1471576870নিউজ ডেস্ক : গ্রেপ্তার চার সন্দেহভাজন নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও ১০ নারী সম্পর্কে তথ্য পেয়েছে র‌্যাব। গ্রেপ্তার চারজনের সঙ্গে এই ১০ জনকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই নারীরাও আইএসের (ইসলামিক স্টেট) মতাদর্শে বিশ্বাসী। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরস্পর পরিচিত হন এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে উগ্রপন্থী মতাদর্শের দীক্ষা নেন।

এই ১০ জন হলেন সাফিয়া ওরফে সানজিদা ওরফে ঝিনুক, মাইমুনা ওরফে মাহমুদা ওরফে লায়লা, তাসনুভা ওরফে তাহিরা, শায়লা ওরফে শাহিদা, সালেহা ওরফে পুতুল, দিনাত জাহান ওরফে নওমী ওরফে বাণী, তানজিলা ওরফে মুন্নী, আলিয়া ওরফে তিন্নি ওরফে তিতলি, মনিরা জাহান ওরফে মিলি ও সাবিহা ওরফে মিতু।

এসব সন্দেহভাজন নারী জঙ্গির বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেছে র‌্যাব। মামলাটি তদন্ত করছেন ওই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহজালাল আলম। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার থাকা চার নারীকে চার দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। গতকাল রিমান্ডের প্রথম দিন জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের সঙ্গে সাংগঠনিক কাজে যুক্ত নারীদের নাম বলেছেন। তারা কীভাবে একজন আরেকজনের সঙ্গে যুক্ত, কোথায় কার কাছে দীক্ষা নিয়েছেন, সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্ত কর্মকর্তা শাহজালাল আলম বলেন, সন্দেহভাজন জঙ্গি হিসেবে যে ১০ নারীর নাম পাওয়া গেছে, তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে তারা মনে করছেন, ১০ জনই উচ্চশিক্ষিত বা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ছেন।

১৫ আগস্ট চারজন সন্দেহভাজন নারীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মুঠোফোন, পেনড্রাইভ, কার্ড রিডার ও ৯০টি জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

র‌্যাব বলছে, এসব শিক্ষিত নারীকে উগ্র মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ ও জঙ্গি কাজে ভিড়িয়েছেন মাহমুদুল হাসান ওরফে তানভির নামে এক ব্যক্তি। তাকে গত ২১ জুলাই র্যাব গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আকলিমা রহমান (মনি), ইশরাত জাহান (মৌসুমি), খাদিজা পারভিন (মেঘলা) ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক ইসতিসনা আক্তার ঐশিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাবের দাবি, মাহমুদুল হাসান ‘নতুন ধারার জেএমবি’র দক্ষিণাঞ্চলীয় শাখার আমির। তিনি এই চার নারীকে দীক্ষা দিয়েছেন। আর এসব নারী জঙ্গিদের দলনেতা হলেন আকলিমা রহমান।

গতকাল বৃহস্পতিবার গাজীপুরের সাইনবোর্ড এলাকায় আকলিমার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের মেয়ে জঙ্গি সংগঠনের সদস্য, এটা তারা বিশ্বাস করতে পারছেন না।

আকলিমার ভাইয়ের স্ত্রী বলেন, আকলিমা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার কারণে ঢাকার মিরপুরে একটি মেসে সহপাঠীদের সঙ্গে থাকতেন। মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসতেন। বেশ কয়েক দিন আগে তিনি বাড়িতে আসেন। বাড়িতে থাকা অবস্থায় তাকে ১৫ আগস্ট রাতের‌্যাব আটক করে নিয়ে যায়। ওই দিন পরিবারের কেউ বুঝতে পারেননি কেন আকলিমাকে আটক করা হয়েছে। গত দুই দিন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর দেখে তারা অভিযোগের বিষয়টি জানতে পারেন।

মাহমুদুলের বিষয়ে র‌্যাব বলছে, মাহমুদুল নবম শ্রেণিতে লেখা-পড়ার সময়ই জেএমবির সঙ্গে যুক্ত হন। ২০১৪ সালের শেষের

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: