সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হজ ফ্লাইট বাতিলে মন্ত্রণালয় হাব পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

haabডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
হজ ফ্লাইট বাতিলের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।অন্যদিকে ফ্লাইট বাতিল হওয়ার কারণে বিমানের যাত্রী পরিবহনে ৫ হাজার আসনের ক্যাপাসিটি খোয়া যাওয়ায় গত বুধবার থেকেই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আসন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বিমানের এ নির্দেশনার পর যাত্রী স্বল্পতার কারণে এ পর্যন্ত ১০টি হজ ফ্লাইট বাতিল হওয়ার জন্য পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।

অন্যদিকে,হজ এজেন্সিগুলোকে বরাদ্দকৃত আসনের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এজেন্সিগুলোকে ভিসা ইস্যুকৃত হজযাত্রীদের পরিবহণে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ারও আহ্বান জানায় বিমান বাংলাদেশ।ধর্মীয় এ কার্যক্রমে ব্যবসায়িক স্বার্থের পরিবর্তে সেবার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য হজ এজেন্সিগুলোর প্রতি বিমান এয়ারলাইন্স এ আহ্বান জানায়।বরাদ্দকৃত আসনের বিপরীতে কতিপয় হজ এজেন্সির যথাসময়ে টিকিট গ্রহণ না করায় সৃষ্ট যাত্রী স্বল্পতার কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এ পর্যন্ত ১০টি হজ ফ্লাইট বাতিল করেছে।চলতি হজ মৌসুমে গত ৪ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া হজ কার্যক্রমের আওতায় এ পর্যন্ত মোট ৫৮টি ফ্লাইটে প্রায় ১৮ হাজার হজযাত্রী বিমানে জেদ্দা পৌঁছেছেন। ৫ সেপ্টেম্বর সমাপ্য প্রি-হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ডেডিকেটেড ও শিডিউল মোতাবেক মোট ১ শত ৪৪টি ফ্লাইটে প্রায় ৫২ হাজার হজযাত্রী বাংলাদেশ বিমানে করে জেদ্দা পৌঁছানোর কথা করেছে।

প্রি-হজ অপারেশনসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত কোনোরূপ সমস্যা ছাড়াই এগিয়ে চলছিল হজ ফ্লাইট পরিচালনা। কিন্ত দ্বিতীয় সপ্তাহ অর্থাৎ ১১ আগস্ট থেকে যাত্রী স্বল্পতার কারণে হজ-ফ্লাইট পরিচালনায় বিঘœ ঘটতে থাকে। ফ্লাইট বাতিল ও ক্ষেত্র বিশেষে কম সংখ্যক যাত্রী নিয়ে ফ্লাইট পরিচালনার কারণে নির্ধারিত সংখ্যক হজ যাত্রী পরিবহণে বিমানের ক্যাপাসিটি লস এর পরিমাণ ৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।এ অবস্থার উন্নতি না হলে হজ পরিবহণে পরবর্তী পর্যায়ে মারাত্মক সংকট তৈরি হতে পারে বলে বিমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা প্রকাশ করছে।হজযাত্রী পরিবহণে সৃষ্ট সংকটের আরো অবনতি এড়ানোর লক্ষে বিমানসংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে এবং সকল এজেন্সিকে বিমানের প্রাপ্য আসনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

হজ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে মন্ত্রিসভায় অনুমোাদিত হজ নীতিমালা অনুসরণ করেই আবেদনপত্র যাচাই বাছাইসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া চলছে।গত ১১ আগস্ট থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত বাতিলকৃত ১০টি ফ্লাইটে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও সিলেটের প্রায় ৫৫টি হজ এজেন্সির, যেমন-মেসার্স সায়মন ওভারসিজ, সুরেশ্বর ট্রাভেল, এয়ার কনফিডেন্স ট্যুরস্ এন্ড ট্রাভেল, কাজী এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, কে জেড এল ট্রাভেল এন্ড ট্যুর, হাসেম এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, আলবিদ এয়ার ট্রাভেল, ট্রাভেল বিজনেস লিঃ, মুনা ট্রাভেল, ইমা ওভারসিজ, সানসাইন ট্রাভেল এয়ার, গ্রীণ এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, রায়হান ট্রাভেল ইন্টারন্যাশনাল, নূর হজ ট্রাভেল এন্ড ট্যুর, আল জুবায়ের ট্রাভেল এজেন্সি, মাসুম এয়ার ট্রাভেলস, আল আরাফা ওভারসিজ, আল খায়ির ট্রাভেল এন্ড ট্যুর, ভেনিস ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল, মীমস ট্রাভেল এন্ড ট্যুর লিঃ, সালামত ট্রাভেল এন্ড ট্যুরস, ব্রিটানিয়া এভিয়েশন, বেস্ট ফ্লাই ইন্টাঃ, এয়ার কনসার্ন, তানভির ট্রাভেলস, রয়েল এয়ার সার্ভিস সিস্টেমস, ইসলামিয়া ওভারসিজ লিঃ, স্টার ট্যুর এন্ড ট্রাভেল, গোল্ডেন বেঙ্গল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেল, ওভারসিজ লিংক, সানজারি ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস, ভেলেনসিয়া এয়ার ট্রাভেল, ডাইনেস্টি ট্রাভেল, বারিধারা ওভারসিজ লিঃ, ইস্ট ওয়েস্ট ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস, কাজী ট্রাভেল, সবুজ বাংলা ইন্টাঃ, রয়েল এয়ার সার্ভিস, গাল্ফ ট্রাভেল, কেয়া এন্টারপ্রাইজ, ড্রীম স্কাই ইন্টাঃ. আল হীরা ট্রাভেল, মহিম ট্রাভেল লিঃ, হাসনাইন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, লাব্বাইক ট্রাভেল, আল ঈমাম কাফেলা ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, দারুল ঈমাম ইন্টাঃ, আল মানসুর এয়ার সার্ভিস, লতিফ ট্রাভেল লিঃ, বিডি ওভারসিজ সার্ভিস, এলাইট ট্রাভেল, যাত্রীক ট্রাভেল, সিটি ওভারসিজ, সাইমন ওভারসিজ ও সুমা ইন্টাঃ ওভারসিজ এর অনুকূলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আসন বরাদ্দ করে।

বুধবার হাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলা হয়, হজ পরিচালকের অনিয়মের কারণে ১০টি হজ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।অন্যদিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হজ পরিচালকের (আশকোনা) পক্ষ থেকে বলা হয়, বেনামে নিবন্ধন করার কারণে হজযাত্রী সংকটে ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।হাবের মহাসচিব শেখ মো. আব্দুল্লাহ বলেন, হজ পরিচালকের অনিয়মের কারণে ফ্লাইট বাতিলসহ নানা দূরাবস্থা ঘটছে। কেউ অসুস্থতার কারণে যেতে না পারলে অথবা কেউ মারা গেলে তার বিপরীতে হজযাত্রীর রিপ্লেসমেন্ট করা হলেও হজ পরিচালক তা মানছেন না। মৃত্যু সনদ অথবা চিকিৎসা সনদ চাইছেন।কিন্তু দূর-দূরান্তের হজযাত্রীর পক্ষে হঠাৎ করে তা সম্ভব নয়। এতে মন্ত্রণালয় ও সচিব সহযোগিতা করছেন।

অন্যদিকে হজ পরিচালক (আশকোনা) ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল বলেন, আগেই রিপ্লেসমেন্ট সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন নতুন করে রিপ্লেসমেন্ট করা সম্ভব নয়। যদি কউ মারা যান বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে না যেতে পারেন সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সনদ লাগবে।তিনি আরো বলেন, অসুস্থতার খবর নিয়ে দেখেছি। বলা হয়েছে, হৃদরোগ ও অ্যাবডুমিনাল পেইন। অথচ ফোন করে দেখেছি, সেটি চালের আড়ত।হাবের সংবাদ সম্মেলনের পর দুপুরে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বৈঠক হয়। বৈঠকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আব্দুল জলিল বলেন, মাহারাম ও রিপ্লেসমেন্টই সব সমস্যা নয়। হাবের প্রতি ইঙ্গিত করে সচিব বলেন, আরো সমস্যা রয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে বাড়ি সংকটের কারণে হজযাত্রী সংকটে ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।আগে থেকে বাড়িভাড়া না করায় অনেকে টিকিটও কাটছেন না। সে কারণেও যাত্রী সংকট।

বৈঠকে ধর্ম সচিব বলেন,‘যতো সমস্যাই থাকুক আমরা তার সমাধান করবো। ফ্লাইট ১০টি নয়, আটটি বাতিল হয়েছে। দু’টি ফ্লাইটে হজযাত্রীর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব এস এম গোলাম ফারুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফ্লাইট বাতিল হওয়ার বিষয়টি সমাধানে এখন থেকে ৩১৯ আসনের ফ্লাইটের পরিবর্তে ৪১৯ আসনের ফ্লাইট দেওয়া হবে। প্রতি ফ্লাইটে একশ’ জন করে বেশি হজযাত্রী যেতে পারবেন।এদিকে হাবের পক্ষ থেকে এবার প্রায় ২০ হাজার হজযাত্রী হজে যেতে পারবেন না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, ৮৩ হাজার আবেদনের মধ্যে ৬৩ হাজার ভিসা পাওয়া গেছে। হয়তো আরো দু’দিনের মধ্যে ৩ হাজার পাওয়া যাবে। তাতে আরো বাকি থাকবে ২০ হাজার।
তবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুল জলিল বলেন, জটিলতা নিরসন করে সব হজযাত্রীকেই হজে পাঠানো হবে।

এ বছর এক লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশি হজে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাচ্ছেন ১০ হাজার বাংলাদেশি। বাকি ৯১ হাজার ৭৫৮ জন যাচ্ছেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়। হজযাত্রী পরিবহন করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের হজ ফ্লাইট গত ৪ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিমানের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর এবং শেষ হবে ১৬ অক্টোব ।
হজযাত্রী সংকটে বিমানের আর কোনো ফ্লাইট বাতিল হবে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। বিমান কর্তৃপক্ষ এজেন্সিগুলোকে ম্যাসেজ দিয়ে টিকিট নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাবে।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কথা জানান তিনি।এর আগে বিমান মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়, অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্সি অব বাংলাদেশ (আটাব), হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এবং হজ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুল জলিল, হজ সমন্বয় পরিষদের প্রধান ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বিএইচ হারুন, হজ পরিচালক ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল এবং হাব ও আটাবের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পর মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন জানান, এখন থেকে আর কারো প্রতি কোনো দোষারোপ করার বিষয় নেই। মাহরাম ও হজযাত্রী পুন:স্থাপন সহজীকরণ করা হয়েছে। তবে এক এজেন্সি ৫০ জনের বেশি হজযাত্রী পুন:স্থাপন করতে পারবে না।গত ০৪ আগস্ট থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের হজ ফ্লাইট শুরুর পর আটটি ফ্লাইট বাতিল হয় এবং দু’টি ফ্লাইট বাতিল ঠেকাতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।এরপর বিমানের যাত্রী পরিবহনে ৫ হাজার আসনের ক্যাপাসিটি খোয়া যাওয়ায় বুধবার (১৭ আগস্ট) থেকেই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আসন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

অন্যদিকে ১০টি হজ ফ্লাইট বাতিলে হাবের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয় ও হজ পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়। অভিযোগে বলা হয়, মাহরাম ও হজযাত্রী পুন:স্থাপন (রিপ্লেসমেন্ট) করা হচ্ছে না। তবে এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় হজযাত্রী পুনঃস্থাপনে হাব ও এজেন্সিগুলোকে দায়ী করে। এ নিয়ে বুধবার ও বৃহস্পতিবার কয়েক দফা বৈঠক করে দুই মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টরা।সকালে বৈঠকের পর বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ফ্লাইট বাতিল হওয়ার বিষয়টির সমাধানে এখন থেকে ৩১৯ আসনের ফ্লাইটের পরিবর্তে ৪১৯ আসনের ফ্লাইট দেওয়া হচ্ছে। ঢাকার সৌদি দূতাবাস খোলা থাকলে শুক্রবার (১৯ আগস্ট) থেকে, না থাকলে শনিবার (২০ আগস্ট) থেকেই নিয়মিত হজ ফ্লাইট চলবে। কোনো ফ্লাইটেই আসন ফাঁকা যাবে না। আমরা সৌদি দূতাবাস শুক্রবার খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছি।

২০ হাজার হজযাত্রীর হজে যেতে না পারার শঙ্কা নিয়ে হাবের অভিযোগ প্রসঙ্গে রাশেদ খান মেনন বলেন, এ পর্যন্ত সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের ৭৩টি এবং বিমানের ৫২টি ফ্লাইট গেছে। এক লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন যাত্রীর মধ্যে চলে গেছেন ৪১ হাজার ৮৪০ জন। বুধবার (১৭ আগস্ট) পর্যন্ত ভিসা পেয়েছে ৬৯ হাজার ৪৫১ জন। বিমান এজেন্সিগুলো টিকিট নেওয়ার জন্য ম্যাসেজ পাঠিয়ে দেবে।শুরু এবং শেষের ১০দিন করে হজযাত্রীদের বেশি চাপ থাকে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মাঝের সময়টুকুতে হাজিরা কম যেতে চান। নির্ধারিত ফ্লাইটেই সবাইকে যাওয়া-আসার অনুরোধ করছি।
সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল না হলেও বিমানের হওয়ার কারণ জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সাউদিয়া এয়ারলাইন্স আগাম ৮০ শতাংশ টাকা নিয়ে নেয়। বিমান সেটা নেয় না। এ কারণে বিমানের হজযাত্রীরা রিলাক্সে থাকেন।হজ ফ্লাইট মিস না করারও অনুরোধ জানান বিমানমন্ত্রী।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: