সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আফসানা হত্যাকাণ্ডে ছাত্রলীগের রবিন জড়িত

Afsana-Thakurgaon20160817185853নিউজ ডেস্ক:
ঢাকার মিরপুরের সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজির স্থাপত্যবিদ্যার শেষ বর্ষের ছাত্রী ঠাকুরগাঁওয়ের আফসানা ফেরদৌস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তেজগাঁও সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিন জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন তার পরিবার।

আফসানার মা সৈয়দা ইয়াসমিন বলেন, আফসানা যখন তেজগাঁও এলাকায় থাকতেন, তখন তেজগাঁও কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান রবিনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন আফসানা। একপর্যায়ে তাদের সেই সম্পর্কে টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। পরে তেজগাঁও ছেড়ে চলে যান আফসানা।

মৃত্যুর ১০ দিন আগে আফসানা ও রবিনের পরিচিত বন্ধুরা আবার তাদের বুঝিয়ে এক করে দেন। কিন্তু সম্পর্কে আবারো টানাপড়েন শুরু হয়। তখন আফসানাকে দেখে নেয়ারও হুমকি দেয়া হয়। এর দুইদিন পর আফসানার মরদেহ পাওয়া গেল। এখনো মোবাইল ফোনে হুমকি দেয়া হচ্ছে।

মৃত্যুর খবর দেয়া সেই ফোন নম্বর দুইটি সম্পর্কে আফসানার ভাই রাব্বি বলেন, গত শনিবার রাতে মাকে অপরিচিত এক নম্বর থেকে সৌরভ পরিচয়ে ফোন করে জানানো হয়, আফসানা বাংলাদেশ মেডিকেলের জরুরি বিভাগে ভর্তি আছে। এই খবর শুনে মা কাঁদতে শুরু করলে আমি ফোনটা ধরি। পরে ওই প্রান্ত থেকে বলা হয় মরদেহ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তখন আমি বিষয়টি ঢাকার আত্মীয়-স্বজনদের জানায়।

খবর পেয়ে স্বজনরা বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান। কিন্তু আফসানার মরদেহ সেখানে পাওয়া যায়নি। পরে ওই নম্বরে আমরা বারবার ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ করা হয়নি। পরে আবার অন্য একটি নম্বর থেকে বাবু পরিচয় দিয়ে জানানো হয়, মরদেহ আল-হেলাল স্পেশালাইজড হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

ফজলে রাব্বি আরো বলেন, সোমবার বিকালেও রবিনের ভাই পরিচয় দিয়ে দিপু নামে একজন বলেন, ‘এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি কইরেন না। আপনারা অনেক দূরে থাকেন। আমাদের কিছুই করতে পারবেন না। একটা মিসটেক হয়ে গেছে। আসেন আমরা বসে মীমাংসা করে ফেলি।’

এ ধরনের ফোনকলের ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও শঙ্কার কথা জানান ফজলে রাব্বী। আফসানাকে ধর্ষণের পর গলায় রশির মতো কোনো কিছু দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, গত শনিবার খুন হন আফসানা ফেরদৌস। রাতে অপরিচিত মোবাইল ফোন থেকে কল দিয়ে আফসানার মাকে জানানো হয়, আফসানার মরদেহ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে। এরপর আফসানার মা ঠাকুরগাঁও থেকে আত্মীয়স্বজনদের বিষয়টি জানালে আফসানার মামা ও অন্যান্য স্বজনরা দ্রুত ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন মরদেহ নেই।

পরে আবারো একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন করে জানানো হয়, আফসানার মরদেহ মিরপুরের আল-হেলাল হাসপাতালে রয়েছে। সবাই ছুটে যান আল-হেলাল হাসপাতালে।

এসময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এ নামে একটি মরদেহ কাফরুল থানায় রয়েছে। এরপর কাফরুল থানায় পৌঁছানোর পর আফসানার ছবি দেখালে থানায় ডিউটিরত পুলিশ জানায়, এমন চেহারার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। পরে রাত ৩টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে গিয়ে আফসানার মরদেহ শনাক্ত করেন তার মামা ও স্বজনরা। জাগো নিউজ

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: