সর্বশেষ আপডেট : ১৯ মিনিট ৫০ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নিব্রাসের সঙ্গে নিয়মিত কথাবার্তা হতো মূসার

goo-550x331নিউজ ডেস্ক : গুলশান হত্যাকান্ডের আলোচিত খুনি নিব্রাস ইসলাম অনেক দিন ধরে হতাশা ও বিষন্নতায় ভুগছিল। তার টুইটার অ্যাকাউন্টে পাওয়া কিছু টুইট বিশ্লেষণ করে এমন ধারণার কথা জানিয়েছে বিবিসি বাংলা। সংবাদমাধ্যমটির তথ্য অনুযায়ী, হৃদয়ঘটিত কোনো টানাপড়েন থেকে সে হতাশায় ভুগছিল বলে ধারণা করা যায়। অথবা কোনো বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন অথবা প্রেমে ব্যর্থতায়ও এমন বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। সম্ভবত হতাশা থেকে হঠাৎ করে জীবনবিমুখ হয়ে ভুল পথে পা রাখে নিব্রাস ইসলাম। আর এই হতাশাকেই ষোল আনা কাজে লাগিয়ে থাকতে পারে আইএস, হিজবুত তাহরীর বা অন্য কোনো জঙ্গি সংগঠন। আর জঙ্গি সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন প্রতিনিয়ত। নিব্রাসের যোগাযোগ ছিল মিতু হত্যা মূল আসমি মূসার সঙ্গে।

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে দেড় মাস আগে জেএমবি জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার মুসা ওরফে মসিউদ্দিনই কী চট্টগ্রামে এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার প্রধান আসামি? যাচাই করতে কলকাতায় এসেছে ডিবির সহকারী কমিশনার পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা। মঙ্গলবার সকালে তিনি কলকাতায় এসেছেন। এদিনই মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দুই দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সি)। তবে সরকারিভাবে বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের তদন্ত করতে আসার বিষয়ে তারা কিছু জানায়নি। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গেছে, গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলাকারী জঙ্গি নিব্রাস ইসলামের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এই মুসার। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের মধ্যে কথা চালাচালি হতো।

গত ৫ জুলাই বর্ধমানের একটি স্টেশনে ট্রেন থেকে নামিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল মুসাকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সঙ্গে যুক্ত থাকার। পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি তাকে গ্রেফতার করে জানায়, এরাজ্যে নাশকতার ছক কষছিল মুসা। তামিলনাড়ু থেকে তার পিছু নিয়ে শেষ পর্যন্ত বর্ধমানে ট্রেন থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার আইএস যোগও রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে স্লিপার সেল তৈরির চেষ্টা করছিল। পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুরে তার বাড়ি রয়েছে। সেখানে থাকে তার স্ত্রী ও ছেলে। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশুনা করেছে মুসা।

জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হওয়া মুসাই চট্টগ্রামের অস্ত্র ব্যবসায়ী মুসা কিনা, তা খতিয়ে দেখতেই বাংলাদেশের ডিবি কর্মকর্তা কলকাতায় এসেছেন। ১৮ আগস্ট পর্যন্ত মুসা এনআইএ হেফাজতে থাকবে। এনআইএ-এর কলকাতা দপ্তরেই এসেছেন ডিবির কর্মকর্তা। সেখানে এনআইএ অফিসারদের উপস্থিতিতে মুসার সঙ্গে তিনি কথা বলবেন। তবে পুরো ব্যাপারটাই হবে অনানুষ্ঠানিকভাবে। সেকারণে এই তদন্ত বা জেরার বিষয়ে সরাসরি কেউ কিছু বলতে বা মুখ খুলতে চাইছেন না।

এনআইএ সূত্রে খবর, গুলশান হামলার সঙ্গে এই মুসার কী যোগ রয়েছে তাও জানার চেষ্টা করতে এবং জঙ্গি যোগ নিয়ে যেসব সূত্র মলছে না তা মেলাতেই দুই দেশের গোয়েন্দাদের সামনে মুসার জেরা চলবে। এতদিন পশ্চিমবঙ্গ সিআইডির হেফাজতে জেলে ছিল মুসা।
গতকাল এনআইএ-এর জেরায় মুসা জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপে নিব্রাস ইসলামের সঙ্গে তার নিয়মিত কথাবার্তা হতো। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করে গোয়েন্দারা জানার চেষ্টা করছেন গুলশান হামলায় জড়িত চক্রের সদস্যরা পশ্চিমবঙ্গে কোথায় লুকিয়ে রয়েছে।-আমাদের সময়.কম

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: