সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বোল্টকে নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা যা বললেন

full_109348823_1471411425 (1)খেলাধুলা ডেস্ক: এই অলিম্পিকে কির্তী গড়ার আগেই তিনি কিংবদন্তী। তাকে থামানো যায়নি কখনও, এবারও না। নেমেই ১০০ মিটারে সোনা জয়। এবার ২০০ মিটারে অপেক্ষা। তাতেও যে সোনা জিতছেন তা অনুমেয়। জ্যামাইকার এই স্প্রিন্টার কে নিয়ে সবার জানার আগ্রহ। তার পরিবারের সদস্যরা কি বলছেন বোল্টকে নিয়ে! এই গতি দানবের জন্ম, বেড়ে ওঠা স্কুল জীবন এসব নিয়ে কথা বলেছেন তার পরিবারের খুব কাছের সদস্যরা।

বোল্টের মা জেনিফার বলেছেন, তার বয়স যখন তিন সপ্তাহ তখন থেকেই তিনি টের পেতে শুরু করেছিলেন যে বড় কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে, তার ছেলে এমন কিছু করবে যা আর কেউ করতে পারেনি। বাবা ওয়েলেস্‌লি বোল্ট বলেন, উসেইন কখনও হারতে চাইতো না।

বোল্টের মা জানান, উসেইন জীবনে দেরি হয়েছিল মাত্র একবারই। সেটা জন্ম নেয়ার সময়। সময়ের চেয়ে অ্যাথলেটিকক্সের এই কিংবদন্তি ঠিক ১০ দিন পর ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন। তার টাইমিংয়ের চেয়ে অনেকটাই দেরিতে!

জেনিফার বলেন, সেই পিচ্চিকাল থেকে উসেইন স্কুলের বন্ধুদের সাথে দৌড়ের প্রতিযোগিতা করতেন। জ্যামাইকার ট্রলনিতে পাড়ার মাঠে দৌঁড়াতেন এবং প্রতিবারই জিততেন। তবে কালেভদ্রে কখনও হেরে গেলে কান্না জুড়ে দিতেন।

পরিবারের সদস্যরা বলেন, সে সময় তিনি ক্রিকেট ছাড়া আর কিছুই খেলতেন না। ব্রায়ান লারাদের খেলা দেখে বড় হয়েছেন। তাই ক্রিকেটের প্রতি ছিল অন্য একটা টান। বোন শেরিন এবং ভাই সাদিকি বলছেন, ছোটবেলা থেকেই উসেইন ছিলেন খুবই হাসিখুশি এক ছেলে। তবে উইলিয়াম নিব হাই স্কুলে পড়ার সময় উসেইন বোল্টের আকর্ষণ ছিল ক্রিকেটের প্রতি।

তবে স্কুলের পিটি শিক্ষক লর্না থর্পই প্রথম উসেইনকে অ্যাথলেটিক্সে আসার জন্য উপদেশ দেন। ‘আমি তাকে বলেছিলাম, ভাল করে ট্রেনিং শুরু করো। তোমার লম্বা পায়ের ভেতর সোনার খনি লুকনো আছে,’ বলছিলেন মিসেস থর্প।

তার কিংবদন্তী হয়ে ওঠার পেছনে এই শিক্ষকের বড় ধরনের প্রভাব রয়েছে। উসেইন সেটি স্বীকারও করেন। ‘তিনি ছিলেন মায়ের মতো। স্কুলে পড়ার সময় তিনি সব সময় আমার খোঁজখবর রাখতেন। স্কুলের ভেতরে কি স্কুলের বাইরে। সব সময় চাইতেন আমি যেন আমার মনোযোগ ধরে রাখি। ফলে আমার জীবনে তার বড় ভূমিকা রয়েছে।’

উসেইন বোল্টের জীবনে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতি আসে যখন তার বয়স মাত্র ১৫ বছর। ২০০২ সালে জ্যামাইকাতে বিশ্ব জুনিয়ার চ্যাম্পিয়নশিপে এই কিশোর স্বর্ণপদক জয় করে সবার মনোযোগের কেন্দ্রে চলে আসেন। এরপরের ইতিহাস সবার জানা। সাম্প্রতিক সময়ে অলিম্পিকে তিনি প্রতিনিয়ত ছাড়িয়ে যাচ্ছেন নিজেকে। এবারও রিওতে এসেছেন ‘গ্রেটেস্ট অব দ্য আর্থ’ হতে। তবে এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন এটাই হবে তার শেষ অলিম্পিক। তাই বোল্টের শো-কেসে শেষ পর্যন্ত কয়টা অলিম্পিক সোনা শোভা পায় তাই এখন দেখার বিষয়।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: